মঞ্চস্থ হলো প্রাচ্যনাটের ‘একাত্তরের ক্ষুদিরাম’
jugantor
মঞ্চস্থ হলো প্রাচ্যনাটের ‘একাত্তরের ক্ষুদিরাম’

  বিনোদন প্রতিবেদন  

১৮ অক্টোবর ২০২১, ০২:৪৮:০৬  |  অনলাইন সংস্করণ

মান্নান হিরার রচনা এবং শওকত হোসেন সজীবের নির্দেশনায় আলোচিত মঞ্চনাটক ‘একাত্তরের ক্ষুদিরাম’ মঞ্চস্থ হয়েছে। শনিবারদলটির ফেসবুক পেইজেএই নাটক প্রচার করা হয়।

নাটকের গল্পে দেখা যায়,বিপ্লবী চেতনার ধারক সোনামুখি উচ্চ বিদ্যলয়ের গেইম টিচার খোকন ব্যানার্জী গত ২১ বছর ধরে স্কুলে ক্ষুদিরাম নাটকটি করে আসছেন। ১৯৭১ সালে এসে তারই ধারাবাহিকতায় খোকন মহড়া শুরু করেন শহীদ ক্ষুদিরাম নাটকের। তখন দেশে বেজে উঠেছে মুক্তিযুদ্ধের দামামা। রাস্তায় রাস্তায় শোনা যায় ‘বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো বাংলাদেশ স্বাধীন করো’।

ঠিক সেই সময় ফুসে উঠে স্বাধীনতাবিরোধী পাকিস্তানপন্থিরা। যার মধ্যে অন্যতম স্কুলের উর্দু শিক্ষক হাফিজুর রহমান। তিনি কায়েদে আজমকে নিয়ে নাটক লেখেন “মেরে পেয়ারে আদমী”। উর্দু শিক্ষক স্কুলে খোকন ব্যানার্জীকে দিয়ে জোরপূর্বক এ নাটকটি করাতে চান “শহীদ ক্ষুদিরাম”-এর পরিবর্তে।

কিন্তু প্রধান শিক্ষকের দ্বারা চাপ প্রয়োগ করা সত্ত্বেও খোকন উর্দু ভাষায় লেখা নাটক স্কুলে করতে রাজি হন না। উল্টো চ্যালেঞ্জ করেন যে “শহীদ ক্ষুদিরাম” নাটকটিই করবেন তিনি। তিনি মহড়া চালিয়ে যান। কিন্তু তখন শহরে পাকিস্তানি মিলিটারি আক্রমণ করে রাজাকার হাফিজুর রহমানের সহায়তায় মিলিটারিরা হত্যাযজ্ঞ চালায়। মারা যায় খোকন ও তার ছাত্রী কাকলী। মুক্তিযোদ্ধা মন্টুর নেতৃত্বে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে খোকেনের ছাত্রছাত্রীরা। এর মধ্যে ১৯৭১ সালে খুঁজে পাওয়া যায় নতুন রূপে ক্ষুদিরামকে। এভাবেই এগিয়ে যায় নাটকটির গল্প।

এটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মুনমুন বিশ্বাস মুন, সানজিদা ইসলাম বুশরা, আবু বকর, ইন্দ্রজিত কীর্তনিয়া, নাফিসা জামান সেওতি, অনিক হাসান অমি, শেখ রকি, সোহেল রানা, মুহাম্মদ আবু ইমরান, কপালিকা দর্শন প্রমুখ।

মঞ্চস্থ হলো প্রাচ্যনাটের ‘একাত্তরের ক্ষুদিরাম’

 বিনোদন প্রতিবেদন 
১৮ অক্টোবর ২০২১, ০২:৪৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মান্নান হিরার রচনা এবং শওকত হোসেন সজীবের নির্দেশনায় আলোচিত মঞ্চনাটক ‘একাত্তরের ক্ষুদিরাম’ মঞ্চস্থ হয়েছে। শনিবার দলটির ফেসবুক পেইজে এই নাটক প্রচার করা হয়।

নাটকের গল্পে দেখা যায়, বিপ্লবী চেতনার ধারক সোনামুখি উচ্চ বিদ্যলয়ের গেইম টিচার খোকন ব্যানার্জী গত ২১ বছর ধরে স্কুলে ক্ষুদিরাম নাটকটি করে আসছেন। ১৯৭১ সালে এসে তারই ধারাবাহিকতায় খোকন মহড়া শুরু করেন শহীদ ক্ষুদিরাম নাটকের। তখন দেশে বেজে উঠেছে মুক্তিযুদ্ধের দামামা। রাস্তায় রাস্তায় শোনা যায় ‘বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো বাংলাদেশ স্বাধীন করো’।

ঠিক সেই সময় ফুসে উঠে স্বাধীনতাবিরোধী পাকিস্তানপন্থিরা। যার মধ্যে অন্যতম স্কুলের উর্দু শিক্ষক হাফিজুর রহমান। তিনি কায়েদে আজমকে নিয়ে নাটক লেখেন “মেরে পেয়ারে আদমী”। উর্দু শিক্ষক স্কুলে খোকন ব্যানার্জীকে দিয়ে জোরপূর্বক এ নাটকটি করাতে চান “শহীদ ক্ষুদিরাম”-এর পরিবর্তে।

কিন্তু প্রধান শিক্ষকের দ্বারা চাপ প্রয়োগ করা সত্ত্বেও খোকন উর্দু ভাষায় লেখা নাটক স্কুলে করতে রাজি হন না। উল্টো চ্যালেঞ্জ করেন যে “শহীদ ক্ষুদিরাম” নাটকটিই করবেন তিনি। তিনি মহড়া চালিয়ে যান। কিন্তু তখন শহরে পাকিস্তানি মিলিটারি আক্রমণ করে রাজাকার হাফিজুর রহমানের সহায়তায় মিলিটারিরা হত্যাযজ্ঞ চালায়। মারা যায় খোকন ও তার ছাত্রী কাকলী। মুক্তিযোদ্ধা মন্টুর নেতৃত্বে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে খোকেনের ছাত্রছাত্রীরা। এর মধ্যে ১৯৭১ সালে খুঁজে পাওয়া যায় নতুন রূপে ক্ষুদিরামকে। এভাবেই এগিয়ে যায় নাটকটির গল্প।

এটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মুনমুন বিশ্বাস মুন, সানজিদা ইসলাম বুশরা, আবু বকর, ইন্দ্রজিত কীর্তনিয়া, নাফিসা জামান সেওতি, অনিক হাসান অমি, শেখ রকি, সোহেল রানা, মুহাম্মদ আবু ইমরান, কপালিকা দর্শন প্রমুখ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন