আলোচনায় ‘আগুন পাখি’
jugantor
আলোচনায় ‘আগুন পাখি’

  বিনোদন প্রতিবেদন  

০৯ আগস্ট ২০২২, ০২:২২:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

গত ১ আগস্ট থেকে দীপ্ত টিভিতে প্রচার শুরু হয়েছে দীর্ঘ ধারাবাহিক নাটক ‘আগুন পাখি’। কথাশিল্পী হাসান আজিজুল হকের উপন্যাস অবলম্বনে নাটকটি পরিচালনা করেছেন পারভেজ আমিন। নাটকটি প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে এবং পর দিন দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে নিয়মিত প্রচার হচ্ছে।

নাটকটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন মৌটুসী বিশ্বাস। অন্য চরিত্রগুলোতে অভিনয় করেছেন শহিদুজ্জামান সেলিম, গোলাম ফরিদা ছন্দা, আহছানুল হক মিনু, ইন্তেখাব দিনার, আজাদ আবুল কালাম, শম্পা রেজা, নাজনিন হাসান চুমকী, বৈশাখী প্রমুখ।

আমেনা শৈশবে মাতৃহারা হয়, তখন থেকেই এক মাতৃমূর্তি। মা হারানোর পর কোলে তুলে নেয় ছোট ভাইকে। মায়ের মমতায় লালন করে তাকে। মাতৃবিয়োগের পরে বাবা দ্বিতীয়বার বিয়ে করবেন। অজানা আশঙ্কায় কাঁপে মেয়েটির বুক- কেমন হবে সৎমা? সময়ের নিয়মে মেয়েটি তারুণ্যপ্রাপ্ত হয় এবং নিজের ইচ্ছে-অনিচ্ছের ঊর্ধ্বে গিয়ে বিয়ের জন্য প্রস্তুত হয়। সে জানে না কেমন হবে সেই নতুন সংসার? এসে পৌঁছায় একান্নবর্তী সম্পন্ন শ্বশুরবাড়িতে। এর মধ্যে ঘটে গেছে ইংরেজ সরকারের প্ররোচনায় অসফল বঙ্গভঙ্গের ঘটনা।

সেই আঁচ কিছু এসেছে এদের জীবনে। কিন্তু ভাঙনকাল শুরু হয়নি। স্বাধীনতা সংগ্রামে যোগ দিতে গিয়ে মেয়েটির কিশোর বয়সি প্রথম পুত্রসন্তান মৃত্যুবরণ করে। এই শোক নতুন মানুষ হিসেবে তৈরি করে কাহিনির নায়িকাকে। দেশ তথা পৃথিবীজুড়ে চলছে এক অশান্ত পরিম-ল। আমেনা সাক্ষী হয় দুই বিশ্বযুদ্ধের। তার আঁচ এসে লাগে না সরাসরি কিন্তু বদলে যায় জীবনগুলো। নাটকটি এরই মধ্যে দর্শকের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছে।

আলোচনায় ‘আগুন পাখি’

 বিনোদন প্রতিবেদন 
০৯ আগস্ট ২০২২, ০২:২২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গত ১ আগস্ট থেকে দীপ্ত টিভিতে প্রচার শুরু হয়েছে দীর্ঘ ধারাবাহিক নাটক ‘আগুন পাখি’। কথাশিল্পী হাসান আজিজুল হকের উপন্যাস অবলম্বনে নাটকটি পরিচালনা করেছেন পারভেজ আমিন। নাটকটি প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে এবং পর দিন দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে নিয়মিত প্রচার হচ্ছে।

নাটকটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন মৌটুসী বিশ্বাস। অন্য চরিত্রগুলোতে অভিনয় করেছেন শহিদুজ্জামান সেলিম, গোলাম ফরিদা ছন্দা, আহছানুল হক মিনু, ইন্তেখাব দিনার, আজাদ আবুল কালাম, শম্পা রেজা, নাজনিন হাসান চুমকী, বৈশাখী প্রমুখ।

আমেনা শৈশবে মাতৃহারা হয়, তখন থেকেই এক মাতৃমূর্তি। মা হারানোর পর কোলে তুলে নেয় ছোট ভাইকে। মায়ের মমতায় লালন করে তাকে। মাতৃবিয়োগের পরে বাবা দ্বিতীয়বার বিয়ে করবেন। অজানা আশঙ্কায় কাঁপে মেয়েটির বুক- কেমন হবে সৎমা? সময়ের নিয়মে মেয়েটি তারুণ্যপ্রাপ্ত হয় এবং নিজের ইচ্ছে-অনিচ্ছের ঊর্ধ্বে গিয়ে বিয়ের জন্য প্রস্তুত হয়। সে জানে না কেমন হবে সেই নতুন সংসার? এসে পৌঁছায় একান্নবর্তী সম্পন্ন শ্বশুরবাড়িতে। এর মধ্যে ঘটে গেছে ইংরেজ সরকারের প্ররোচনায় অসফল বঙ্গভঙ্গের ঘটনা। 

সেই আঁচ কিছু এসেছে এদের জীবনে। কিন্তু ভাঙনকাল শুরু হয়নি। স্বাধীনতা সংগ্রামে যোগ দিতে গিয়ে মেয়েটির কিশোর বয়সি প্রথম পুত্রসন্তান মৃত্যুবরণ করে। এই শোক নতুন মানুষ হিসেবে তৈরি করে কাহিনির নায়িকাকে। দেশ তথা পৃথিবীজুড়ে চলছে এক অশান্ত পরিম-ল। আমেনা সাক্ষী হয় দুই বিশ্বযুদ্ধের। তার আঁচ এসে লাগে না সরাসরি কিন্তু বদলে যায় জীবনগুলো। নাটকটি এরই মধ্যে দর্শকের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন