‘নীতিগতভাবে আমি শিল্পচর্চার চূড়ান্ত স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি’
jugantor
যুগান্তরের সাথে সাক্ষাৎকারে নির্মাতা ফারুকী
‘নীতিগতভাবে আমি শিল্পচর্চার চূড়ান্ত স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি’

  বিনোদন ডেস্ক  

০৭ জুলাই ২০২১, ০১:১৮:৩৯  |  অনলাইন সংস্করণ

নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ওয়েব সিরিজ নিয়ে হাজির হচ্ছেন দর্শকের সামনে। জিফাইভ গ্লোবালের সঙ্গে মিলে তিনি নির্মাণ করেছেন ওয়েব সিরিজ ‘লেডিস অ্যান্ড জেন্টলমেন’। মুক্তি পাবে ৯ জুলাই।

এই ওয়েব সিরিজের গল্প, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম এবং নিজের ভাবনা নিয়ে যুগান্তরের মুখোমুখি হয়েছিলেনে এই নির্মাতা। কথা বলেছেন — যুগান্তরের বিশেষ সংবাদদাতা মুজিব মাসুদ।

যুগান্তর: ওয়েব সিরিজ লেডিস অ্যান্ড জেন্টলমেন’র মাধ্যমে আপনি দর্শকদের কী বার্তা দেবেন?

ফারুকী: এই মুহূর্তে ওয়েব সিরিজটির গল্প বা এর মাধ্যমে কী বার্তা দেয়া হবে তা বলব না। দর্শকেরা লেডিস অ্যান্ড জেন্টলমেন দেখে নিজেদের মতো বার্তা নেবেন।

যুগান্তর: ট্রেইলার দেখে মনে হতে পারে আপনি কোন নারীবাদী চরিত্রকে সামনে এনে ওয়েব সিরিজটি বানিয়েছেন। গল্পটা আসলে কি নিয়ে?

ফারুকী: আমি আসলে এমন গল্প নিয়ে কাজ করেছি যেখানে মানুষের জীবন উঠে এসেছে। একজন নারী এবং তার জীবনের কিছু ঘটনাবলী নিয়েই লেডিস অ্যান্ড জেন্টলমেন আবর্তিত হয়েছে।

যুগান্তর: আপনার চলচ্চিত্র শনিবার বিকেল-এর সেন্সর বোর্ড থেকে ছাড়পত্র পাওয়া নিয়ে খানিকটা ঝামেলা হচ্ছে বলে শোনা যাচ্ছে। এ ছাড়া প্রতিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাওয়া চলচ্চিত্র বা ওয়েব সিরিজের ক্ষেত্রেও সেন্সর আরোপের কথা চলছে, এই বিষয়ে আপনার অবস্থান কী?

ফারুকী: সেন্সর আরোপ করলে দেখা যাক তখন আমরা কথা বলবো। তবে আমি নীতিগতভাবে শিল্পচর্চার চূড়ান্ত স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি। আমি মনে করি শিল্পী তার দায়িত্ববোধের ব্যাপারে সচেতন থাকবেন।

যুগান্তর: দেশে ওটিটি প্ল্যাটফর্মের প্রসার ঘটছে। দেশীয় প্ল্যাটফর্ম-এর পাশাপাশি বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মগুলো দেশে কাজ শুরু করছে। জিফাইভ, হইচই- এর মত বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম দেশে তাদের প্রডাকশন শুরু করেছে। এ প্রক্রিয়া সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী?

ফারুকী: আমরা অবশ্যই এই প্রক্রিয়াকে স্বাগত জানাই। যত বেশি বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম দেশে তাদের প্রডাকশন শুরু করবে বাংলাদেশি মৌলিক গল্প নিয়ে আমাদের দেশীয় শিল্পের জন্য তা মঙ্গলজনক হবে। আমরা এমনটাই চাই। বাংলাদেশে বৈশ্বিক ওটিটি প্ল্যাটফর্মের সম্পৃক্ততা দর্শক এবং শিল্পীদের জন্য ভালো কিছু আনবে।

যুগান্তর: দর্শকদের মাঝে পরিবর্তন আসছে। বড় পর্দায় চলচ্চিত্র উপভোগ ছেড়ে অনেকেই এখন ওটিটি প্ল্যাটফর্মের দিকে ঝুঁকছেন। দর্শকদের রুচির এই পরিবর্তনকে আপনি কীভাবে দেখছেন?

ফারুকী: একটা পরিবর্তনতো দৃশ্যমান। মানুষ এখন ঘরে বসেই চলচ্চিত্র ও ওয়েব সিরিজ উপভোগ করছেন। এখন নির্মাতা হিসেবে আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হচ্ছে এই নতুন প্ল্যাটফর্মে সেরা চলচ্চিত্র এবং ওয়েব সিরিজ নির্মাণ করা। আমাদের সময়ের দলিলটাকে এখানে তুলে ধরতে হবে, এটাই হচ্ছে এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ।

যুগান্তরের সাথে সাক্ষাৎকারে নির্মাতা ফারুকী

‘নীতিগতভাবে আমি শিল্পচর্চার চূড়ান্ত স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি’

 বিনোদন ডেস্ক 
০৭ জুলাই ২০২১, ০১:১৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ওয়েব সিরিজ নিয়ে হাজির হচ্ছেন দর্শকের সামনে। জিফাইভ গ্লোবালের সঙ্গে মিলে তিনি নির্মাণ করেছেন ওয়েব সিরিজ ‘লেডিস অ্যান্ড জেন্টলমেন’। মুক্তি পাবে ৯ জুলাই।

এই ওয়েব সিরিজের গল্প, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম এবং নিজের ভাবনা নিয়ে যুগান্তরের মুখোমুখি হয়েছিলেনে এই নির্মাতা। কথা বলেছেন — যুগান্তরের বিশেষ সংবাদদাতা মুজিব মাসুদ।
 
যুগান্তর: ওয়েব সিরিজ লেডিস অ্যান্ড জেন্টলমেন’র মাধ্যমে আপনি দর্শকদের কী বার্তা দেবেন?

ফারুকী: এই মুহূর্তে ওয়েব সিরিজটির গল্প বা এর মাধ্যমে কী বার্তা দেয়া হবে তা বলব না। দর্শকেরা লেডিস অ্যান্ড জেন্টলমেন দেখে নিজেদের মতো বার্তা নেবেন।

যুগান্তর: ট্রেইলার দেখে মনে হতে পারে আপনি কোন নারীবাদী চরিত্রকে সামনে এনে ওয়েব সিরিজটি বানিয়েছেন। গল্পটা আসলে কি নিয়ে?

ফারুকী: আমি আসলে এমন গল্প নিয়ে কাজ করেছি যেখানে মানুষের জীবন উঠে এসেছে। একজন নারী এবং তার জীবনের কিছু ঘটনাবলী নিয়েই লেডিস অ্যান্ড জেন্টলমেন আবর্তিত হয়েছে।

যুগান্তর: আপনার চলচ্চিত্র শনিবার বিকেল-এর সেন্সর বোর্ড থেকে ছাড়পত্র পাওয়া নিয়ে খানিকটা ঝামেলা হচ্ছে বলে শোনা যাচ্ছে। এ ছাড়া প্রতিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাওয়া চলচ্চিত্র বা ওয়েব সিরিজের ক্ষেত্রেও সেন্সর আরোপের কথা চলছে, এই বিষয়ে আপনার অবস্থান কী?

ফারুকী: সেন্সর আরোপ করলে দেখা যাক তখন আমরা কথা বলবো। তবে আমি নীতিগতভাবে শিল্পচর্চার চূড়ান্ত স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি। আমি মনে করি শিল্পী তার দায়িত্ববোধের ব্যাপারে সচেতন থাকবেন।

যুগান্তর: দেশে ওটিটি প্ল্যাটফর্মের প্রসার ঘটছে। দেশীয় প্ল্যাটফর্ম-এর পাশাপাশি বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মগুলো দেশে কাজ শুরু করছে। জিফাইভ, হইচই- এর মত বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম দেশে তাদের প্রডাকশন শুরু করেছে। এ প্রক্রিয়া সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী?

ফারুকী: আমরা অবশ্যই এই প্রক্রিয়াকে স্বাগত জানাই। যত বেশি বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম দেশে তাদের প্রডাকশন শুরু করবে বাংলাদেশি মৌলিক গল্প নিয়ে আমাদের দেশীয় শিল্পের জন্য তা মঙ্গলজনক হবে। আমরা এমনটাই চাই। বাংলাদেশে বৈশ্বিক ওটিটি প্ল্যাটফর্মের সম্পৃক্ততা দর্শক এবং শিল্পীদের জন্য ভালো কিছু আনবে।

যুগান্তর: দর্শকদের মাঝে পরিবর্তন আসছে। বড় পর্দায় চলচ্চিত্র উপভোগ ছেড়ে অনেকেই এখন ওটিটি প্ল্যাটফর্মের দিকে ঝুঁকছেন। দর্শকদের রুচির এই পরিবর্তনকে আপনি কীভাবে দেখছেন?

ফারুকী: একটা পরিবর্তনতো দৃশ্যমান। মানুষ এখন ঘরে বসেই চলচ্চিত্র ও ওয়েব সিরিজ উপভোগ করছেন। এখন নির্মাতা হিসেবে আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হচ্ছে এই নতুন প্ল্যাটফর্মে সেরা চলচ্চিত্র এবং ওয়েব সিরিজ নির্মাণ করা। আমাদের সময়ের দলিলটাকে এখানে তুলে ধরতে হবে, এটাই হচ্ছে এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন