অভিনেত্রী শিমুর মৃত্যু, যা বললেন ভাই–বোন ও জায়েদ খান
jugantor
অভিনেত্রী শিমুর মৃত্যু, যা বললেন ভাই–বোন ও জায়েদ খান

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৮ জানুয়ারি ২০২২, ১৯:৪১:০৭  |  অনলাইন সংস্করণ

শিমুর বোন ফাতিমা নিশা ও ভাই শহীদুল ইসলামছবি: সংগৃহীত

পারিবারিক ও দাম্পত্য কলহের জেরে চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমুকে (৩৫) হত্যা করা হয়েছে। অভিনেত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন তার স্বামী খন্দকার শাখাওয়াত আলীম নোবেল।

মঙ্গলবার ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকার পুলিশ সুপার (এসপি) মারুফ হোসেন সরদার।

সংবাদ সম্মেলনে এসপি মারুফ হাসান বলেন, স্ত্রী শিমু হত্যার দায় স্বীকার করেছেন খন্দকার তার স্বামী শাখাওয়াত আলীম নোবেল। অভিনেত্রী শিমুর লাশ গুম করতে তাকে বন্ধু ফরহাদ সহায়তা করেছেন। দাম্পত্য কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ কথা জানতে পেরে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন শিমুর ভাইবোনেরা। বিষয়টি তারা ভাবতেই পারছেন না। কেন তাদের বোনকে এভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করলেন নোবেল, সে প্রশ্ন রাখতে চান শিমুর বোন ফাতিমা নিশা।

মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিহত ফাতিমা নিশা বলেন, আমার বোনের কোনো শত্রু ছিল না। ও নিজেও কখনও বলেনি যে ওর কোনো শত্রু আছে। নোবেলের সঙ্গে তার ১৮ বছরের সংসার। তারা প্রেম করে বিয়ে করেছেন। তবে নোবেল কেন এ কাজ করতে যাবেন? কী অপরাধ ছিল আমার বোনের? আপনারা লাশের ছবি দেখেছেন কিনা জানি না? এত নৃশংসভাবে মানুষ-মানুষকে খুন করতে পারে!

সোমবার দুপুরে কেরানীগঞ্জের হজরতপুর ব্রিজের কাছে আলিয়াপুর এলাকায় রাস্তার পাশে পড়ে থাকা বস্তা দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন।

পরে পুলিশ গিয়ে নারীর লাশ উদ্ধার করে। পরে সেটি নায়িকা শিমুর লাশ বলে শনাক্ত হয়। বর্তমানে রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (মিটফোর্ড)তার মরদেহ রয়েছে ।

কেরানীগঞ্জ থানার ওসি মো. আবু সালাম মিয়া জানান, লাশ বস্তায় ভরে রাস্তার পাশে ফেলে রাখা হয়েছিল। শিমুকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শিমুর হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়েছিল বলে অনেকে অভিযোগ করছেন। সেই ঘটনায় খুন হয়েছেন এই অভিনেত্রী এমন গুজব ছড়াচ্ছেন অনেকে।

এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী শিমুর ভাই-বোন ও অভিনেতা জায়েদ খান মুখ খুলেছেন। মঙ্গলবার দুপুরে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে হত্যাকাণ্ডের আগের দিনের ঘটনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন ফাতিমা।

ফাতিমা নিশা বলেন, আমার বোন সবকিছু শেয়ার করে আমার সঙ্গে। আমাদের মধ্যে অনেক মিল। ও যেটা পরে সেটা আমি পরতাম, আমি যেটা পরতাম ও সেটা পরত। কারও বোন থাকলে এটা বুঝতে পারবে। তার সঙ্গে প্রতিদিনই কথা হতো। একদিনও বলেনি জায়েদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়েছে। এটা ভুল–বোঝাবুঝির কারণে ঘটছে। আমার বোনের সহকর্মীদের বলব, গুজব না ছড়িয়ে সত্য উদঘাটনে সহযোগিতা করুন।

শিমুর ভাই শহীদুল ইসলাম বলেন, পেশাগত জায়গায় আমার বোনের কিছুটা ক্ষোভ ছিল। তার মানে এই নয়, সেই ঘটনায় খুন হয়েছে। ঘটনাটা আড়াল করতে জায়েদের ওপর দোষ চাপাচ্ছেন কেউ কেউ। এ হত্যার সঙ্গে আমার বোনজামাই দায়ী। তিনি আমার বোনের গায়ে হাত তুলতেন। ঝগড়া করতেন।

ঢাকাই চলচ্চিত্রে জনপ্রিয় অভিনেতা মান্নার হাত ধরে রূপালী পর্দায় অভিষেক ঘটেছিল অভিনয়শিল্পী রাইমা ইসলাম শিমুর। দুই ডজনের বেশি সিনেমায় অভিনয় করা এই অভিনেত্রীর জীবনপ্রদীপ নিভে যায় নির্মম হত্যাকাণ্ডে।

১৯৯৮ সালে মুক্তি পাওয়া সেই সিনেমায় মান্নার ছোটবোনের চরিত্রে অভিনয় করেন কিশোরী শিমু; পরে কাজী হায়াতের আরেকটি সিনেমায় কাজ করেন তিনি।

পরে দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, চাষি নজরুল ইসলাম, শরিফ উদ্দিন খান দিপুসহ কয়েকজন পরিচালকের প্রায় দুই ডজন সিনেমায় পার্শ্বচরিত্রে দেখা যায় শিমুকে। মান্না ছাড়াও শাকিব খান, রিয়াজের মতো তারকা শিল্পীদের সঙ্গে তিনি কাজ করেন।

চলচ্চিত্রে নিয়মিত হয়েও শিল্পী সমিতির স্থায়ী সদস্যপদ হারিয়েছিলেন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার অভিনেত্রী রাইমা ইসলাম শিমু।

সমিতির ভোটাধিকার হারানো ১৮৪ সদস্যের মধ্যে একজন তিনি। ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার আন্দোলনে শিমু ছিলেন সক্রিয়।

সোমবার শিমুর মরদেহ উদ্ধারের পর থেকে বিষয়টি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। সে কারণে সোমবার রাত থেকেই গুজব ছড়ায়, ঘটনার সঙ্গে জায়েদ খান জড়িত থাকতে পারেন।

এ বিষয়ে কথা জায়েদ খান বলেন, আমাকে ঘিরে প্রথম থেকেই নোংরামি হচ্ছে। কোনো সুযোগ পেলেই সেখানে আমার নাম জড়ায়। অথচ আমি দুই বছর ধরে শিল্পী সমিতির নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করছিলাম। এর মধ্যে তার সঙ্গে কখনোই আমার কথা হয় নি দেখাও হয় নি। অথচ অনেকে গুজব ছড়াচ্ছেন, আমার সঙ্গে ১২ তারিখে শিমুর ঝগড়া হয়েছিল। শিল্পীদের নিয়ে এমন নোংরামি বন্ধ করুন। এসব কারণে সামাজিকভাবে আমাদের হেয় হতে হয়। আমরা সংগঠন থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে কথা বলেছিলাম, তারা ঘটনা তদন্ত করছে।

শিল্পী সমিতির সদ্য বিদায়ী কমিটির সভাপতি জনপ্রিয় অভিনেতা মিশা সওদাগর শিমুর পদ হারানোর কারণ ব্যাখ্যা করেছেন।

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, শিমুর মৃত্যুতে আমি শোক প্রকাশ করছি। তিনি অনেক দিন ধরেই চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। তবে শিল্পী সমিতির সংবিধানের বিধি মেনেই তার সদস্যপদে পরিবর্তন আনা হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী টানা দুই বছর কোনো শিল্পী চলচ্চিত্রে কাজ না করলে তার সদস্যপদ স্থগিত করা হয়, স্থায়ী সদস্য থেকে সহযোগী সদস্য করা হয়। শিমুর সদস্যপদও কিন্তু স্থগিত করা হয়নি। তাকে সহযোগী করা হয়েছে।

অভিনেত্রী শিমুর মৃত্যু, যা বললেন ভাই–বোন ও জায়েদ খান

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৮ জানুয়ারি ২০২২, ০৭:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
শিমুর বোন ফাতিমা নিশা ও ভাই শহীদুল ইসলামছবি: সংগৃহীত
শিমুর বোন ফাতিমা নিশা ও ভাই শহীদুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

পারিবারিক ও দাম্পত্য কলহের জেরে চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমুকে (৩৫) হত্যা করা হয়েছে। অভিনেত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন তার স্বামী খন্দকার শাখাওয়াত আলীম নোবেল।

মঙ্গলবার ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকার পুলিশ সুপার (এসপি) মারুফ হোসেন সরদার।

সংবাদ সম্মেলনে এসপি মারুফ হাসান বলেন,  স্ত্রী শিমু হত্যার দায় স্বীকার করেছেন খন্দকার তার স্বামী শাখাওয়াত আলীম নোবেল। অভিনেত্রী শিমুর লাশ গুম করতে তাকে বন্ধু ফরহাদ সহায়তা করেছেন। দাম্পত্য কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ কথা জানতে পেরে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন শিমুর ভাইবোনেরা।  বিষয়টি তারা ভাবতেই পারছেন না। কেন তাদের বোনকে এভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করলেন নোবেল, সে প্রশ্ন রাখতে চান শিমুর বোন ফাতিমা নিশা।

মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিহত ফাতিমা নিশা বলেন, আমার বোনের কোনো শত্রু ছিল না। ও নিজেও কখনও বলেনি যে ওর কোনো শত্রু আছে। নোবেলের সঙ্গে তার ১৮ বছরের সংসার। তারা প্রেম করে বিয়ে করেছেন। তবে নোবেল কেন এ কাজ করতে যাবেন? কী অপরাধ ছিল আমার বোনের? আপনারা লাশের ছবি দেখেছেন কিনা জানি না? এত নৃশংসভাবে মানুষ-মানুষকে খুন করতে পারে! 

সোমবার দুপুরে কেরানীগঞ্জের হজরতপুর ব্রিজের কাছে আলিয়াপুর এলাকায় রাস্তার পাশে পড়ে থাকা বস্তা দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন।

পরে পুলিশ গিয়ে নারীর লাশ উদ্ধার করে। পরে সেটি নায়িকা শিমুর লাশ বলে শনাক্ত হয়। বর্তমানে রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (মিটফোর্ড)তার মরদেহ রয়েছে । 

কেরানীগঞ্জ থানার ওসি মো. আবু সালাম মিয়া জানান, লাশ বস্তায় ভরে রাস্তার পাশে ফেলে রাখা হয়েছিল। শিমুকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

শিমুর হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়েছিল বলে অনেকে অভিযোগ করছেন।  সেই ঘটনায় খুন হয়েছেন এই অভিনেত্রী এমন গুজব ছড়াচ্ছেন অনেকে। 

এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী শিমুর ভাই-বোন ও অভিনেতা জায়েদ খান মুখ খুলেছেন। মঙ্গলবার দুপুরে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে হত্যাকাণ্ডের আগের দিনের ঘটনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন ফাতিমা।
 
ফাতিমা নিশা বলেন, আমার বোন সবকিছু শেয়ার করে আমার সঙ্গে। আমাদের মধ্যে অনেক মিল। ও যেটা পরে সেটা আমি পরতাম, আমি যেটা পরতাম ও সেটা পরত। কারও বোন থাকলে এটা বুঝতে পারবে। তার সঙ্গে প্রতিদিনই কথা হতো। একদিনও বলেনি জায়েদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়েছে। এটা ভুল–বোঝাবুঝির কারণে ঘটছে। আমার বোনের সহকর্মীদের বলব, গুজব না ছড়িয়ে সত্য উদঘাটনে সহযোগিতা করুন।

শিমুর ভাই শহীদুল ইসলাম বলেন, পেশাগত জায়গায় আমার বোনের কিছুটা ক্ষোভ ছিল। তার মানে এই নয়, সেই ঘটনায় খুন হয়েছে। ঘটনাটা আড়াল করতে জায়েদের ওপর দোষ চাপাচ্ছেন কেউ কেউ। এ হত্যার সঙ্গে আমার বোনজামাই দায়ী। তিনি আমার বোনের গায়ে হাত তুলতেন। ঝগড়া করতেন।

ঢাকাই চলচ্চিত্রে জনপ্রিয় অভিনেতা মান্নার হাত ধরে রূপালী পর্দায় অভিষেক ঘটেছিল অভিনয়শিল্পী রাইমা ইসলাম শিমুর। দুই ডজনের বেশি সিনেমায় অভিনয় করা এই অভিনেত্রীর জীবনপ্রদীপ নিভে যায় নির্মম হত্যাকাণ্ডে।

১৯৯৮ সালে মুক্তি পাওয়া সেই সিনেমায় মান্নার ছোটবোনের চরিত্রে অভিনয় করেন কিশোরী শিমু; পরে কাজী হায়াতের আরেকটি সিনেমায় কাজ করেন তিনি।

পরে দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, চাষি নজরুল ইসলাম, শরিফ উদ্দিন খান দিপুসহ কয়েকজন পরিচালকের প্রায় দুই ডজন সিনেমায় পার্শ্বচরিত্রে দেখা যায় শিমুকে। মান্না ছাড়াও শাকিব খান, রিয়াজের মতো তারকা শিল্পীদের সঙ্গে তিনি কাজ করেন।

চলচ্চিত্রে নিয়মিত হয়েও শিল্পী সমিতির স্থায়ী সদস্যপদ হারিয়েছিলেন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার অভিনেত্রী রাইমা ইসলাম শিমু।  

সমিতির ভোটাধিকার হারানো ১৮৪ সদস্যের মধ্যে একজন তিনি। ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার আন্দোলনে শিমু ছিলেন সক্রিয়।

সোমবার শিমুর মরদেহ উদ্ধারের পর থেকে বিষয়টি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।  সে কারণে সোমবার রাত থেকেই গুজব ছড়ায়, ঘটনার সঙ্গে জায়েদ খান জড়িত থাকতে পারেন। 

এ বিষয়ে কথা জায়েদ খান বলেন, আমাকে ঘিরে প্রথম থেকেই নোংরামি হচ্ছে। কোনো সুযোগ পেলেই সেখানে আমার নাম জড়ায়। অথচ আমি দুই বছর ধরে শিল্পী সমিতির নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করছিলাম। এর মধ্যে তার সঙ্গে কখনোই আমার কথা হয় নি দেখাও হয় নি। অথচ অনেকে গুজব ছড়াচ্ছেন, আমার সঙ্গে ১২ তারিখে শিমুর ঝগড়া হয়েছিল। শিল্পীদের নিয়ে এমন নোংরামি বন্ধ করুন। এসব কারণে সামাজিকভাবে আমাদের হেয় হতে হয়। আমরা সংগঠন থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে কথা বলেছিলাম, তারা ঘটনা তদন্ত করছে। 

শিল্পী সমিতির সদ্য বিদায়ী কমিটির সভাপতি জনপ্রিয় অভিনেতা মিশা সওদাগর শিমুর পদ হারানোর কারণ ব্যাখ্যা করেছেন। 

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, শিমুর মৃত্যুতে আমি শোক প্রকাশ করছি। তিনি অনেক দিন ধরেই চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। তবে শিল্পী সমিতির সংবিধানের বিধি মেনেই তার সদস্যপদে পরিবর্তন আনা হয়েছিল।  নিয়ম অনুযায়ী টানা দুই বছর কোনো শিল্পী চলচ্চিত্রে কাজ না করলে তার সদস্যপদ স্থগিত করা হয়, স্থায়ী সদস্য থেকে সহযোগী সদস্য করা হয়।  শিমুর সদস্যপদও কিন্তু স্থগিত করা হয়নি। তাকে সহযোগী করা হয়েছে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : অভিনেত্রী শিমু হত্যা