সৌমিত্র এখনও বিপদমুক্ত নন
jugantor
সৌমিত্র এখনও বিপদমুক্ত নন

  বিনোদন ডেস্ক  

২৩ অক্টোবর ২০২০, ১১:৫৪:৩৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ছবি সংগৃহীত

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। তার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল।

তবে এখনও তিনি বিপদমুক্ত নন। তার চিকিৎসায় আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেয়া হচ্ছে।

চিকিৎসকরা জানান, মস্তিষ্কে সংক্রমণের সমস্যা এবং বয়স ও আনুষঙ্গিক রোগগুলোর কারণে অবস্থা বিপজ্জনক হতে পারে। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের পরামর্শও নেয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার হাসপাতাল থেকে অভিনেতার স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বুলেটিন প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, এদিন সকালে রক্তচাপ বেড়েছিল সৌমিত্রের। অক্সিজেনেরও প্রয়োজন পড়েছিল। তবে চিকিৎসার মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তার সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সচল রয়েছে।

চিকিৎসক অরিন্দম কর জানিয়েছেন, সৌমিত্রের অবস্থা স্থিতিশীল। তবে এদিন সকালে হিমোগ্লোবিন কিছুটা কমে যায়। রক্তচাপ ও অক্সিজেনজনিত সমস্যা হয়েছিল। সেটিও দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে সৌমিত্রের স্নায়ুজনিত সমস্যা চিকিৎসকদের কাছে একটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

সৌমিত্র এখনও বিপদমুক্ত নন

 বিনোদন ডেস্ক 
২৩ অক্টোবর ২০২০, ১১:৫৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ছবি সংগৃহীত
ছবি সংগৃহীত

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। তার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল।  

তবে এখনও তিনি বিপদমুক্ত নন। তার চিকিৎসায় আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেয়া হচ্ছে। 

চিকিৎসকরা জানান, মস্তিষ্কে সংক্রমণের সমস্যা এবং বয়স ও আনুষঙ্গিক রোগগুলোর কারণে অবস্থা বিপজ্জনক হতে পারে। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের পরামর্শও নেয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার হাসপাতাল থেকে অভিনেতার স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বুলেটিন প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, এদিন সকালে রক্তচাপ বেড়েছিল সৌমিত্রের। অক্সিজেনেরও প্রয়োজন পড়েছিল। তবে চিকিৎসার মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তার সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সচল রয়েছে। 

চিকিৎসক অরিন্দম কর জানিয়েছেন, সৌমিত্রের অবস্থা স্থিতিশীল। তবে এদিন সকালে হিমোগ্লোবিন কিছুটা কমে যায়। রক্তচাপ ও অক্সিজেনজনিত সমস্যা হয়েছিল। সেটিও দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে সৌমিত্রের স্নায়ুজনিত সমস্যা চিকিৎসকদের কাছে একটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা