প্রশংসিত ধারাবাহিক ‘বাকের-খনি’
jugantor
প্রশংসিত ধারাবাহিক ‘বাকের-খনি’

  বিনোদন প্রতিবেদন  

২৩ নভেম্বর ২০২১, ২৩:২১:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

মাছরাঙা টিভিতে প্রতি রোব, সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৩০ মিনিটে প্রচার হচ্ছে ধারাবাহিক নাটক ‘বাকের-খনি’। মেজবাহউদ্দিন সুমনের রচনায় এটি পরিচালনা করেছেন নজরুল ইসলাম রাজু।

পর্ব পরিচালনায় রয়েছেন মাতিয়া বানু শুকু ও তাসদিক শাহরিয়ার খান। এতে অভিনয় করেছেন মীর সাব্বির, সাজু খাদেম, তাসনুভা তিশা, নাবিলা ইসলাম, রোজী সিদ্দিকী, লুৎফর রহমান জর্জ, শিল্পী সরকার অপু, আনন্দ খালেদ প্রমুখ।

নাটকটি এখন দর্শকপ্রিয়তা নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছে, প্রশংসিতও হচ্ছে। ফেসবুকের মাধ্যমে খানি বেগম নামে একজন অতীব সুন্দরী, রূপবতী রমণীর সাথে পরিচয় ঘটেছিল বাকের নামে একজন যুবকের। পুরান ঢাকার অতি আধুনিক খানি বেগম একদিন ছুটির দিন লালাবাগের কেল্লায় বাকেরকে দেখা করার জন্য বলেন। কিন্তু তার বন্ধু আবুল ওরফে এ্যাবার প্রতারণায় দেখা আর হয় না দুজনের।

পরদিনই বাকের রওনা দেয় এবং রাস্তা পার হতে গিয়ে খানির বাবা লাল মিয়ার গাড়ির নিচে চাপা পড়ে। লাল মিয়া দ্রুত তাকে নিজের বাসায় নিয়ে যান। ধীরে ধীরে সুস্থ হন বাকের। কিন্তু হারিয়ে ফেলেন স্মৃতিশক্তি। এদিকে বন্ধুকে খুঁজতে সেই বাড়িতে উপস্থিত হন বাকেরের বন্ধু আবুল উরফে এ্যাবার। শুরু হয় ত্রিমুখী প্রেমের দ্বন্দ্ব— এভাবেই এগিয়ে যায় নাটকটির কাহিনী।

প্রশংসিত ধারাবাহিক ‘বাকের-খনি’

 বিনোদন প্রতিবেদন 
২৩ নভেম্বর ২০২১, ১১:২১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মাছরাঙা টিভিতে প্রতি রোব, সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৩০ মিনিটে প্রচার হচ্ছে ধারাবাহিক নাটক ‘বাকের-খনি’। মেজবাহউদ্দিন সুমনের রচনায় এটি পরিচালনা করেছেন নজরুল ইসলাম রাজু।

পর্ব পরিচালনায় রয়েছেন মাতিয়া বানু শুকু ও তাসদিক শাহরিয়ার খান। এতে অভিনয় করেছেন মীর সাব্বির, সাজু খাদেম, তাসনুভা তিশা, নাবিলা ইসলাম, রোজী সিদ্দিকী, লুৎফর রহমান জর্জ, শিল্পী সরকার অপু, আনন্দ খালেদ প্রমুখ।

নাটকটি এখন দর্শকপ্রিয়তা নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছে, প্রশংসিতও হচ্ছে। ফেসবুকের মাধ্যমে খানি বেগম নামে একজন অতীব সুন্দরী, রূপবতী রমণীর সাথে পরিচয় ঘটেছিল বাকের নামে একজন যুবকের। পুরান ঢাকার অতি আধুনিক খানি বেগম একদিন ছুটির দিন লালাবাগের কেল্লায় বাকেরকে দেখা করার জন্য বলেন। কিন্তু তার বন্ধু আবুল ওরফে এ্যাবার প্রতারণায় দেখা আর হয় না দুজনের।

পরদিনই বাকের রওনা দেয় এবং রাস্তা পার হতে গিয়ে খানির বাবা লাল মিয়ার গাড়ির নিচে চাপা পড়ে। লাল মিয়া দ্রুত তাকে নিজের বাসায় নিয়ে যান। ধীরে ধীরে সুস্থ হন বাকের। কিন্তু হারিয়ে ফেলেন স্মৃতিশক্তি। এদিকে বন্ধুকে খুঁজতে সেই বাড়িতে উপস্থিত হন বাকেরের বন্ধু আবুল উরফে এ্যাবার। শুরু হয় ত্রিমুখী প্রেমের দ্বন্দ্ব— এভাবেই এগিয়ে যায় নাটকটির কাহিনী। 
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন