যে কারণে ঘর ভাঙল শবনম ফারিয়ার 
jugantor
যে কারণে ঘর ভাঙল শবনম ফারিয়ার 

  বিনোদন ডেস্ক  

২৯ নভেম্বর ২০২০, ১৬:১০:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

যে কারণে ঘর ভাঙল শবনম ফারিয়ার 

বন্ধুত্ব, চুটিয়ে প্রেম, বিয়ে এবং পৌনে দুই বছরের সংসার জীবনের ইতি টানলেন অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া ও হারুন অর রশীদ অপু। অপুকে ২৭ নভেম্বর ডিভোর্স দেন ফারিয়া। দুজনের সম্মতিতেই এ বিচ্ছেদ হয়েছে বলে জানিয়েছেন এ অভিনেত্রী।

অপুর সঙ্গে ফারিয়ার পরিচয় ২০১৫ সাল থেকে। বিয়ে ২০১৯ সালে। মাঝখানের এই সময়টা দুজন দুজনকে চেনাজানার জন্য নেহায়েত কম না। তবু কেন থেমে গেল তাদের পথচলা– এ নিয়ে ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের মনে প্রশ্নের শেষ নেই।

সংসার ভেঙে কেন আলাদা হলো দুজনার পথ? শবনম ফারিয়া নিজেই জানালেন সে কথা।

এ প্রসঙ্গে শবনম ফারিয়া বলেন, এই বিচ্ছেদের পেছনে তেমন কোনো কারণ নেই। একে অপরের প্রতি কোনো অভিযোগও নেই। দুজনই চেয়েছি নিজেদের মতো ভালো থাকতে, তাই আলাদা হওয়া।

তিনি আরও বলেন, আমি আর অপু অনেক দিন ধরেই চেষ্টা করেছি একসঙ্গে থাকতে! কিন্তু বিষয়টি একপর্যায়ে খুব কঠিন হয়ে যায়। চলতি বছরের শুরুতেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি– আমরা আর একসঙ্গে থাকতে চাই না। দুজনারই সমস্যা হচ্ছিল। তাই বৈবাহিক জীবনের অবসান ঘটিয়েছি।

বিয়ের পৌনে দুই বছর পরই বিচ্ছেদের মতো কঠিন সিদ্ধান্ত কেন- এমন প্রশ্নে দুই পরিবারের বোঝাবুঝির ঘাটতিকে কিছুটা দায়ী করেন এ অভিনেত্রী। ‘সমস্যা যতটা না আমাদের দুজনের, তার চেয়ে বেশি আমাদের দুই পরিবারের। আমার বাবা নেই, মাকে নিয়ে আমার পরিবার। তার ওপর আমি বিনোদন অঙ্গনে কাজ করি। আর দশজন মেয়ের বিবাহবিচ্ছেদ আর আমার বিবাহবিচ্ছেদ একেবারে ভিন্ন। অনেকভাবে চেষ্টা করেছি, যাতে সংসারটা টেকে। কিন্তু কোনোভাবেই সেটি আর সম্ভব হয়নি।’

তবে সাবেক স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কে কোনো প্রকার তিক্ততা নেই বলে জানান ফারিয়া। পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে বিচ্ছেদের এই ধকল সামলাতে চেষ্টা করছেন তারা। ‘বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে, কিন্তু ভালোবাসা বা বন্ধুত্বে বিচ্ছেদ হয়নি। যতদিন বেঁচে আছি, আমাদের ভালোবাসা ও বন্ধুত্ব থাকবে।’

এদিকে ‘পারিবারিক কারণে, পারিবারিকভাবে ও পারিবারিক সম্মতিতে’ আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়েবিচ্ছেদে সম্পন্ন হয়েছে বলে শনিবার এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছেন শবনম ফারিয়া ও অপু।

বিয়েবিচ্ছেদ নিয়ে শনিবার সন্ধ্যায় ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন শবনম ফারিয়া। সেটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘মানুষের জীবন নদীর মতো– কখনও জোয়ার, কখনও ভাটা। কখনও বৃষ্টিতে পানি বেড়ে যায়, শীতকালে পানি শুকিয়ে যায়। আমাদের জীবনেও এমনটি হয়েছে!

আমাদের জীবনে কিছু মানুষ আসে; কেউ কেউ স্থায়ী হয়, কেউ কেউ কিছু কারণে স্থায়িত্ব ধরে রাখতে পারে না!

আমার মা সবসময় একটি কথা বলে– আল্লাহর হুকুম ছাড়া একটি গাছের পাতাও নড়ে না, আমরা শুধু চেষ্টা করতে পারি!

ঠিক সেভাবেই আমি আর অপু অনেক দিন ধরেই চেষ্টা করেছি একসঙ্গে থাকতে!

কিন্তু বিষয়টি একটি পর্যায়ে খুব কঠিন হয়ে যায়!

মানুষ কী বলবে ভেবে নিজেদের ওপর একটু বেশিই টর্চার করে ফেলছিলাম আমরা!

জীবনটা অনেক ছোট, এত কষ্ট নিয়ে বেঁচে থাকার কি দরকার? এটা ভেবে আমরা এ বছরের শুরু থেকেই সিদ্ধান্তে আসি– আমরা আর একসঙ্গে কষ্টে থাকতে চাই না!

তাও বছরখানেক সময় নিয়েছি পরস্পরকে বুঝতে! ফাইনালি আল্লাহ যা করেন, ভালোর জন্যেই করেন ভেবে আমরা আমাদের প্রায় আড়াই বছরের বৈবাহিক জীবনের অবসান ঘটিয়ে আবারও ৫ বছরের পুরনো বন্ধুত্বে ফিরে গেছি।

বিবাহবিচ্ছেদ হয়, কিন্তু ভালোবাসার বিচ্ছেদ নেই! বন্ধুত্বের বিচ্ছেদ নেই!

যতদিন বেঁচে আছি আমাদের ভালোবাসা ও বন্ধুত্ব থাকবে!

শুধু বৈবাহিক বন্ধন থেকে আমাদের সম্পর্কের ইতি টেনে নিলাম! এ ঘটনা আমাদের জীবনের গতি হয়তো রোধ করবে, ছন্দপতন করবে কিন্তু জীবন তো থেমে থাকবে না!

অপুর জন্য আমার অনেক অনেক দোয়া ও ভালোবাসা আর শুভকামনা। আমরা যে সুখের জন্য আলাদা হলাম আমরা যেন সে সুখ খুঁজে পাই। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।

দয়া করে মিডিয়ার বিয়ে টেকে না– এ ধরনের কথা বলে আমাদের সহকর্মীদের ছোট করবেন না! আমরা সম্পূর্ণ পারিবারিক কারণে, পারিবারিকভাবে এবং পারিবারিক সম্মতিতেই বিয়ের মতো ইন্সটিটিউশন থেকে বের হয়ে এসেছি!

আমাদের কখনও ভালোবাসা কিংবা বিশ্বাসের অভাব ছিল না; হবেও না!

আর আমার প্রিয় সাংবাদিক ভাইবোনদের উদ্দেশ্যে একটিই অনুরোধ, দয়া করে একটু মানবিকতার সঙ্গে বিষয়টি দেখবেন! প্লিজ!

দুজন মানুষের বিবাহবিচ্ছেদ মানে, দুটি পরিবারের বিচ্ছেদ, অনেক স্মৃতির বিচ্ছেদ! অনেক ভালো সময়ের সঙ্গে বিচ্ছেদ এটি কারও জন্য সুখকর অনুভূতি না! দয়া করে মুখরোচক অদ্ভুত সংবাদ প্রকাশ করে আমাদের আর বিব্রত করবেন না!

আমরা একে অন্যের ওপর সম্পূর্ণ সন্মান বজায় রাখতে চাই!

ধন্যবাদ
অপু-ফারিয়া’

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া ও বেসরকারি চাকরিজীবী হারুন অর রশীদ অপু। এর আগে ২০১৫ সালে ফেসবুকের মাধ্যমে তাদের পরিচয় হয়। এর পর বন্ধুত্ব ও প্রেম। তিন বছর পর ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে আংটিবদল হয় তাদের।

বিয়ের প্রায় দুই বছরের মাথায় সংসার জীবনের ইতি টানলেন শবনম ফারিয়া-অপু। নিজ ইচ্ছায় ২৭ নভেম্বর বিচ্ছেদ পত্রে সই করেন দুজনে।

২০১৫ সালে ফেসবুকে অপুর সঙ্গে ফারিয়ার পরিচয়। কথায় কথায় একসময় গড়ে ওঠে বন্ধুত্ব। সেই বন্ধুত্ব থেকেই বিয়ে করেছিলেন তারা।

২০১৩ সালে ‘অল টাইম দৌড়ের উপরে’ নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে ফারিয়ার ছোটপর্দায় অভিষেক।

বেশ কিছু দর্শকপ্রিয় নাটকে অভিনয়ের পর চলতি বছর অনম বিশ্বাসের পরিচালনায় ‘দেবী’ চলচ্চিত্রেও দেখা গেছে এই অভিনেত্রীকে।

২০১৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া ও বেসরকারি চাকরিজীবী হারুন অর রশীদ। এর আগে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে আংটিবদল হয় তাদের।

যে কারণে ঘর ভাঙল শবনম ফারিয়ার 

 বিনোদন ডেস্ক 
২৯ নভেম্বর ২০২০, ০৪:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
যে কারণে ঘর ভাঙল শবনম ফারিয়ার 
ছবি: সংগৃহীত

বন্ধুত্ব, চুটিয়ে প্রেম, বিয়ে এবং পৌনে দুই বছরের সংসার জীবনের ইতি টানলেন অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া ও হারুন অর রশীদ অপু। অপুকে ২৭ নভেম্বর ডিভোর্স দেন ফারিয়া। দুজনের সম্মতিতেই এ বিচ্ছেদ হয়েছে বলে জানিয়েছেন এ অভিনেত্রী।

অপুর সঙ্গে ফারিয়ার পরিচয় ২০১৫ সাল থেকে। বিয়ে ২০১৯ সালে।  মাঝখানের এই সময়টা দুজন দুজনকে চেনাজানার জন্য নেহায়েত কম না। তবু কেন থেমে গেল তাদের পথচলা– এ নিয়ে ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের মনে প্রশ্নের শেষ নেই। 

সংসার ভেঙে কেন আলাদা হলো দুজনার পথ? শবনম ফারিয়া নিজেই জানালেন সে কথা। 

এ প্রসঙ্গে শবনম ফারিয়া বলেন, এই বিচ্ছেদের পেছনে তেমন কোনো কারণ নেই। একে অপরের প্রতি কোনো অভিযোগও নেই। দুজনই চেয়েছি নিজেদের মতো ভালো থাকতে, তাই আলাদা হওয়া।

তিনি আরও বলেন, আমি আর অপু অনেক দিন ধরেই চেষ্টা করেছি একসঙ্গে থাকতে! কিন্তু বিষয়টি একপর্যায়ে খুব কঠিন হয়ে যায়। চলতি বছরের শুরুতেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি– আমরা আর একসঙ্গে থাকতে চাই না। দুজনারই সমস্যা হচ্ছিল। তাই বৈবাহিক জীবনের অবসান ঘটিয়েছি।

বিয়ের পৌনে দুই বছর পরই বিচ্ছেদের মতো কঠিন সিদ্ধান্ত কেন- এমন প্রশ্নে দুই পরিবারের বোঝাবুঝির ঘাটতিকে কিছুটা দায়ী করেন এ অভিনেত্রী। ‘সমস্যা যতটা না আমাদের দুজনের, তার চেয়ে বেশি আমাদের দুই পরিবারের। আমার বাবা নেই, মাকে নিয়ে আমার পরিবার। তার ওপর আমি বিনোদন অঙ্গনে কাজ করি। আর দশজন মেয়ের বিবাহবিচ্ছেদ আর আমার বিবাহবিচ্ছেদ একেবারে ভিন্ন। অনেকভাবে চেষ্টা করেছি, যাতে সংসারটা টেকে। কিন্তু কোনোভাবেই সেটি আর সম্ভব হয়নি।’

তবে সাবেক স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কে কোনো প্রকার তিক্ততা নেই বলে জানান ফারিয়া। পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে বিচ্ছেদের এই ধকল সামলাতে চেষ্টা করছেন তারা। ‘বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে, কিন্তু ভালোবাসা বা বন্ধুত্বে বিচ্ছেদ হয়নি। যতদিন বেঁচে আছি, আমাদের ভালোবাসা ও বন্ধুত্ব থাকবে।’ 

এদিকে ‘পারিবারিক কারণে, পারিবারিকভাবে ও পারিবারিক সম্মতিতে’ আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়েবিচ্ছেদে সম্পন্ন হয়েছে বলে শনিবার এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছেন শবনম ফারিয়া ও অপু।

বিয়েবিচ্ছেদ নিয়ে শনিবার সন্ধ্যায় ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন শবনম ফারিয়া। সেটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘মানুষের জীবন নদীর মতো– কখনও জোয়ার, কখনও ভাটা। কখনও বৃষ্টিতে পানি বেড়ে যায়, শীতকালে পানি শুকিয়ে যায়। আমাদের জীবনেও এমনটি হয়েছে!

আমাদের জীবনে কিছু মানুষ আসে; কেউ কেউ স্থায়ী হয়, কেউ কেউ কিছু কারণে স্থায়িত্ব ধরে রাখতে পারে না!

আমার মা সবসময় একটি কথা বলে– আল্লাহর হুকুম ছাড়া একটি গাছের পাতাও নড়ে না, আমরা শুধু চেষ্টা করতে পারি!

ঠিক সেভাবেই আমি আর অপু অনেক দিন ধরেই চেষ্টা করেছি একসঙ্গে থাকতে!

কিন্তু বিষয়টি একটি পর্যায়ে খুব কঠিন হয়ে যায়!

মানুষ কী বলবে ভেবে নিজেদের ওপর একটু বেশিই টর্চার করে ফেলছিলাম আমরা!

জীবনটা অনেক ছোট, এত কষ্ট নিয়ে বেঁচে থাকার কি দরকার? এটা ভেবে আমরা এ বছরের শুরু থেকেই সিদ্ধান্তে আসি– আমরা আর একসঙ্গে কষ্টে থাকতে চাই না!

তাও বছরখানেক সময় নিয়েছি পরস্পরকে বুঝতে! ফাইনালি আল্লাহ যা করেন, ভালোর জন্যেই করেন ভেবে আমরা আমাদের প্রায় আড়াই বছরের বৈবাহিক জীবনের অবসান ঘটিয়ে আবারও ৫ বছরের পুরনো বন্ধুত্বে ফিরে গেছি।

বিবাহবিচ্ছেদ হয়, কিন্তু ভালোবাসার বিচ্ছেদ নেই! বন্ধুত্বের বিচ্ছেদ নেই!

যতদিন বেঁচে আছি আমাদের ভালোবাসা ও বন্ধুত্ব থাকবে!

শুধু বৈবাহিক বন্ধন থেকে আমাদের সম্পর্কের ইতি টেনে নিলাম! এ ঘটনা আমাদের জীবনের গতি হয়তো রোধ করবে, ছন্দপতন করবে কিন্তু জীবন তো থেমে থাকবে না!

অপুর জন্য আমার অনেক অনেক দোয়া ও ভালোবাসা আর শুভকামনা। আমরা যে সুখের জন্য আলাদা হলাম আমরা যেন সে সুখ খুঁজে পাই। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।

দয়া করে মিডিয়ার বিয়ে টেকে না– এ ধরনের কথা বলে আমাদের সহকর্মীদের ছোট করবেন না! আমরা সম্পূর্ণ পারিবারিক কারণে, পারিবারিকভাবে এবং পারিবারিক সম্মতিতেই বিয়ের মতো ইন্সটিটিউশন থেকে বের হয়ে এসেছি!

আমাদের কখনও ভালোবাসা কিংবা বিশ্বাসের অভাব ছিল না; হবেও না!

আর আমার প্রিয় সাংবাদিক ভাইবোনদের উদ্দেশ্যে একটিই অনুরোধ, দয়া করে একটু মানবিকতার সঙ্গে বিষয়টি দেখবেন! প্লিজ!

দুজন মানুষের বিবাহবিচ্ছেদ মানে, দুটি পরিবারের বিচ্ছেদ, অনেক স্মৃতির বিচ্ছেদ! অনেক ভালো সময়ের সঙ্গে বিচ্ছেদ এটি কারও জন্য সুখকর অনুভূতি না! দয়া করে মুখরোচক অদ্ভুত সংবাদ প্রকাশ করে আমাদের আর বিব্রত করবেন না!

আমরা একে অন্যের ওপর সম্পূর্ণ সন্মান বজায় রাখতে চাই!

ধন্যবাদ
অপু-ফারিয়া’

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া ও বেসরকারি চাকরিজীবী হারুন অর রশীদ অপু। এর আগে ২০১৫ সালে ফেসবুকের মাধ্যমে তাদের পরিচয় হয়। এর পর বন্ধুত্ব ও প্রেম। তিন বছর পর ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে আংটিবদল হয় তাদের।

বিয়ের প্রায় দুই বছরের মাথায় সংসার জীবনের ইতি টানলেন শবনম ফারিয়া-অপু। নিজ ইচ্ছায় ২৭ নভেম্বর বিচ্ছেদ পত্রে সই করেন দুজনে।

২০১৫ সালে ফেসবুকে অপুর সঙ্গে ফারিয়ার পরিচয়। কথায় কথায় একসময় গড়ে ওঠে বন্ধুত্ব। সেই বন্ধুত্ব থেকেই বিয়ে করেছিলেন তারা।

২০১৩ সালে ‘অল টাইম দৌড়ের উপরে’ নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে ফারিয়ার ছোটপর্দায় অভিষেক।

বেশ কিছু দর্শকপ্রিয় নাটকে অভিনয়ের পর চলতি বছর অনম বিশ্বাসের পরিচালনায় ‘দেবী’ চলচ্চিত্রেও দেখা গেছে এই অভিনেত্রীকে।

২০১৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া ও বেসরকারি চাকরিজীবী হারুন অর রশীদ। এর আগে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে আংটিবদল হয় তাদের।