ভাই তুষার কাপুরকে পুলিশে দিতে চেয়েছিলেন একতা!
jugantor
ভাই তুষার কাপুরকে পুলিশে দিতে চেয়েছিলেন একতা!

  বিনোদন ডেস্ক  

০১ আগস্ট ২০২১, ১৩:১৯:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

বলিউডের চিরতরুণ বলা হয় অভিনেতা জিতেন্দ্রকে। একসময় জিতেন্দ্র মানেই সিনেমা হিট।

তবে তার ছেলে তুষার কাপুর সেভাবে নাম কামাতে পারেননি। নায়ক হিসেবে ক্যারিয়ার গড়া হয়নি তার।

যদিও বোন একতা কাপুর আদাজল খেয়ে নেমেছিলেন ভাই তুষারকে সুপারহিট হিরো বানাতে। ভাইয়ের ক্যারিয়ার গড়ে দিতে একাধিক সিনেমাও প্রযোজনা করেন একতা।

যাই হোক, ছোটভাই তুষারের প্রতি বোন একতার ভালোবাসা, মমতা কতটা গভীর তা জানা বলিমহলের সবার।

আর সেই তুষারকেই কিনা পুলিশের হাতে তুলে দিতে গিয়েছিলেন একতা? যদিও ঘটনাটি অনেক আগের।

কপিল শর্মার চ্যাট শোতে এসে সেই স্মৃতিচারণ করলেন তুষার কাপুর।

জানালেন, বড় বোনের সঙ্গে মারামারি করেই শৈশব কেটেছে তার। ঘরের মারামারির উত্তেজনা স্কুলে গিয়েও নাকি থামত না। মাঝেমধ্যে দুজনের এই হাতাহাতি এমন চরম পর্যায় পৌঁছত যে,একে অপরের জামার বোতামও টেনে ছিঁড়ে ফেলতেন।

তুষার বলেন, একবার এমন এক ঘটনায় বোন একতা তাকে পুলিশে দিতে চেয়েছিলেন। এর যথেষ্ট কারণও ছিল। পরিবারের সঙ্গে তিরুপতি বেড়াতে গিয়েছিলেন তারা। সেখানেই ঝগড়া বাঁধে ভাইবোনের মধ্যে। রেগে গিয়ে দিদির নাকে ঘুসি মারেন তুষার। তখন নিজেকে সামলাতে না পেরে পুলিশকে ফোন করে বসেন একতা। পুলিশও চলে আসে। কিন্তু শেষমেশ রাগ কমে একতার। আদরের ভাইকে আর পুলিশের হাতে তুলে দেননি। ক্ষমা করে দেন তাকে।

তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা, জি-নিউজ

ভাই তুষার কাপুরকে পুলিশে দিতে চেয়েছিলেন একতা!

 বিনোদন ডেস্ক 
০১ আগস্ট ২০২১, ০১:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বলিউডের চিরতরুণ বলা হয় অভিনেতা জিতেন্দ্রকে। একসময় জিতেন্দ্র মানেই সিনেমা হিট।

তবে তার ছেলে তুষার কাপুর সেভাবে নাম কামাতে পারেননি। নায়ক হিসেবে ক্যারিয়ার গড়া হয়নি তার।

যদিও বোন একতা কাপুর আদাজল খেয়ে নেমেছিলেন ভাই তুষারকে সুপারহিট হিরো বানাতে। ভাইয়ের ক্যারিয়ার গড়ে দিতে একাধিক সিনেমাও প্রযোজনা করেন একতা।

যাই হোক, ছোটভাই তুষারের প্রতি বোন একতার ভালোবাসা, মমতা কতটা গভীর তা জানা বলিমহলের সবার।

আর সেই তুষারকেই কিনা পুলিশের হাতে তুলে দিতে গিয়েছিলেন একতা? যদিও ঘটনাটি অনেক আগের।

কপিল শর্মার চ্যাট শোতে এসে সেই স্মৃতিচারণ করলেন তুষার কাপুর।

জানালেন, বড় বোনের সঙ্গে মারামারি করেই শৈশব কেটেছে তার। ঘরের মারামারির উত্তেজনা স্কুলে গিয়েও নাকি থামত না। মাঝেমধ্যে দুজনের এই হাতাহাতি এমন চরম পর্যায় পৌঁছত যে,একে অপরের জামার বোতামও টেনে ছিঁড়ে ফেলতেন।

তুষার বলেন, একবার এমন এক ঘটনায় বোন একতা তাকে পুলিশে দিতে চেয়েছিলেন। এর যথেষ্ট কারণও ছিল। পরিবারের সঙ্গে তিরুপতি বেড়াতে গিয়েছিলেন তারা। সেখানেই ঝগড়া বাঁধে ভাইবোনের মধ্যে। রেগে গিয়ে দিদির নাকে ঘুসি মারেন তুষার। তখন নিজেকে সামলাতে না পেরে পুলিশকে ফোন করে বসেন একতা। পুলিশও চলে আসে। কিন্তু শেষমেশ রাগ কমে একতার। আদরের ভাইকে আর পুলিশের হাতে তুলে দেননি। ক্ষমা করে দেন তাকে।

তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা, জি-নিউজ

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন