নোয়াখালীর ভাষা নিয়ে যা বললেন কাবিলা খ্যাত পলাশ
jugantor
নোয়াখালীর ভাষা নিয়ে যা বললেন কাবিলা খ্যাত পলাশ

  বিনোদন ডেস্ক  

০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২০:০৪:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

জিয়াউল হক পলাশ

ব্যাচেলর পয়েন্ট ধারাবাহিক নাটকের মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়া জিয়াউল হক পলাশ কাবিলা নামেই বেশি পরিচিত। ওই নাটকের কয়েকটি পর্ব নোয়াখালীতে দৃশ্য ধারণ করা হয়। সেখানে বজরা বাজারে জাকিরা নামে একজন কাবিলার প্রেমিকা রোকেয়াকে ডিস্টার্ব করে। নাটকটিতে কাবিলা চরিত্রটি অনেক জনপ্রিয়।

নাটকটিতে অভিনয় করা পলাশ একটি গণমাধ্যমে সাক্ষাতকারে জানিয়েছেন, তিনি ক্রিকেটার হতে চেয়েছিলেন। স্কুল-কলেজে ক্রিকেটার হওয়ার দৌড়ে ছিলেন। সেখান থেকে ছিটকে গিয়েছেন। কিন্তু প্রকৃতি সেটা পুষিয়ে দিয়েছে অন্যভাবে।

পলাশ বলেন, আমার আজকের যে জনপ্রিয়তা- তা তো হওয়ার কথা ছিল না। হুট করেই হয়েছে। এ জন্য আমি সৃষ্টিকর্তার কাছে দারুণভাবে কৃতজ্ঞ। তাই বলে আমার মধ্যে বিন্দুমাত্র অহংকারবোধ তৈরি হবে- এটা আমি চাই না।

রাজধানীতে বড় হয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, আমি ছোটবেলা থেকে ঢাকার নাখালপাড়ায় বড় হয়েছি। এই পাড়ায় এখনো আছি। এখানের মানুষজন জানে আমার কোনো পরিবর্তন হয়েছে কি না; এখনো স্বাভাবিকভাবেই চলাফেরা করি, কারণ কেউ যদি আমার সঙ্গে ৩০০ সেলফিও তুলতে আসে, আমি 'প্যারা' বোধ করি না।

নোয়াখালীর মানুষকে হেয় করে ব্যাচেলর পয়েন্টে তুলে ধরা হচ্ছে নেটিজেনদের পক্ষ থেকে এমন প্রশ্নের জবাবে পলাশ বলেন, এখানে তো বরিশালের শুভও রয়েছে, কাশিমপুরের পাশা ভাই রয়েছে, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন চরিত্র আসছে, চলে যাচ্ছে- তাহলে কি সবাই নিজ নিজ জেলার বদনাম করছে? আদতে তা নয়, এটা নিছক বিনোদন। এটাকে অন্যভাবে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ভালোমন্দ মিলিয়ে আমাদের সমাজ, আমাদের দেশ।

নোয়াখালীর ভাষা নিয়ে যা বললেন কাবিলা খ্যাত পলাশ

 বিনোদন ডেস্ক 
০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৮:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
জিয়াউল হক পলাশ
জিয়াউল হক পলাশ। ছবি: সংগৃহীত

ব্যাচেলর পয়েন্ট ধারাবাহিক নাটকের মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়া জিয়াউল হক পলাশ কাবিলা নামেই বেশি পরিচিত। ওই নাটকের কয়েকটি পর্ব নোয়াখালীতে দৃশ্য ধারণ করা হয়। সেখানে বজরা বাজারে জাকিরা নামে একজন কাবিলার প্রেমিকা রোকেয়াকে ডিস্টার্ব করে। নাটকটিতে কাবিলা চরিত্রটি অনেক জনপ্রিয়।

নাটকটিতে অভিনয় করা পলাশ একটি গণমাধ্যমে সাক্ষাতকারে জানিয়েছেন, তিনি ক্রিকেটার হতে চেয়েছিলেন। স্কুল-কলেজে ক্রিকেটার হওয়ার দৌড়ে ছিলেন। সেখান থেকে ছিটকে গিয়েছেন। কিন্তু প্রকৃতি সেটা পুষিয়ে দিয়েছে অন্যভাবে।

পলাশ বলেন, আমার আজকের যে জনপ্রিয়তা- তা তো হওয়ার কথা ছিল না। হুট করেই হয়েছে। এ জন্য আমি সৃষ্টিকর্তার কাছে দারুণভাবে কৃতজ্ঞ। তাই বলে আমার মধ্যে বিন্দুমাত্র অহংকারবোধ তৈরি হবে- এটা আমি চাই না। 

রাজধানীতে বড় হয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, আমি ছোটবেলা থেকে ঢাকার নাখালপাড়ায় বড় হয়েছি। এই পাড়ায় এখনো আছি। এখানের মানুষজন জানে আমার কোনো পরিবর্তন হয়েছে কি না;  এখনো স্বাভাবিকভাবেই চলাফেরা করি, কারণ কেউ যদি আমার সঙ্গে ৩০০ সেলফিও তুলতে আসে, আমি 'প্যারা' বোধ করি না।

নোয়াখালীর মানুষকে হেয় করে ব্যাচেলর পয়েন্টে তুলে ধরা হচ্ছে নেটিজেনদের পক্ষ থেকে এমন প্রশ্নের জবাবে পলাশ বলেন, এখানে তো বরিশালের শুভও রয়েছে, কাশিমপুরের পাশা ভাই রয়েছে, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন চরিত্র আসছে, চলে যাচ্ছে- তাহলে কি সবাই নিজ নিজ জেলার বদনাম করছে? আদতে তা নয়, এটা নিছক বিনোদন। এটাকে অন্যভাবে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ভালোমন্দ মিলিয়ে আমাদের সমাজ, আমাদের দেশ।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন