অশ্লীলতা-সমকামিতায় নিষিদ্ধ হয় যেসব ছবি!

প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০১৮, ১২:০১ | অনলাইন সংস্করণ

  যুগান্তর ডেস্ক

ছবি- সংগৃহীত

অশ্লীলতা, সমকামী, যৌনতা ও ‘অতিরিক্ত’ হিংসাত্মক দৃশ্যের অভিযোগে ভারতীয় বেশ কয়েকটি সিনেমাতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল দেশটির সেন্সর বোর্ড।

অবশ্য কিছুদিন পর নিষিদ্ধ হওয়া কয়েকটি ছবি মুক্তি পেলেও অন্যগুলো আলোর মুখ দেখেনি। এরকম কিছু সিনেমার নাম নিম্নে দেয়া হল:

পিঙ্ক মিরর : শ্রীধর রঙ্গায়নের সিনেমাটিতে সমকামিতা দেখানোয় ২০০৩ সালে নিষিদ্ধ হয় ছবিটি। এখনও তা জারি রয়েছে। তবে বেশ কিছু চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হওয়ায় পর পুরস্কারও জিতে নেয় গুলাবি আয়না।আনফ্রিডম : উভকামী একজন পুরুষের কাহিনী দিয়ে তৈরি হয় এ সিনেমাটি। লেসবিয়ান দুই নারীর সম্পর্কও ছিল। তবে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার আশঙ্কা ও বিভিন্ন যুক্তিতে ২০১৫ সালে রাজ অমিত কুমার পরিচালিত ছবিটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে সেন্সর বোর্ড।

ব্ল্যাক ফ্রাইডে : মুম্বাই বোমা হামলার ওপর ভিত্তি করে ছবিটি নির্মাণ করেন পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ। তখন এই বোমা বিস্ফোরণ নিয়ে মামলা চলছিল। ফলে এর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

ফায়ার : দুই নারীর মধ্যে সমকামিতার সম্পর্ক দেখানো হয়েছিল এতে। শাবানা আজমি ও নন্দিতা দাশকে প্রাণনাশের হুমকিও দেয়া হয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ধর্মীয় গোষ্ঠীর আপত্তিতে মুক্তির পরে নিষিদ্ধ করা হয় ছবিটি।

ব্যান্ডিট কুইন : যৌনদৃশ্য,  শেখর কাপুরের ছবিটি ফুলন দেবীর জীবন নিয়ে নির্মিত। অশ্লীল ভাষার ব্যবহারের কারণে দিল্লি হাইকোর্ট ছবির মুক্তি ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। ছবি নিয়ে আপত্তি তুলেছিলেন ফুলন দেবীও। যদিও কান চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হয়েছিল এটি।

ইনসাল্লাহ ফুটবল : কাশ্মীরে এক তরুণ ফুটবলারের বেড়ে ওঠা, সেনাবাহিনীর আচরণ ইত্যাদি বিতর্কিত যুক্তিতে ছবিটি মুক্তি পায়নি।

ইউআরএফ প্রফেসর : আপত্তিকর দৃশ্য ও অশ্লীল ভাষার কারণ দেখিয়ে সিনেমাটি নিষিদ্ধ করা হয়। ডার্ক কমেডি ঘরানার এই ছবি দেশের বাইরে অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছে।

কামসূত্র : দেশের বাইরে পুরস্কৃত হলেও ছবিটি ভারতে মুক্তি পায়নি। অতিরিক্ত যৌন দৃশ্য ব্যবহারের কারণে নিষেধাজ্ঞা জারি করে সেন্সর বোর্ড।

সিনস : অতিরিক্ত যৌনদৃশ্যের কারণে ছবিটি আটকে যায় সেন্সর বোর্ডে। বিনোদ পাণ্ডের ছবিটি কেরালার একজন যাজকের সঙ্গে এক নারীর সম্পর্কের কাহিনী। ক্যাথলিক সম্প্রদায় ছবিটি নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানায়। 

ছত্রাক : ২০১১ সালে অতিরিক্ত যৌনদৃশ্যের ব্যবহার ও নগ্নতার কারণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় বিমুক্তি জয়সুন্দর পরিচালিত বাংলা ছবিটির ওপর। বিতর্ক তৈরি হয় পাওলি দামের চরিত্রায়ন নিয়েও।

আমু : ১৯৮৪ সালের শিখবিরোধী দাঙ্গার ঘটনার ওপরে নির্মিত এই সিমেনা। মুখ্য ভূমিকায় ছিলেন কঙ্কনা সেন শর্মা।