মাহফুজুল আলমের কণ্ঠে জনপ্রিয় যত নাশিদ
jugantor
নাশিদ শিল্পী মাহফুজুল আলম
মাহফুজুল আলমের কণ্ঠে জনপ্রিয় যত নাশিদ

  বিনোদন ডেস্ক  

১২ জুলাই ২০২১, ২০:২৬:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

নাশিদ শিল্পী মাহফুজুল আলম

নাশিদ শিল্পী মাহফুজুল আলমের জন্মস্থান নরসিংদী। ছোটবেলা থেকে ইসলামী সঙ্গীত গেয়ে জনপ্রিয় এ শিল্পী ২০১০ থেকে কলরবের শিল্পী হয়ে নিয়মিত গাইছেন দেশজুড়েই।

এ পর্যন্ত ২০টিরও বেশি একক নাশিদ এবং ৩০টিরও বেশি কোরাস নাশিদ রয়েছে তার। মাহফুজুল আলম বর্তমানে পড়াশোনার পাশাপাশি কলরবের সিনিয়র শিল্পী এবং নাশিদ কম্পোজার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন সফলভাবে।

২০১০ সালে কলরবে কাজ শুরু করে ‘মায়ের কথা’, ‘তোমার বন্ধু উপর তলায় বাসা’, ‘শয়নে স্বপনে মা’সহ বেশ কয়েকটি নাশিদ রিলিজ করেন সেই সময়ের এই শিশুশিল্পী। যেগুলো ইসলামী সঙ্গীতপ্রেমীদের মনে এখনো গেঁথে আছে।

বড় হয়ে ‘ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মাদ’, ‘হৃদয় মাঝে মালা গাঁথি’, ‘আমি চাই না বাঁচতে’, ‘নবী মোর পরশমণি’, নাতে রাসুল, প্রিয় বাবাসহ অসংখ্য নাশিদ গেয়ে নিজের সংগীত ক্যারিয়ার উজ্জ্বল করেছেন মাহফুজুল আলম।

বর্তমানে তিনি কলরবের পাশাপাশি হলিটিউন স্টুডিওর সাউন্ড ডিজাইনারের দায়িত্ব পালন করছেন। ইউটিউবে শিল্পীর ব্যক্তিগত চ্যানেল রয়েছে যেটিতে ১ লাখ ৬০ হাজারের মানুষ যুক্ত রয়েছেন। চ্যানেলটিতে নিয়মিত নাশিদ রিলিজ করেন।

ছোটবেলা থেকেই সরাসরি মঞ্চে গান গেয়ে আসছেন মাহফুজুল আলম, এক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী কোনো স্মৃতি বা মনে রাখার মতো কোনো ঘটনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি খুব ছোট থেকেই ইসলামী সঙ্গীত গেয়ে আসছি। এরকম অনেক স্মৃতি আছে যা এখনো স্পষ্ট মনে আছে। যেমন একবার এক অনুষ্ঠানে আমার নাম ডাকা হলো আমি স্টেজে গেলাম এবং ডেস্কের পেছনে দাঁড়িয়ে গান গাচ্ছিলাম, মাঝখানে দর্শকরা দেখিনা বলে চিৎকার করা শুরু করল। তখন গান থামিয়ে আমাকে একটা চেয়ারের ওপর দাঁড় করানো হলো, এরপর আবার প্রথম থেকে গাইতে হয়েছিল।

ইসলামী সঙ্গীতের এখন ব্যাপক প্রসার ঘটেছে- এক্ষেত্রে কেউ যদি এটিকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করতে চায় তাহলে কি পারা যাবে? না মূল কাজের পাশাপাশি সঙ্গীত চর্চা করতে হবে- মাহফুজুল আলমের কাছে এ প্রশ্নটি করেছিলাম।

তার মতে, বাংলাদেশে আইনুদ্দীন আল আজাদের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে ইসলামী সঙ্গীতের ব্যাপক প্রচার-প্রসার এবং বিপ্লব ঘটে। ইসলামী সঙ্গীতকে এগিয়ে নিয়ে একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া এবং কর্মসংস্হান তৈরি করার জন্য তিনি সবসময় চেষ্টা করেছিলেন। সে ধারাবাহিকতায় তার প্রতিষ্ঠিত সংঘঠন কলরব সফলতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে এবং কলরবের অনেকেই বর্তমানে ইসলামী সঙ্গীতকে প্রফেশন হিসেবে নিয়েছে, যদিও আগে তেমন কেউ এর সাহস করত না।

মাহফুজুল আলম বলেন, আগে ইসলামী সঙ্গীতের এমন বিশাল ইন্ডাস্ট্রি ছিল না, তাই শিল্পীরা মূল পেশার পাশাপাশি ইসলামী সঙ্গীত করত। তবে শিল্পীর গায়কির পাশাপাশি ইসলামী সঙ্গীতের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য টেকনিক্যাল অভিজ্ঞতা থাকাটা আরও নিয়ামক হিসেবে কাজ করবে।


নাশিদ শিল্পী মাহফুজুল আলম

মাহফুজুল আলমের কণ্ঠে জনপ্রিয় যত নাশিদ

 বিনোদন ডেস্ক 
১২ জুলাই ২০২১, ০৮:২৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
নাশিদ শিল্পী মাহফুজুল আলম
নাশিদ শিল্পী মাহফুজুল আলম। ছবি: সংগৃহীত

নাশিদ শিল্পী মাহফুজুল আলমের জন্মস্থান নরসিংদী। ছোটবেলা থেকে ইসলামী সঙ্গীত গেয়ে জনপ্রিয় এ শিল্পী ২০১০ থেকে কলরবের শিল্পী হয়ে নিয়মিত গাইছেন দেশজুড়েই।

এ পর্যন্ত ২০টিরও বেশি একক নাশিদ এবং ৩০টিরও বেশি কোরাস নাশিদ রয়েছে তার। মাহফুজুল আলম বর্তমানে পড়াশোনার পাশাপাশি কলরবের সিনিয়র শিল্পী এবং নাশিদ কম্পোজার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন সফলভাবে।

২০১০ সালে কলরবে কাজ শুরু করে ‘মায়ের কথা’, ‘তোমার বন্ধু উপর তলায় বাসা’, ‘শয়নে স্বপনে মা’সহ বেশ কয়েকটি নাশিদ রিলিজ করেন সেই সময়ের এই শিশুশিল্পী। যেগুলো ইসলামী সঙ্গীতপ্রেমীদের মনে এখনো গেঁথে আছে।

বড় হয়ে ‘ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মাদ’, ‘হৃদয় মাঝে মালা গাঁথি’, ‘আমি চাই না বাঁচতে’, ‘নবী মোর পরশমণি’, নাতে রাসুল, প্রিয় বাবাসহ অসংখ্য নাশিদ গেয়ে নিজের সংগীত ক্যারিয়ার উজ্জ্বল করেছেন মাহফুজুল আলম।

বর্তমানে তিনি কলরবের পাশাপাশি হলিটিউন স্টুডিওর সাউন্ড ডিজাইনারের দায়িত্ব পালন করছেন। ইউটিউবে শিল্পীর ব্যক্তিগত চ্যানেল রয়েছে যেটিতে ১ লাখ ৬০ হাজারের মানুষ যুক্ত রয়েছেন। চ্যানেলটিতে নিয়মিত নাশিদ রিলিজ করেন।

ছোটবেলা থেকেই সরাসরি মঞ্চে গান গেয়ে আসছেন মাহফুজুল আলম, এক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী কোনো স্মৃতি বা মনে রাখার মতো কোনো ঘটনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি খুব ছোট থেকেই ইসলামী সঙ্গীত গেয়ে আসছি। এরকম অনেক স্মৃতি আছে যা এখনো স্পষ্ট মনে আছে। যেমন একবার এক অনুষ্ঠানে আমার নাম ডাকা হলো আমি স্টেজে গেলাম এবং ডেস্কের পেছনে দাঁড়িয়ে গান গাচ্ছিলাম, মাঝখানে দর্শকরা দেখিনা বলে চিৎকার করা শুরু করল। তখন গান থামিয়ে আমাকে একটা চেয়ারের ওপর দাঁড় করানো হলো, এরপর আবার প্রথম থেকে গাইতে হয়েছিল।

ইসলামী সঙ্গীতের এখন ব্যাপক প্রসার ঘটেছে- এক্ষেত্রে কেউ যদি এটিকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করতে চায় তাহলে কি পারা যাবে? না মূল কাজের পাশাপাশি সঙ্গীত চর্চা করতে হবে- মাহফুজুল আলমের কাছে এ প্রশ্নটি করেছিলাম।

তার মতে, বাংলাদেশে আইনুদ্দীন আল আজাদের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে ইসলামী সঙ্গীতের ব্যাপক প্রচার-প্রসার এবং বিপ্লব ঘটে। ইসলামী সঙ্গীতকে এগিয়ে নিয়ে একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া এবং কর্মসংস্হান তৈরি করার জন্য তিনি সবসময় চেষ্টা করেছিলেন। সে ধারাবাহিকতায় তার প্রতিষ্ঠিত সংঘঠন কলরব সফলতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে এবং কলরবের অনেকেই বর্তমানে ইসলামী সঙ্গীতকে প্রফেশন হিসেবে নিয়েছে, যদিও আগে তেমন কেউ এর সাহস করত না। 

মাহফুজুল আলম বলেন, আগে ইসলামী সঙ্গীতের এমন বিশাল ইন্ডাস্ট্রি ছিল না, তাই শিল্পীরা মূল পেশার পাশাপাশি ইসলামী সঙ্গীত করত। তবে শিল্পীর গায়কির পাশাপাশি ইসলামী সঙ্গীতের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য টেকনিক্যাল অভিজ্ঞতা থাকাটা আরও নিয়ামক হিসেবে কাজ করবে।


 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন