বিয়ের পর আল্লাহর কাছে অভিনেত্রী সানা খানের প্রার্থনা
jugantor
বিয়ের পর আল্লাহর কাছে অভিনেত্রী সানা খানের প্রার্থনা

  অনলাইন ডেস্ক  

২৩ নভেম্বর ২০২০, ১২:১৩:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

বলিউড অভিনেত্রী সানা খান ইসলামের টানে তার ১৫ বছরের সুদীর্ঘ ক্যারিয়ারের ইতি টানেন গত অক্টোবরে। এর দেড় মাস পর বিয়ের পিঁড়িতে বসেন তিনি।

গত শুক্রবার ঘরোয়া পরিবেশে ভারতের গুজরাটের সুরাটের বাসিন্দা মাওলানা মুফতি আনাস সাইয়িদকে জীবনসঙ্গী করেন

বিয়ের পর নামও বদলেছেন সানা খান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের নামের আগে যোগ করেছেন স্বামীর নাম। ইনস্টাগ্রামে এখন তার নাম দেখা যাচ্ছে সাইয়িদ সানা খান।

গতকাল রোববার এই অভিনেত্রী ইনস্টাগ্রামে স্বামীর সঙ্গে প্রথম ছবি আপলোড দেন এবং বাকি জীবন দুজন যেন একসঙ্গে থাকতে পারেন তারজন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে একটি স্ট্যাটাসও দেন।

সানা লেখেন, ‘আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আমরা ভালোবেসেছি, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আমরা বিয়ে করেছি। আল্লাহ এই দুনিয়ায় আমাদের একসঙ্গে রাখুন এবং জান্নাতেও আমাদের পুনর্মিলন করুন।’

ওই স্ট্যাটাসে মহাপবিত্র আল কোরআনের সুরা আররহমানের ‘ফাবি আইয়িআলা ইরব্বিকুমা তুকাজ্জিবান’ আয়াতের কথাও স্মরণ করেন তিনি; যার অর্থ- তোমরা তার (আল্লাহর) কোন কোন নেয়ামতকে অস্বীকার করবে?

গত ৮ অক্টোবর সানা খান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ পোস্টের মাধ্যমে বিনোদন জগত থেকে বিদায়ের কথা ঘোষণা করেন।

গ্ল্যামার দুনিয়াকে বিদায় জানিয়ে বাকি জীবন আল্লাহের পথে চলার ও সমাজসেবা করার কথা জানিয়েছিলেন সানা। সেই সঙ্গে সবাইকে কাজের জন্য জোরাজুরি না করতে ও অভিনয়ের প্রস্তাব না দিতে অনুরোধ করেছিলেন।

২০০৫ সালে ‘ইয়ে হ্যায় হাই সোসাইটি’ সিনেমা দিয়ে বলিউডে অভিষেক হয় সানা খানের। এর পর তিনি বলিউডে ‘হাল্লা বোল’, ‘জয় হো’, ‘ওয়াজা তুম হো’ ও ‘টয়লেট : এক প্রেম কথা’র মতো সিনেমা করেন।

ক্যারিয়ারে হিন্দি, মালয়ালাম, তামিল, কন্নড় ও তেলেগু ভাষার সিনেমায় দেখা গেছে সানা খানকে। এ ছাড়া বিজ্ঞাপন ও রিয়েলিটি শোতে দেখা যায় তাকে।

পাঁচ ভাষার ৫০টির বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন সানা। ২০১২ সালে জনপ্রিয় ও বিতর্কিত টিভি রিয়েলিটি শো বিগ বসের প্রতিযোগী ছিলেন সানা এবং চূড়ান্ত পর্বে উঠেছিলেন।

এর আগে গত বছরের জুন মাসে সিনেমায় অভিনয় ছেড়ে দেয়ার কথা ঘোষণা করেন কিশোরী বলিউড অভিনেত্রী জাইরা ওয়াসিম। ইসলামকে পুরোপুরিভাবে মানতে অভিনয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন ‘দঙ্গল’খ্যাত এই কাশ্মীরি কন্যা।

বিয়ের পর আল্লাহর কাছে অভিনেত্রী সানা খানের প্রার্থনা

 অনলাইন ডেস্ক 
২৩ নভেম্বর ২০২০, ১২:১৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বলিউড অভিনেত্রী সানা খান ইসলামের টানে তার ১৫ বছরের সুদীর্ঘ ক্যারিয়ারের ইতি টানেন গত অক্টোবরে। এর দেড় মাস পর বিয়ের পিঁড়িতে বসেন তিনি।  

গত শুক্রবার ঘরোয়া পরিবেশে ভারতের গুজরাটের সুরাটের বাসিন্দা মাওলানা মুফতি আনাস সাইয়িদকে জীবনসঙ্গী করেন। 

বিয়ের পর নামও বদলেছেন সানা খান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের নামের আগে যোগ করেছেন স্বামীর নাম। ইনস্টাগ্রামে এখন তার নাম দেখা যাচ্ছে সাইয়িদ সানা খান।

গতকাল রোববার এই অভিনেত্রী ইনস্টাগ্রামে স্বামীর সঙ্গে প্রথম ছবি আপলোড দেন এবং বাকি জীবন দুজন যেন একসঙ্গে থাকতে পারেন তার জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে একটি স্ট্যাটাসও দেন। 

সানা লেখেন, ‘আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আমরা ভালোবেসেছি, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আমরা বিয়ে করেছি। আল্লাহ এই দুনিয়ায় আমাদের  একসঙ্গে রাখুন এবং জান্নাতেও আমাদের পুনর্মিলন করুন।’

ওই স্ট্যাটাসে মহাপবিত্র আল কোরআনের সুরা আররহমানের ‘ফাবি আইয়িআলা ইরব্বিকুমা তুকাজ্জিবান’ আয়াতের কথাও স্মরণ  করেন তিনি; যার অর্থ- তোমরা তার (আল্লাহর) কোন কোন নেয়ামতকে অস্বীকার করবে? 

 

গত ৮ অক্টোবর সানা খান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ পোস্টের মাধ্যমে বিনোদন জগত থেকে বিদায়ের কথা ঘোষণা করেন। 

গ্ল্যামার দুনিয়াকে বিদায় জানিয়ে বাকি জীবন আল্লাহের পথে চলার ও সমাজসেবা করার কথা জানিয়েছিলেন সানা। সেই সঙ্গে সবাইকে কাজের জন্য জোরাজুরি না করতে ও অভিনয়ের প্রস্তাব না দিতে অনুরোধ করেছিলেন।

২০০৫ সালে ‘ইয়ে হ্যায় হাই সোসাইটি’ সিনেমা দিয়ে বলিউডে অভিষেক হয় সানা খানের। এর পর তিনি বলিউডে ‘হাল্লা বোল’, ‘জয় হো’, ‘ওয়াজা তুম হো’ ও ‘টয়লেট : এক প্রেম কথা’র মতো সিনেমা করেন। 

ক্যারিয়ারে হিন্দি, মালয়ালাম, তামিল, কন্নড় ও তেলেগু ভাষার সিনেমায় দেখা গেছে সানা খানকে। এ ছাড়া বিজ্ঞাপন ও রিয়েলিটি শোতে দেখা যায় তাকে। 

পাঁচ ভাষার ৫০টির বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন সানা। ২০১২ সালে জনপ্রিয় ও বিতর্কিত টিভি রিয়েলিটি শো বিগ বসের প্রতিযোগী ছিলেন সানা এবং চূড়ান্ত পর্বে উঠেছিলেন।

এর আগে গত বছরের জুন মাসে সিনেমায় অভিনয় ছেড়ে দেয়ার কথা ঘোষণা করেন কিশোরী বলিউড অভিনেত্রী জাইরা ওয়াসিম। ইসলামকে পুরোপুরিভাবে মানতে অভিনয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন ‘দঙ্গল’খ্যাত এই কাশ্মীরি কন্যা।