নোটিশ ছাড়াই ১৮৪ জনকে সহযোগী সদস্যকরণ, হাইকোর্টের রুল
jugantor
নোটিশ ছাড়াই ১৮৪ জনকে সহযোগী সদস্যকরণ, হাইকোর্টের রুল

  অনলাইন ডেস্ক  

২১ জানুয়ারি ২০২২, ২০:৪৩:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

২৮ জানুয়ারি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ১৭তম এ নির্বাচন উপলক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণাও চালাচ্ছেন প্রার্থীরা। এরই মধ্যে কোনো ধরেনের নোটিশ ছাড়াই শিল্পী সমিতির ১৮৪ জন পূর্ণ সদস্যকে সহযোগী সদস্য করা হয়েছে। ফলে তারা ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন।

ওই সহযোগী সদস্যদের পক্ষ থেকে ১৬ জন তাদের পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ ফিরে পেতে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে ১১ জানুয়ারি শিল্পী সমিতির পুরোনো সদস্যদের সহযোগী সদস্য করা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সংশ্লিষ্টদের ১০ দিনের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

হাইকোর্টের বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. মাহমুদ হাসান তালুকদারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। রিটকারী আইনজীবী মো. মামুন অর রশিদ জানান, ওই ১৮৪ জনের মধ্যে ১৬ জন রিট আবেদন করেছিলেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট পূর্ণ সদস্য থেকে সহযোগী সদস্য করা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- সেই মর্মে জানতে চেয়ে ১০ দিনের রুল জারি করেন।

আইনজীবী জানান, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বিবার্ষিক ২০২২-২৩ মেয়াদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮ জানুয়ারি। এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চিত্রপাড়া সরগরম হয়ে উঠেছে। নির্বাচন কমিশন এরই মধ্যে একটি খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যায়, শিল্পী সমিতির ভোটার সংখ্যা ৪২৮ জন। তার মধ্যে ৪৮ জন আজীবন সদস্য। গঠনতন্ত্র অনুসারে যারা আজীবন সদস্য তারা ভোট দিতে পারলেও প্রার্থী হতে পারবেন না। কিন্তু অমীমাংসিত রয়ে গেছে সদস্য পদ স্থগিত হওয়া ১৮৪ জনের বিষয়টি।

তিনি বলেন, ২০১৮ সালে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ১৮৪ সদস্যকে পূর্ণ সদস্য থেকে সহযোগী সদস্য করার ঘটনা ঘটে। সমিতির ১৮৪ জন সদস্যকে কোনো যুক্তি, কারণ ও নোটিশ ছাড়াই পূর্ণ থেকে সহযোগী সদস্য করা হয়েছে। এর ফলে তারা তাদের ভোটাধিকার হারিয়েছেন। এটি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করা হলে আদালত ১০ দিনের রুল জারি করেছেন।

নোটিশ ছাড়াই ১৮৪ জনকে সহযোগী সদস্যকরণ, হাইকোর্টের রুল

 অনলাইন ডেস্ক 
২১ জানুয়ারি ২০২২, ০৮:৪৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

২৮ জানুয়ারি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ১৭তম এ নির্বাচন উপলক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণাও চালাচ্ছেন প্রার্থীরা। এরই মধ্যে কোনো ধরেনের নোটিশ ছাড়াই শিল্পী সমিতির ১৮৪ জন পূর্ণ সদস্যকে সহযোগী সদস্য করা হয়েছে। ফলে তারা ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন। 

ওই সহযোগী সদস্যদের পক্ষ থেকে ১৬ জন তাদের পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ ফিরে পেতে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে ১১ জানুয়ারি শিল্পী সমিতির পুরোনো সদস্যদের সহযোগী সদস্য করা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সংশ্লিষ্টদের ১০ দিনের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

হাইকোর্টের বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. মাহমুদ হাসান তালুকদারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। রিটকারী আইনজীবী মো. মামুন অর রশিদ জানান, ওই ১৮৪ জনের মধ্যে ১৬ জন রিট আবেদন করেছিলেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট পূর্ণ সদস্য থেকে সহযোগী সদস্য করা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- সেই মর্মে জানতে চেয়ে ১০ দিনের রুল জারি করেন।

আইনজীবী জানান, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বিবার্ষিক ২০২২-২৩ মেয়াদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮ জানুয়ারি। এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চিত্রপাড়া সরগরম হয়ে উঠেছে। নির্বাচন কমিশন এরই মধ্যে একটি খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যায়, শিল্পী সমিতির ভোটার সংখ্যা ৪২৮ জন। তার মধ্যে ৪৮ জন আজীবন সদস্য। গঠনতন্ত্র অনুসারে যারা আজীবন সদস্য তারা ভোট দিতে পারলেও প্রার্থী হতে পারবেন না। কিন্তু অমীমাংসিত রয়ে গেছে সদস্য পদ স্থগিত হওয়া ১৮৪ জনের বিষয়টি।

তিনি বলেন, ২০১৮ সালে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ১৮৪ সদস্যকে পূর্ণ সদস্য থেকে সহযোগী সদস্য করার ঘটনা ঘটে। সমিতির ১৮৪ জন সদস্যকে কোনো যুক্তি, কারণ ও নোটিশ ছাড়াই পূর্ণ থেকে সহযোগী সদস্য করা হয়েছে। এর ফলে তারা তাদের ভোটাধিকার হারিয়েছেন। এটি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করা হলে আদালত ১০ দিনের রুল জারি করেছেন।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন