ব্যতিক্রমী চরিত্রে সজল
jugantor
ব্যতিক্রমী চরিত্রে সজল

  বিনোদন প্রতিবেদক  

২৩ জুন ২০২২, ০৩:০২:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

বৈশাখী টেলিভিশনের সামাজিক গল্পের নতুন নাটক ‘আয়েশা’। এ নাটকে ভাড়াটে খুনি চরিত্রে দেখা যাবে আবদুর নূর সজলকে। এটি প্রচার হবে ২৩ জুন রাত ১০টায়। আনন জামানের রচনা ও চিত্রনাট্যে নাটকটি পরিচালনা করেছেন শদ্ধমান চৈতন। আরও অভিনয় করেছেন শামীমা নাজনীন, মিম মানতাসা, শামীম শান, সুজাত শিমুল, রাখাল সবুজ প্রমুখ।

নাটক নিয়ে লেখক আনন জামান বলেন, বাংলাদেশের কোনো এক গ্রাম। সেই গ্রামের এক মেম্বার শামীমা নাজনীন। প্রকাশ্যে সে জনপ্রতিনিধি হলেও আড়ালে সে একজন আন্ডারওয়ার্ল্ডের মাফিয়া। গ্রামের একজনকে খুন করার জন্য ভাড়াটে খুনি সজলকে নিয়ে আসে সে। অজানা-অচেনা আগন্তুককে দেখে গ্রামের লোকজন কানাঘুষা করেন। গ্রামের একের এক মানুষের সঙ্গে মিশে কিন্তু লোকজনের কৌতূহল বাড়তেই থাকে।

ওদিকে গ্রামের মেম্বার তাকে থ্রেট দেয়- তাকে যে জন্য আনা হয়েছে, সে কাজ করে দ্রুত এখান থেকে চলে যেতে বলে। যত টাকা তাকে দেওয়া হয়েছে লাগলে আরও দেওয়া হবে- খুনের কাজটি দ্রুত সারতে বলে তাকে। সজল খুনি হলেও তার একটা নীতি আছে। যাকে খুন করবে তার আদ্যোপান্ত জেনেই তাকে খুন করে। কোনো নিরীহ মানুষকে সে খুন করে না।

একদিন টার্গেট করে খুন করার জন্য ধরে নিয়ে যায়। খুন করবে ঠিক সেই মুহূর্তে জানতে পারে এক অজানা কাহিনি। মেম্বার শামীমা নাজনীনের ভাই তার বোনকে ধর্ষণ করে। বোনের প্রতিশোধ নিতেই সে ওই ধর্ষককে হত্যা করে। শুরু নাটকের নাটকীয়তা! এভাবেই নানা সাসপেন্স নিয়ে এগিয়ে চলে নাটকের কাহিনি।

ব্যতিক্রমী চরিত্রে সজল

 বিনোদন প্রতিবেদক 
২৩ জুন ২০২২, ০৩:০২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বৈশাখী টেলিভিশনের সামাজিক গল্পের নতুন নাটক ‘আয়েশা’। এ নাটকে ভাড়াটে খুনি চরিত্রে দেখা যাবে আবদুর নূর সজলকে। এটি প্রচার হবে ২৩ জুন রাত ১০টায়। আনন জামানের রচনা ও চিত্রনাট্যে নাটকটি পরিচালনা করেছেন শদ্ধমান চৈতন। আরও অভিনয় করেছেন শামীমা নাজনীন, মিম মানতাসা, শামীম শান, সুজাত শিমুল, রাখাল সবুজ প্রমুখ।

নাটক নিয়ে লেখক আনন জামান বলেন, বাংলাদেশের কোনো এক গ্রাম। সেই গ্রামের এক মেম্বার শামীমা নাজনীন। প্রকাশ্যে সে জনপ্রতিনিধি হলেও আড়ালে সে একজন আন্ডারওয়ার্ল্ডের মাফিয়া। গ্রামের একজনকে খুন করার জন্য ভাড়াটে খুনি সজলকে নিয়ে আসে সে। অজানা-অচেনা আগন্তুককে দেখে গ্রামের লোকজন কানাঘুষা করেন। গ্রামের একের এক মানুষের সঙ্গে মিশে কিন্তু লোকজনের কৌতূহল বাড়তেই থাকে।

ওদিকে গ্রামের মেম্বার তাকে থ্রেট দেয়- তাকে যে জন্য আনা হয়েছে, সে কাজ করে দ্রুত এখান থেকে চলে যেতে বলে। যত টাকা তাকে দেওয়া হয়েছে লাগলে আরও দেওয়া হবে- খুনের কাজটি দ্রুত সারতে বলে তাকে। সজল খুনি হলেও তার একটা নীতি আছে। যাকে খুন করবে তার আদ্যোপান্ত জেনেই তাকে খুন করে। কোনো নিরীহ মানুষকে সে খুন করে না। 

একদিন টার্গেট করে খুন করার জন্য ধরে নিয়ে যায়। খুন করবে ঠিক সেই মুহূর্তে জানতে পারে এক অজানা কাহিনি। মেম্বার শামীমা নাজনীনের ভাই তার বোনকে ধর্ষণ করে। বোনের প্রতিশোধ নিতেই সে ওই ধর্ষককে হত্যা করে। শুরু নাটকের নাটকীয়তা! এভাবেই নানা সাসপেন্স নিয়ে এগিয়ে চলে নাটকের কাহিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন