ঈদের নাটক ‘মায়ের বিয়ে’
jugantor
ঈদের নাটক ‘মায়ের বিয়ে’

  বিনোদন প্রতিবেদন  

২৮ জুন ২০২২, ০৪:১২:৩৭  |  অনলাইন সংস্করণ

দীপ্ত টিভির জন্য নির্মিত হলো ঈদের নাটক ‘মায়ের বিয়ে’। আল আমিন স্বপনের রচনায় নাটকটির চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন মামুন আব্দুল্লাহ। এতে অভিনয় করেছেন অর্চিতা স্পর্শিয়া, ইমতিয়াজ বর্ষণ, নাজাহ আলাইনা, দেবব্রত মিত্র, রেশমা, শেখ স্বপ্না। মামুন আব্দুল্লাহ একজন মেধাবী নির্মাতা। দীর্ঘদিন পর ঈদের নাটক নিয়ে ফিরলেন তিনি।

নাটকের গল্প নিয়ে বলতে গিয়ে মামুন আব্দুল্লাহ বলেন, মানবিকতার গল্পের নাটক মায়ের বিয়ে। নাটকের নামে অনেকে অবাক হলেও গল্পটা একটু অন্য ধরনের। আমাদের সমাজনির্ভর একটি গল্প। নাটকটি দর্শক দেখলেই সেটি বুঝতে পাবরে বলে আমি মনে করি। মায়ের বিয়ে! নামটা শুনে একটু অবাক লাগছে তাই না? গল্পটা একটু অবাক করে দেওয়ার মতোই।

তিনি আরও বলেন, গল্পের শুরুতেই দেখা যায়- রাজ্জাক সাহেবের একমাত্র মেয়ে তুশিকে পাত্রপক্ষ দেখতে এসেছে এবং এসেই আবিষ্কার করে তুশির অলরেডি একটি ছোট মেয়ে আছে। সে মেয়ে তাকে দিব্যি মা মা বলে ডাকছে। পাত্রপক্ষের চক্ষু চড়কগাছ। যে মেয়ের বাচ্চা আছে, তাকে কিনা বিয়ে দিতে চাচ্ছে রাজ্জাক সাহেব। পাত্রপক্ষ রাগ করে চলে যায় রাজ্জাক সাহেবের বাড়ি থেকে। এ রকম বেশ কয়েকবার বিয়ে ভাঙে তুশির। প্রতিবারই তুশির ছোট্ট মেয়েটিকে দেখে পাত্রপক্ষ বিমুখ হয়ে চলে যায়। তুশির মা-বাবা দুজনেই চিন্তিত হয়ে পড়েন মেয়েকে নিয়ে। এর মাঝেই একদিন তুশির মায়ের বান্ধবী নিজের ছেলের জন্য তুশিকে দেখতে আসেন। তুশির বাবা ও মা বুদ্ধি করে তুশির ছোট্ট মেয়ে দৃষ্টিকে সরিয়ে রাখেন। তুশিকে দেখে পছন্দ হয় পাত্র বন্ধন এবং তার মায়ের। দেখতে এসেই বন্ধনের জন্য তুশির হাতে আংটি পরিয়ে রাখা হয়। কিন্তু এই বিয়েও পরিণতি পাওয়ার আগে তুশির মেয়ে আছে এই কথা জেনে যায় বন্ধন ও তার মা। তারা চরম হতাশা প্রকাশ করে চলে যায়। তুশির বাবা ও মা আবারও মেয়েকে নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন।

তুশি বন্ধনকে ফোন করে দেখা করতে চায়। দেখা করে আসল ঘটনা খুলে বলে বন্ধনকে। ‘দৃষ্টি আসলে ওর নিজের মেয়ে না। একজন ছিন্নমূল শিশু। তুশি রেলস্টেশনে কুড়িয়ে পেয়েছিল তাকে। দৃষ্টির বয়স তখন মাত্র কয়েক মাস। ওর মা ওকে ফেলে নিরুদ্দেশ হয়েছিল। অতটুকু বাচ্চাকে স্টেশনে কাঁদতে দেখে বড় মায়া হয় তুশির, সঙ্গে করে নিয়ে আসে। সেই থেকেই ছোট্ট মেয়েটিকে বড় করছে তুশি। পিতামাতাহীন একটি শিশুর মা হওয়া কি অপরাধ? বন্ধনের কাছে এমন প্রশ্নই রাখে তুশি। এভাবেই নানা দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় নাটকের কাহিনি।

ঈদের নাটক ‘মায়ের বিয়ে’

 বিনোদন প্রতিবেদন 
২৮ জুন ২০২২, ০৪:১২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দীপ্ত টিভির জন্য নির্মিত হলো ঈদের নাটক ‘মায়ের বিয়ে’। আল আমিন স্বপনের রচনায় নাটকটির চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন মামুন আব্দুল্লাহ। এতে অভিনয় করেছেন অর্চিতা স্পর্শিয়া, ইমতিয়াজ বর্ষণ, নাজাহ আলাইনা, দেবব্রত মিত্র, রেশমা, শেখ স্বপ্না। মামুন আব্দুল্লাহ একজন মেধাবী নির্মাতা। দীর্ঘদিন পর ঈদের নাটক নিয়ে ফিরলেন তিনি। 

নাটকের গল্প নিয়ে বলতে গিয়ে মামুন আব্দুল্লাহ বলেন, মানবিকতার গল্পের নাটক মায়ের বিয়ে। নাটকের নামে অনেকে অবাক হলেও গল্পটা একটু অন্য ধরনের। আমাদের সমাজনির্ভর একটি গল্প। নাটকটি দর্শক দেখলেই সেটি বুঝতে পাবরে বলে আমি মনে করি। মায়ের বিয়ে! নামটা শুনে একটু অবাক লাগছে তাই না? গল্পটা একটু অবাক করে দেওয়ার মতোই।

তিনি আরও বলেন, গল্পের শুরুতেই দেখা যায়- রাজ্জাক সাহেবের একমাত্র মেয়ে তুশিকে পাত্রপক্ষ দেখতে এসেছে এবং এসেই আবিষ্কার করে তুশির অলরেডি একটি ছোট মেয়ে আছে। সে মেয়ে তাকে দিব্যি মা মা বলে ডাকছে। পাত্রপক্ষের চক্ষু চড়কগাছ। যে মেয়ের বাচ্চা আছে, তাকে কিনা বিয়ে দিতে চাচ্ছে রাজ্জাক সাহেব। পাত্রপক্ষ রাগ করে চলে যায় রাজ্জাক সাহেবের বাড়ি থেকে। এ রকম বেশ কয়েকবার বিয়ে ভাঙে তুশির। প্রতিবারই তুশির ছোট্ট মেয়েটিকে দেখে পাত্রপক্ষ বিমুখ হয়ে চলে যায়। তুশির মা-বাবা দুজনেই চিন্তিত হয়ে পড়েন মেয়েকে নিয়ে। এর মাঝেই একদিন তুশির মায়ের বান্ধবী নিজের ছেলের জন্য তুশিকে দেখতে আসেন। তুশির বাবা ও মা বুদ্ধি করে তুশির ছোট্ট মেয়ে দৃষ্টিকে সরিয়ে রাখেন। তুশিকে দেখে পছন্দ হয় পাত্র বন্ধন এবং তার মায়ের। দেখতে এসেই বন্ধনের জন্য তুশির হাতে আংটি পরিয়ে রাখা হয়। কিন্তু এই বিয়েও পরিণতি পাওয়ার আগে তুশির মেয়ে আছে এই কথা জেনে যায় বন্ধন ও তার মা। তারা চরম হতাশা প্রকাশ করে চলে যায়। তুশির বাবা ও মা আবারও মেয়েকে নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন।

তুশি বন্ধনকে ফোন করে দেখা করতে চায়। দেখা করে আসল ঘটনা খুলে বলে বন্ধনকে। ‘দৃষ্টি আসলে ওর নিজের মেয়ে না। একজন ছিন্নমূল শিশু। তুশি রেলস্টেশনে কুড়িয়ে পেয়েছিল তাকে। দৃষ্টির বয়স তখন মাত্র কয়েক মাস। ওর মা ওকে ফেলে নিরুদ্দেশ হয়েছিল। অতটুকু বাচ্চাকে স্টেশনে কাঁদতে দেখে বড় মায়া হয় তুশির, সঙ্গে করে নিয়ে আসে। সেই থেকেই ছোট্ট মেয়েটিকে বড় করছে তুশি। পিতামাতাহীন একটি শিশুর মা হওয়া কি অপরাধ? বন্ধনের কাছে এমন প্রশ্নই রাখে তুশি। এভাবেই নানা দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় নাটকের কাহিনি।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন