অল্প সময়েই মনোযোগ কেড়েছে ‘অনলাইন অফলাইন’
jugantor
অল্প সময়েই মনোযোগ কেড়েছে ‘অনলাইন অফলাইন’

  বিনোদন প্রতিবেদন  

০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০২:৪২:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রতি রোব, সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ৩০ মিনিটে মাছরাঙা টিভিতে প্রচার হচ্ছে ধারাবাহিক নাটক ‘অনলাইন অফলাইন’।

সাগর জাহানের রচনা ও পরিচালনায় এতে অভিনয় করেছেন- মারজুক রাসেল, আখম হাসান, কচি খন্দকার, মুকিত জাকারিয়া, পাভেল ইসলাম, ইশতিয়াক আহমেদ রুমেল, তানজিকা আমিন, সালহা খানম নাদিয়া, নাবিলা ইসলাম, মনিরা মিঠু, শিল্পী সরকার অপু প্রমুখ।

নাটকটি প্রচারে আসার কিছুদিনের মধ্যেই দর্শকের মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। এটির গল্পের কেন্দ্রে একটা অফিস। এ অফিস যে কিসের অফিস সেটা আসলে এই অফিসের লোকজনও ভালো করে জানেন না। বেশির ভাগ সময় এ অফিসে মিটিং হয় যে সামনে কিসের ব্যবসা শুরু করা যায় বা এ অফিসকে কিসের অফিস বানানো যায়।

অফিসের মালিক তিনজন, স্টাফও তিনজন। তিনজন আবার বন্ধু। শাহেদ, রন্টু এবং ইমন। শাহেদ এ অফিসের বস। যদিও অন্য দুজন তাকে বস বলে পাত্তা দেয় না। রন্টু এবং ইমন অফিসের ঠিক মুখোমুখি ফ্ল্যাটে থাকে। সঙ্গে থাকে রন্টুর ভাগনে রিশাদ। আরেকটি চরিত্র সোলেমান মিয়া। অফিস বিল্ডিংয়ের মালিক সোলেমানের আমেরিকা প্রবাসী মামাতো ভাই।

সেই হিসাবে সোলেমানই বাড়ির দেখভাল করেন। ৪২ বছর বয়সে পঁচিশ বছরের রুমাকে বিয়ে করার পর থেকেই সে খুব বিপাকে আছে। সোলেমান সারাদিন টেনশনে থাকে এই বুঝি কেউ তার সুন্দরী বউয়ের সঙ্গে প্রেম শুরু করল। রন্টু খুবই চালাক এবং চতুর। সবাই তাকে একরকম অপছন্দ করে; আবার পছন্দ না করেও যেন পারে না।

সে অনেক ভালোবাসে কনাকে। কনাও হয়ত তাকে কিছুটা ভালোবাসে কিন্তু কখনই সে ধরা দেয় না। সোলেমানের বউ রুমাকে মনে মনে পছন্দ করে রিশাদ। যদিও কখনো বলে না, কিন্তু তার কথা চলনে বলনে প্রকাশ পায়। অদ্ভুত সব চরিত্র আর বিচিত্র ঘটনা নিয়ে এগিয়ে যায় নাটকের গল্প।

অল্প সময়েই মনোযোগ কেড়েছে ‘অনলাইন অফলাইন’

 বিনোদন প্রতিবেদন 
০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০২:৪২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রতি রোব, সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ৩০ মিনিটে মাছরাঙা টিভিতে প্রচার হচ্ছে ধারাবাহিক নাটক ‘অনলাইন অফলাইন’।

সাগর জাহানের রচনা ও পরিচালনায় এতে অভিনয় করেছেন- মারজুক রাসেল, আখম হাসান, কচি খন্দকার, মুকিত জাকারিয়া, পাভেল ইসলাম, ইশতিয়াক আহমেদ রুমেল, তানজিকা আমিন, সালহা খানম নাদিয়া, নাবিলা ইসলাম, মনিরা মিঠু, শিল্পী সরকার অপু প্রমুখ। 

নাটকটি প্রচারে আসার কিছুদিনের মধ্যেই দর্শকের মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। এটির গল্পের কেন্দ্রে একটা অফিস। এ অফিস যে কিসের অফিস সেটা আসলে এই অফিসের লোকজনও ভালো করে জানেন না। বেশির ভাগ সময় এ অফিসে মিটিং হয় যে সামনে কিসের ব্যবসা শুরু করা যায় বা এ অফিসকে কিসের অফিস বানানো যায়।

অফিসের মালিক তিনজন, স্টাফও তিনজন। তিনজন আবার বন্ধু। শাহেদ, রন্টু এবং ইমন। শাহেদ এ অফিসের বস। যদিও অন্য দুজন তাকে বস বলে পাত্তা দেয় না।  রন্টু এবং ইমন অফিসের ঠিক মুখোমুখি ফ্ল্যাটে থাকে। সঙ্গে থাকে রন্টুর ভাগনে রিশাদ। আরেকটি চরিত্র সোলেমান মিয়া। অফিস বিল্ডিংয়ের মালিক সোলেমানের আমেরিকা প্রবাসী মামাতো ভাই।

সেই হিসাবে সোলেমানই বাড়ির দেখভাল করেন। ৪২ বছর বয়সে পঁচিশ বছরের রুমাকে বিয়ে করার পর থেকেই সে খুব বিপাকে আছে। সোলেমান সারাদিন টেনশনে থাকে এই বুঝি কেউ তার সুন্দরী বউয়ের সঙ্গে প্রেম শুরু করল। রন্টু খুবই চালাক এবং চতুর। সবাই তাকে একরকম অপছন্দ করে; আবার পছন্দ না করেও যেন পারে না।

সে অনেক ভালোবাসে কনাকে। কনাও হয়ত তাকে কিছুটা ভালোবাসে কিন্তু কখনই সে ধরা দেয় না। সোলেমানের বউ রুমাকে মনে মনে পছন্দ করে রিশাদ। যদিও কখনো বলে না, কিন্তু তার কথা চলনে বলনে প্রকাশ পায়। অদ্ভুত সব চরিত্র আর বিচিত্র ঘটনা নিয়ে এগিয়ে যায় নাটকের গল্প।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন