রাত করে বাসায় ফিরলে মার তো খাবেনই: মিথিলা
jugantor
রাত করে বাসায় ফিরলে মার তো খাবেনই: মিথিলা

  অনলাইন ডেস্ক  

০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:২৪:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

এবার নারী স্বাধীনতা নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা।

তিনি একের পর এক বলে গেলেন কয়েকটি প্রচলিত কথা। যে কথা আজও সব অর্থে মেয়েদের ক্ষেত্রে সত্যি।

তিনি বলেন, এখনও আমাদের সমাজে মেয়েরা মনে করেন- 'মেয়েদের মানিয়ে নিতেই হয়’। কিংবা ‘রাত করে বাড়ি ফিরলে তো মার খাবেনই!’ অথবা ‘স্বামীর রাগই তো ভালোবাসা।‘ ‘কী, গায়ে হাত তোলে? একটা থাপ্পড়ে কী হয়! টাকা-পয়সা তো দেয়’।

মিথিলা বোঝাতে চেয়েছেন ওই কথাগুলো যেন মেয়েদের জীবনগাথা। শহর থেকে শহরতলি এমনকি দেশ বা বিদেশ, এ কথাগুলোই ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে মেয়েদের শেখানো হয়। একুশ শতকেও তার কোনো পরিবর্তন হয়নি। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

জন্ম থেকে শুনতে শুনতে কথাগুলো যেন ‘অভ্যাস’ হয়ে দাঁড়িয়েছে নারী জীবনে। হাজার নিয়ম, নীতির বেড়াজালে বন্দি নারী যখনই ছটফটিয়ে উঠে, নতুন কিছু শুনতে চায়; এই কথাগুলো যেন আরও বেশি করে শোনানো হয় তাকে। যাতে নিয়ম-বিরুদ্ধ, নীতি-বিরুদ্ধ কোনো কাজ, কোনো পদক্ষেপ সে না নিয়ে ফেলে।

স্বামী বা পুরুষ সঙ্গীর রাগ বড্ড বেশি, তাই সে রেগে গিয়ে হাত তোলে। তাই স্ত্রীকে বা সেই মেয়েকেই সাবধানে থাকতে হবে, সেই পুরুষ যাতে রেগে না যান।

একুশ শতকেও কি এই ধারা বদলাবে না? অবশ্যই বদলাবে। তারই ডাক দিয়েছেন মিথিলা। যুগ যুগ ধরে বলে আসা কথাগুলোর সঙ্গেই ছিল তার জোরালো প্রতিবাদ।

মিথিলা বলেন, এসব কথা আমাদের সমাজে পারিবারিক নির্যাতনকে আরও যেন স্বাভাবিক করে তুলছে। আমি এ ধরনের সব কথা বর্জন করছি। একইভাবে তিনি সব মেয়ে এবং সমাজের সবাইকে গার্হস্থ্য হিংসার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দিয়েছেন।

মিথিলার এই প্রতিবাদী রূপ নতুন নয়। এর আগেও তিনি নারী-শিশু পাচার এবং ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, টুইটারে অশ্লীল কটাক্ষের প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

রাত করে বাসায় ফিরলে মার তো খাবেনই: মিথিলা

 অনলাইন ডেস্ক 
০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:২৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

এবার নারী স্বাধীনতা নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা।

তিনি একের পর এক বলে গেলেন কয়েকটি প্রচলিত কথা। যে কথা আজও সব অর্থে মেয়েদের ক্ষেত্রে সত্যি।

তিনি বলেন, এখনও আমাদের সমাজে মেয়েরা মনে করেন- 'মেয়েদের মানিয়ে নিতেই হয়’। কিংবা ‘রাত করে বাড়ি ফিরলে তো মার খাবেনই!’ অথবা ‘স্বামীর রাগই তো ভালোবাসা।‘ ‘কী, গায়ে হাত তোলে? একটা থাপ্পড়ে কী হয়! টাকা-পয়সা তো দেয়’।

মিথিলা বোঝাতে চেয়েছেন ওই কথাগুলো যেন মেয়েদের জীবনগাথা। শহর থেকে শহরতলি এমনকি দেশ বা বিদেশ, এ কথাগুলোই ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে মেয়েদের শেখানো হয়। একুশ শতকেও তার কোনো পরিবর্তন হয়নি। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

জন্ম থেকে শুনতে শুনতে কথাগুলো যেন ‘অভ্যাস’ হয়ে দাঁড়িয়েছে নারী জীবনে। হাজার নিয়ম, নীতির বেড়াজালে বন্দি নারী যখনই ছটফটিয়ে উঠে, নতুন কিছু শুনতে চায়; এই কথাগুলো যেন আরও বেশি করে শোনানো হয় তাকে। যাতে নিয়ম-বিরুদ্ধ, নীতি-বিরুদ্ধ কোনো কাজ, কোনো পদক্ষেপ সে না নিয়ে ফেলে।

স্বামী বা পুরুষ সঙ্গীর রাগ বড্ড বেশি, তাই সে রেগে গিয়ে হাত তোলে। তাই স্ত্রীকে বা সেই মেয়েকেই সাবধানে থাকতে হবে, সেই পুরুষ যাতে রেগে না যান।

একুশ শতকেও কি এই ধারা বদলাবে না? অবশ্যই বদলাবে। তারই ডাক দিয়েছেন মিথিলা। যুগ যুগ ধরে বলে আসা কথাগুলোর সঙ্গেই ছিল তার জোরালো প্রতিবাদ।

মিথিলা বলেন, এসব কথা আমাদের সমাজে পারিবারিক নির্যাতনকে আরও যেন স্বাভাবিক করে তুলছে। আমি এ ধরনের সব কথা বর্জন করছি। একইভাবে তিনি সব মেয়ে এবং সমাজের সবাইকে গার্হস্থ্য হিংসার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দিয়েছেন।

মিথিলার এই প্রতিবাদী রূপ নতুন নয়। এর আগেও তিনি নারী-শিশু পাচার এবং ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, টুইটারে অশ্লীল কটাক্ষের প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন