আলোচনায় আরশ খান
jugantor
আলোচনায় আরশ খান

  বিনোদন প্রতিবেদন  

১২ আগস্ট ২০২২, ০৪:৫৬:৩৭  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশের টিভি নাটকে নতুন একটি প্রজন্মের শিল্পীদের যে একটা জয়জয়কার চলছে, সেই জয়জয়কারের অন্যতম অভিনেতা আরশ খান। তার অভিনীত নাটকগুলোর প্রতি দর্শকের যেমন আগ্রহ তৈরি হচ্ছে ঠিক তেমনি নাট্যনির্মাতারাও আরশ খানকে নিয়ে নাটক নির্মাণের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

আরশ খান অভিনীত যে নাটকটি মূলত তাকে অভিনেতা হিসেবে আলোচনায় নিয়ে আসে, তা হলো সকাল আহমেদ পরিচালিত ‘রাখাল বালিকা’ নাটকটি। এতে আরশের বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন সামিরা খান মাহি।

এর পর আরশ অভিনীত সাইফুল হাফিজ খানের ‘লাভ টর্চার’, নাজমুল ইসলামের ‘থ্রি পিচ’, ‘ ইমরাউল রাফাতের ‘কিউটের ডিব্বা’, মাবরুর রশীদ বান্নাহর ‘প্রথম প্রেমের গল্প’,‘ জুলফিকার ইসলাম শিশিরের ‘অভিমানী তুমি ঘাড়ত্যাড়া আমি’, সকাল আহমেদের ‘ছেলে মানুষী’, নাজমুল হাসানের ‘দিওয়ানা মাস্তানা’ নাটকগুলো তাকে অভিনেতা হিসেবে আলোচনায় নিয়ে আসে।

আরশ খান এরই মধ্যে আরও ভালো গল্পের চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয় করেছেন। নিজেকে নিয়ে কী ভাবছেন আরশ খান, এমন প্রশ্নের জবাবে আরশ খান বলেন,‘ একজন অভিনেতা হিসেবে চরিত্র নিয়ে, অভিনয় নিয়ে আগে কনফিউজড থাকতাম। কিন্তু এখন তা নেই।

এখন সাবলীলভাবে অভিনয় করার চেষ্টা করি। তবে এখন কনফিডেন্সের পাশাপাশি কিছুটা শঙ্কায় থাকি এ কারণেই যে, যখন অভিনয় করি তখন সিনিয়রদের কথা মাথায় আসে এখানে মোশাররফ করিম ভাইয়া বা আফরান নিশো ভাইয়া হলে তো উড়িয়ে দিতেন। আমাকে ঠিক এমন ভালো করতে হবে। তবে এটি সত্যি, তারা আজকের অবস্থানে আসার পেছনে অনেক সময় দিয়েছেন, আমাকেও সেই সময়টা দিতে হবে। অভিনেতা হিসেবে আমি এখনো কিছুই না। আমাকে একটা জার্নির মধ্য দিয়ে যেতে হবে। আমি সেই জার্নির মধ্যেই আছি, নিজেকে তৈরি করছি। আর সবাই তো সহযোগিতা করছেনই।’

আরশ জানান, এখন তার অভিনীত নাটকগুলোর জন্য প্রতিনিয়তই তিনি বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছেন। সিনেমাতে অভিনয়েরও প্রস্তাব পাচ্ছেন তিনি। তবে আরশের কথা একটিই- সিনেমাতে অভিনয়ের জন্য তিনি যখন নিজেকে পুরোপুরি প্রস্তুত করতে পারবেন, তখনই তিনি সিনেমায় অভিনয় করবেন। মূলকথা হলো- সিনেমায় আরও যারা অভিনয় করবেন, তাদের সঙ্গে যেন সমানতালে অভিনয়টা করে যেতে পারেন। ইমরাউল রাফাতের পরিচালনায় ‘গ্যাং’ নাটকে তিনি প্রথম অভিনয় করেন।

আলোচনায় আরশ খান

 বিনোদন প্রতিবেদন 
১২ আগস্ট ২০২২, ০৪:৫৬ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশের টিভি নাটকে নতুন একটি প্রজন্মের শিল্পীদের যে একটা জয়জয়কার চলছে, সেই জয়জয়কারের অন্যতম অভিনেতা আরশ খান। তার অভিনীত নাটকগুলোর প্রতি দর্শকের যেমন আগ্রহ তৈরি হচ্ছে ঠিক তেমনি নাট্যনির্মাতারাও আরশ খানকে নিয়ে নাটক নির্মাণের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করছেন। 

আরশ খান অভিনীত যে নাটকটি মূলত তাকে অভিনেতা হিসেবে আলোচনায় নিয়ে আসে, তা হলো সকাল আহমেদ পরিচালিত ‘রাখাল বালিকা’ নাটকটি। এতে আরশের বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন সামিরা খান মাহি। 

এর পর আরশ অভিনীত সাইফুল হাফিজ খানের ‘লাভ টর্চার’, নাজমুল ইসলামের ‘থ্রি পিচ’, ‘ ইমরাউল রাফাতের ‘কিউটের ডিব্বা’, মাবরুর রশীদ বান্নাহর ‘প্রথম প্রেমের গল্প’,‘ জুলফিকার ইসলাম শিশিরের ‘অভিমানী তুমি ঘাড়ত্যাড়া আমি’, সকাল আহমেদের ‘ছেলে মানুষী’, নাজমুল হাসানের ‘দিওয়ানা মাস্তানা’ নাটকগুলো তাকে অভিনেতা হিসেবে আলোচনায় নিয়ে আসে। 

আরশ খান এরই মধ্যে আরও ভালো গল্পের চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয় করেছেন। নিজেকে নিয়ে কী ভাবছেন আরশ খান, এমন প্রশ্নের জবাবে আরশ খান বলেন,‘ একজন অভিনেতা হিসেবে চরিত্র নিয়ে, অভিনয় নিয়ে আগে কনফিউজড থাকতাম। কিন্তু এখন তা নেই। 

এখন সাবলীলভাবে অভিনয় করার চেষ্টা করি। তবে এখন কনফিডেন্সের পাশাপাশি কিছুটা শঙ্কায় থাকি এ কারণেই যে, যখন অভিনয় করি তখন সিনিয়রদের কথা মাথায় আসে এখানে মোশাররফ করিম ভাইয়া বা আফরান নিশো ভাইয়া হলে তো উড়িয়ে দিতেন। আমাকে ঠিক এমন ভালো করতে হবে। তবে এটি সত্যি, তারা আজকের অবস্থানে আসার পেছনে অনেক সময় দিয়েছেন, আমাকেও সেই সময়টা দিতে হবে। অভিনেতা হিসেবে আমি এখনো কিছুই না। আমাকে একটা জার্নির মধ্য দিয়ে যেতে হবে। আমি সেই জার্নির মধ্যেই আছি, নিজেকে তৈরি করছি। আর সবাই তো সহযোগিতা করছেনই।’ 

আরশ জানান, এখন তার অভিনীত নাটকগুলোর জন্য প্রতিনিয়তই তিনি বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছেন। সিনেমাতে অভিনয়েরও প্রস্তাব পাচ্ছেন তিনি। তবে আরশের কথা একটিই- সিনেমাতে অভিনয়ের জন্য তিনি যখন নিজেকে পুরোপুরি প্রস্তুত করতে পারবেন, তখনই তিনি সিনেমায় অভিনয় করবেন। মূলকথা হলো- সিনেমায় আরও যারা অভিনয় করবেন, তাদের সঙ্গে যেন সমানতালে অভিনয়টা করে যেতে পারেন। ইমরাউল রাফাতের পরিচালনায় ‘গ্যাং’ নাটকে তিনি প্রথম অভিনয় করেন। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন