‘জমিদার বাড়ী’র সফল অগ্রযাত্রা
jugantor
‘জমিদার বাড়ী’র সফল অগ্রযাত্রা

  বিনোদন প্রতিবেদন  

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:২৫:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

‘জমিদার বাড়ী’র সফল অগ্রযাত্রা

বৈশাখী টেলিভিশনের তারকাবহুল ধারাবাহিক নাটক ‘জমিদার বাড়ী’র প্রতি দর্শকের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। সাজ্জাদ হোসেন দোদুলের পরিচালনায় নাটকটি প্রতি সপ্তাহে মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ২০ ও ১১টা ৩০ মিনিটে প্রচার হচ্ছে।

এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন- মনোজ সেন গুপ্ত, শম্পা রেজা, আ খ ম হাসান, নাদিয়া মীম, শিল্পী সরকার অপু, শাহনূর, সুব্রত, মোমেনা চৌধুরী, মিলন ভট্ট, সিফাত, ইমতু, রাশেদ মামুন অপু প্রমুখ।

নাটকের কাহিনী বলতে গিয়ে বৈশাখী টিভির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক টিপু আলম মিলন বলেন, জমিদারি প্রথা শেষ হয়েছে সেই কবে। ভগ্নপ্রায় জমিদার বাড়িগুলো এখন পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত। জমিদারি প্রথা শেষ হলেও বংশ পরম্পরায় তাদের ঠাট-বাঁট, আচার-আচরণ, চলন-বলন এখনো রয়ে গেছে। নদী মরে গেলে যেমন তার বাঁক রয়ে যায়, তেমনি জমিদারি শেষ হলেও তাদের শরীরে রয়ে গেছে জমিদারি রক্ত।

জমিদারি রক্তের কারণেই অহংকারে মাটিতে পা পড়ে না, আশপাশের মানুষকে তাচ্ছিল্য করে, ঘৃণার চোখে দেখে। তাদের চলন-বলনে মনে হয় এখনো তারা জমিদার বহাল আছেন, সমাজের সবাই তাদের আগের মতোই সম্মান করবে, কুর্নিশ করবে। তারা মানতেই চায় না এটা এক নতুন সমাজ, তাদের জমিদারি আজ আর নেই। কিন্তু তা না থাকলে কী হবে, জমিদারি প্রথার মতোই শ্রেণি-বৈষম্য এখন সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে। নব্য সমাজপ্রতিভু জমিদারদের দাপটে সুন্দর সমাজ আজ ক্ষতবিক্ষত। সমাজের নানা অসঙ্গতিগুলোই ওঠে এসেছে নাটকের গল্পে।

‘জমিদার বাড়ী’র সফল অগ্রযাত্রা

 বিনোদন প্রতিবেদন 
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:২৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
‘জমিদার বাড়ী’র সফল অগ্রযাত্রা
ধারাবাহিক নাটক ‘জমিদার বাড়ী’র একটি দৃশ্য

বৈশাখী টেলিভিশনের তারকাবহুল ধারাবাহিক নাটক ‘জমিদার বাড়ী’র প্রতি দর্শকের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। সাজ্জাদ হোসেন দোদুলের পরিচালনায় নাটকটি প্রতি সপ্তাহে মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ২০ ও ১১টা ৩০ মিনিটে প্রচার হচ্ছে।

এতে বিভিন্ন চরিত্রে  অভিনয় করেছেন- মনোজ সেন গুপ্ত, শম্পা রেজা, আ খ ম হাসান, নাদিয়া মীম, শিল্পী সরকার অপু, শাহনূর, সুব্রত, মোমেনা চৌধুরী, মিলন ভট্ট, সিফাত, ইমতু, রাশেদ মামুন অপু প্রমুখ।

নাটকের কাহিনী বলতে গিয়ে বৈশাখী টিভির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক  টিপু আলম মিলন বলেন, জমিদারি প্রথা শেষ হয়েছে সেই কবে। ভগ্নপ্রায় জমিদার বাড়িগুলো এখন পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত। জমিদারি প্রথা শেষ হলেও বংশ পরম্পরায় তাদের ঠাট-বাঁট, আচার-আচরণ, চলন-বলন এখনো রয়ে গেছে। নদী মরে  গেলে যেমন তার বাঁক রয়ে যায়, তেমনি জমিদারি শেষ হলেও তাদের শরীরে রয়ে গেছে জমিদারি রক্ত।  

জমিদারি রক্তের কারণেই অহংকারে মাটিতে পা পড়ে না, আশপাশের মানুষকে তাচ্ছিল্য করে, ঘৃণার চোখে দেখে। তাদের চলন-বলনে মনে হয় এখনো তারা জমিদার বহাল আছেন, সমাজের সবাই তাদের আগের মতোই সম্মান করবে, কুর্নিশ করবে। তারা মানতেই চায় না এটা এক নতুন সমাজ, তাদের জমিদারি আজ আর নেই। কিন্তু তা না থাকলে কী হবে, জমিদারি প্রথার মতোই শ্রেণি-বৈষম্য এখন সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে। নব্য সমাজপ্রতিভু জমিদারদের দাপটে সুন্দর সমাজ আজ ক্ষতবিক্ষত। সমাজের নানা অসঙ্গতিগুলোই ওঠে এসেছে নাটকের গল্পে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন