রানুকে নিজের গানে জনপ্রিয় হওয়ার পরামর্শ লতা মঙ্গেশকরের

  যুগান্তর ডেস্ক ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৯:৩৭ | অনলাইন সংস্করণ

রানু মণ্ডল
রানু মণ্ডল ও লতা মঙ্গেশকর। ছবি: সংগৃহীত

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া রানাঘাট স্টেশনের রানু মণ্ডলকে নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই নানান আলোচনা চলছে। রানুর জীবন পরিবর্তন যেন রূপকথাকেও হার মানিয়েছে। লতা মঙ্গেশকরের গান ‘এক প্যায়ার কা নাগমা হ্যায়’ গেয়েই রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে যান রানু মণ্ডল।

গানটি ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই রানু মণ্ডলের গলাকে তুলনা করা হচ্ছিল ভারতের সুর সম্রাজ্ঞি লতা মঙ্গেশকরের সঙ্গে। কিন্তু লতা মঙ্গেশকরের মতো একজন বিখ্যাত শিল্পীর সঙ্গে রানুর তুলনা কতটুকু যৌক্তিক, এমন প্রশ্নও ওঠেছিল বিভিন্ন মহলে। বিষয়টি নিয়ে এবার লতা মঙ্গেশকর নিজেই মুখ খুলেছেন।

ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে লতা বলেন, ‘যদি আমার নাম এবং কাজের সৌজন্যে কারও ভালো হয়, তবে আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করব। কিন্তু, আমি মনে করি কাউকে নকল করা কখনও স্থায়ী এবং নির্ভরযোগ্য সমাধান হতে পারে না।’

রিয়েলিটি শোতে যে সব উঠতি গায়ককে দেখা যায় তাদের ভবিষ্যৎ নিয়েও চিন্তিত লতা মঙ্গেশকর।

তিনি বলেন, ‘এত জন আমার গানগুলো এত সুন্দর করে গায়। তবে সাফল্যের প্রথম ঝলকের পরে তাদের মধ্যে কতজনের কথা মানুষ মনে রাখে? প্রথমে সফলতা পাওয়া সহজ। কিন্তু তা ধরে রাখাই আসল। আমার চেনা শুধুমাত্র সুনিধি এবং শ্রেয়া ছাড়া আর কাউকেই কি সেভাবে মনে রেখেছে?

নতুন শিল্পীদের প্রতি পরামর্শ দিয়ে এ সুর সম্রাজ্ঞি বলেন, ‘আসল হও। কাউকে নকল করো না। এক সময়ে গায়ক বা গায়িকাকে তার নিজের গানটির সন্ধান করতে হবে এবং সেই গান গেয়েই জনপ্রিয় হতে হবে।

নিজের বোন আশা ভোঁসলের উদাহরণ দিয়ে লতা বলেন, যদি আশা নিজের স্টাইলে গান না গেয়ে আমাকে নকল করত তবে সেও আজ আশা হতো না।

সূত্র: এনডিটিভি ও আনন্দবাজার পত্রিকা

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×