নির্বাচনের সময়ও মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন নুসরাত!
jugantor
নির্বাচনের সময়ও মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন নুসরাত!

  বিনোদন ডেস্ক  

১১ জুন ২০২১, ১৬:১৩:০৬  |  অনলাইন সংস্করণ

২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে লড়ার সময় নিয়ম মেনে নির্বাচন কমিশনের কাছে হলফনামা জমা দিয়েছিলেন আলোচিত টালিউড নায়িকা নুসরাত জাহান। সেই হলফনামায় লেখা নুসরাতের শিক্ষাগত যোগ্যতার সঙ্গে লোকসভার ওয়েবসাইটে লেখা তথ্যের কোনো মিল নেই। খবর জিনিউজের।

নুসরাতের জমা দেওয়া হলফনামায় বলা হয়েছে, তার শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চ মাধ্যমিক পাশ। ২০০৮ সালে ভবানীপুর গুজরাটি এডুকেশনাল সোসাইটি থেকে তিনি উচ্চ মাধ্যমিক পাশ পাশ করেছেন। অথচ, লোকসভার ওয়েবসাইটের তথ্য বলছে অন্যকথা। সেখানে রয়েছে, নুসরত বি কম অনার্স। ইতোমধ্যেই দুই জায়গায় দেওয়া তৃণমূলের এই সংসদ সদস্যের দুরকম তথ্য ঘিরে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

নুসরতের দেওয়া বিবৃতি ও লোকসভা ওয়েবসাইটের তথ্যে গরমিল নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বুধবার এক বিবৃতিতে নুসরাত বলেন, ‘নিখিলের সঙ্গে লিভ টুগেদার করেছি। বিয়ে হয়নি। তুরস্কের বিয়ে বৈধ নয়। তাই তার সঙ্গে বিচ্ছেদের প্রশ্নই ওঠে না।'

অথচ লোকসভার ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্যানুযায়ী, সেখানে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, নুসরাত বিবাহিত। তার স্বামীর নাম নিখিল জৈন। বিয়ের তারিখ ১৯ জুন ২০১৯। এমনকি লোকসভায় শপথ নেওয়ার দিনও নুসরাত নিজের নাম বলেছিলেন, 'আমি নুসরত জাহান রুহি জৈন'।

যা ভারতের লোকসভা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়। আর এই বিষয়টি সামনে আসার পর নেটদুনিয়ায় অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, তবে কি নুসরাত সংসদে দাঁড়িয়ে মিথ্যা বলেছিলেন?

এদিকে নুসরাতের স্বামী নিখিল বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, নুসরাত তার সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। নুসরাতের সঙ্গে তার বিয়ে আছে, আদালত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে।

নির্বাচনের সময়ও মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন নুসরাত!

 বিনোদন ডেস্ক 
১১ জুন ২০২১, ০৪:১৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে লড়ার সময় নিয়ম মেনে নির্বাচন কমিশনের কাছে হলফনামা জমা দিয়েছিলেন আলোচিত টালিউড নায়িকা নুসরাত জাহান।  সেই হলফনামায় লেখা নুসরাতের শিক্ষাগত যোগ্যতার সঙ্গে লোকসভার ওয়েবসাইটে লেখা তথ্যের কোনো মিল নেই।  খবর জিনিউজের।

নুসরাতের জমা দেওয়া হলফনামায় বলা হয়েছে, তার শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চ মাধ্যমিক পাশ।  ২০০৮ সালে ভবানীপুর গুজরাটি এডুকেশনাল সোসাইটি থেকে তিনি উচ্চ মাধ্যমিক পাশ পাশ করেছেন।  অথচ, লোকসভার ওয়েবসাইটের তথ্য বলছে অন্যকথা।  সেখানে রয়েছে, নুসরত বি কম অনার্স।  ইতোমধ্যেই দুই জায়গায় দেওয়া তৃণমূলের এই সংসদ সদস্যের দুরকম তথ্য ঘিরে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

নুসরতের দেওয়া বিবৃতি ও লোকসভা ওয়েবসাইটের তথ্যে গরমিল নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।  বুধবার এক বিবৃতিতে নুসরাত বলেন, ‘নিখিলের সঙ্গে লিভ টুগেদার করেছি।  বিয়ে হয়নি।  তুরস্কের বিয়ে বৈধ নয়।  তাই তার সঙ্গে বিচ্ছেদের প্রশ্নই ওঠে না।' 

অথচ লোকসভার ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্যানুযায়ী, সেখানে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, নুসরাত বিবাহিত।  তার স্বামীর নাম নিখিল জৈন।  বিয়ের তারিখ ১৯ জুন ২০১৯। এমনকি লোকসভায় শপথ নেওয়ার দিনও নুসরাত নিজের নাম বলেছিলেন, 'আমি নুসরত জাহান রুহি জৈন'।  

যা ভারতের লোকসভা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।  আর এই বিষয়টি সামনে আসার পর নেটদুনিয়ায় অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, তবে কি নুসরাত সংসদে দাঁড়িয়ে মিথ্যা বলেছিলেন?

এদিকে নুসরাতের স্বামী নিখিল বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, নুসরাত তার সঙ্গে প্রতারণা করেছেন।  নুসরাতের সঙ্গে তার বিয়ে আছে, আদালত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন