সুপারির খোলে ইমরানের জয়গান

  যুগান্তর ডেস্ক ১৮ নভেম্বর ২০১৮, ১১:২৮ | অনলাইন সংস্করণ

সুপারির খোলে ইমরানের জয়গান
সুপারির খোলে তৈরি তৈজসপত্র

সুপারির খোল দিয়ে পরিবেশবান্ধব বাসন তৈরি করছেন খুলনার মো. ইমরান হোসেন।

তৈরি করছেন ট্রে, প্লেট ও বাটির মতো নানারকম তৈজসপত্র। সুপারি খোলের এসব তৈজসপত্র ঢাকার কয়েকটি কোম্পানিসহ জাপানে রফতানি হচ্ছে।

খুলনার ছেলে হলেও মো. ইমরান হোসেনের জন্ম টাঙ্গাইলে। বাবার সরকারি চাকরির সুবাদে খুলনায় থাকছেন তিনি।

সুপারির খোল দিয়ে পণ্য তৈরির অভিনব চিন্তা মাথায় কী করে এলো সেই প্রশ্নে ইমরান হোসেন জানান, ২০১৬ সালে ভারতের তামিলনাড়ুতে গিয়ে সুপারির খোলের এমন বাসন-কোসনের ব্যবহার দেখে অভিভূত হন।

দেশে ফিরেই এ কাজে মনোনিবেশ করেন। এর জন্য তিনি ২০১৭ সালে তামিলনাড়ু থেকে বাসন তৈরির মেশিনও কিনে আনেন।

তবে কাজটি এত সহজে হয়ে যায়নি বলে জানান ইমরান।

তৈজসপত্র তৈরিতে সংগৃহীত কাঁচামাল সুপারির খোল

ঢাকায় স্নাতক ও কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতকোত্তর শেষ করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ৯ বছর ধরে চাকরিও করেন তিনি।

হঠাৎ তার চিন্তায় চলে আসে যে, তিনি অন্যের চাকরি না করে বরং অন্যকে চাকরি দেবেন।

যা ভাবা তাই কাজ। সুপারির জন্য বিখ্যাত পিরোজপুর ও বাগেরহাটে খোঁজ নিতে থাকেন ইমরান। সেখান থেকে সুপারির খোল সংগ্রহ করতে থাকেন।

তামিলনাড়ু থেকে আনা বাসন তৈরির মেশিন দিয়ে ২০১৭ সালে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ভাগা নামক গ্রামে বাসন তৈরির কারখানা স্থাপন করেন।

এর আগে মাঠপর্যায়ে জরিপ করেন তিনি। সুপারির খোলের বাসনকে মানুষ কীভাবে গ্রহণ করবে সে বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করেন।

তার এ প্রোজেক্টে কাছের এক বড় ভাই বিনিয়োগ করেন বলে জানান ইমরান।

সেই টাকা দিয়েই প্রোডাকশনের কাজে হাত দেন তিনি। ইমরানের কারখানায় এখন তার সঙ্গে নিয়মিত কাজ করছেন ৪-৫ জন। পার্ট টাইমার হিসেবে রয়েছেন আরও ৪-৫ জন।

ব্যবসা কেমন চলছে ইমরানের?

তিনি জানান, ‘ফ্যাক্টরি বড় করার কাজ শুরু করেছি। অনলাইন মার্কেটিং ও পরিচিতদের মধ্যে মার্কেটিং করছি। আগামীতে অনেক দূর যেতে চাই। পরিবেশবান্ধব আরও কিছু প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করব। দেশে ও দেশের বাইরের মার্কেটে কাজ করতে চাই।’

সুপারির খোলের পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে জানিয়ে নতুনদের এ ব্যবসায় আসতে উদ্বুদ্ধ করছেন ইমরান হোসেন।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
×