ঐক্যফ্রন্ট ‘ডেথ প্লেয়িং ফিল্ড’ চেয়েছিল: নওফেল

প্রকাশ : ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮, ২১:৩৩ | অনলাইন সংস্করণ

  চট্টগ্রাম ব্যুরো

নিজ নির্বাচনী কার্যালয়ে সর্বদলীয় প্রার্থনা সভায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল

বিএনপি তথা ঐক্যফ্রন্ট লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের নামে ‘ডেথ প্লেয়িং ফিল্ড’ তৈরি করতে চেয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

তিনি বলেন, ‘ঐক্যফ্রন্ট বোঝাতে চেয়েছিল নির্বাচনী প্রচারণায় আমরা তাদের সুযোগ দিচ্ছি না। তাদের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি নেই। কিন্তু লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির কথা বলতে বলতে শেষ পর্যন্ত তারা নিজেরাই সহিংসতা করল। সারা দেশে ৯ জন মানুষকে হত্যা করল। যারা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের কথা বলেছিলেন, তারা ডেথ প্লেয়িং ফিল্ডই চেয়েছিলেন।

সোমবার দুপুরে নগরীর কেসিদে রোডে স্থাপিত নিজ নির্বাচনী কার্যালয়ে সর্বদলীয় প্রার্থনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ‘সব ষড়যন্ত্র ছিন্ন করে মানুষ নৌকাকে ভোট দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আগামী ৫ বছর রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য মেনডেট দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন এ বিজয় একটি দায়িত্বপূর্ণ বিজয়। আমরা কোনো উদযাপন করব না। কোনো উচ্ছ্বাস করব না। উচ্ছ্বাসের মাধ্যমে কোনো বিশৃঙ্খলা করব না। কেননা ষড়যন্ত্রকারীরা ওত পেতে আছে। তারা যে কোনো সময় নাশকতা ঘটাতে পারে।’

তিনি বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য নির্বাচন। কারণ এই প্রথম একটি রাজনৈতিক সরকারের অধীনে সব রাজনৈতিক দল ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। অর্থাৎ প্রাথমিকভাবে সবার আস্থা ছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব। এ কারণে সবাই নির্বাচনে এসেছে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী প্রচারণা যখন শুরু হলো আমরা দেখলাম অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য কিছু কিছু রাজনৈতিক দল তাদের ফ্রন্টের মাধ্যমে প্রচারণা থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেদের বিরত রেখেছে। তখন সাধারণ মানুষের সঙ্গে আমাদের মনেও প্রশ্ন জাগল- তারা কেন নিজেদের নির্বাচনী প্রচারণা থেকে বিরত রাখছে।

সর্বদলীয় প্রার্থনা সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, ৩২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর জহর লাল হাজারী প্রমুখ।