২৩ ফেব্রুয়ারি: হাসতে নেই মানা

  যুগান্তর ডেস্ক ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১০:২৫ | অনলাইন সংস্করণ

২৩ ফেব্রুয়ারি: হাসতে নেই মানা

* জোকস-১

হাসপাতালে অপারেশন থিয়েটার প্রস্তুত। যার অপারেশন হবে সেই নারীকে চিকিৎসক জিজ্ঞেস করলেন-

চিকিৎসক : আপনার বয়স কত?

রোগী : ২৮ বছর।

চিকিৎসক : ডাক্তারের কাছে বয়স লুকোতে নেই।

রোগী : ৩২ বছর।

চিকিৎসক : অ্যানেসথেসিয়ার জন্য প্রকৃত বয়স জানা খুবই জরুরি! না হলে পরে সমস্যা হবে আপনার।

রোগী : ৩৭ বছর সর্বোচ্চ।

চিকিৎসক : বয়সের তুলনায় ওষুধের মাত্রা কম হলে আপনি ব্যথা পাবেন; বেশি হলে কিডনি অ্যাফেক্ট হতে পারে।

রোগী : ৪২ বছরের একটুও বেশি না ডাক্তার।

চিকিৎসক : আমার সন্দেহ হচ্ছে, আরেকবার ভেবে বলুন, প্লিজ!

রোগী : খোদার কসম! ৪৮ বছর! এইবার মইরা গেলে যামু, কিন্তু আর একদিনও বাড়াইতে পারুম না।

* জোকস-২

মা: বাজার থেকে ফিরতে এতো দেরি হলো কেন?

শামসু: একটা কুকুর উল্টো দিকে ধাওয়া করেছিলো তাই।

মা: বাজারের ব্যাগটা কই?

শামস: ভয়ে ব্যাগটা কুকুরের দিকে ছুড়ে মেরেছি, তারপরও কুকুরটা ধাওয়া করছিলো।

মা: রাস্তার পাশ থেকে পাথর ছুড়ে মারলে না কেন?

শামস: পাথর মেরেছি তো…

মা: কখন? পাথর মারার পর কী হলো?

শামস: আমি যখন পাথর ছুড়ে মারলাম; তখন কুকুরটা ঘুমাচ্ছিলো। এরপর ঘুম ভেঙে কুকুরটা আমাকে ধাওয়া করতে লাগলো।

* জোকস-৩

একবার এক মেয়ে তার বয়ফ্রেন্ডের সাথে ঝগড়া করে চুপচাপ বসে ছিল। ঠিক তখনই তার পাশ দিয়ে ইচ্ছা পূরণের দেবতা যাচ্ছিল। মেয়েটিকে দেখে তার মায়া হলো। কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করল-

দেবতা: কি হয়েছে মা তোমার, আমি ইচ্ছা পূরণের দেবতা। আমি তোমার একটা ইচ্ছা পূরণ করতে পারবো। বলো কি চাও তুমি?

মেয়ে: বাবা, আমি আমার বয়ফ্রেন্ডকে খুন করতে চাই।

দেবতা: এই পিস্তল দিয়ে তুমি তোমার বয়ফ্রেন্ডকে মেরে আসো, ১ মিনিটের মধ্যে সে মারা যাবে।

মেয়ে: না, আমি আমার বয়ফ্রেন্ডকে এতো সহজ মৃত্যু দিতে চাই না, ওকে কষ্ট দিয়ে মারতে চাই।

দেবতা: এই নাও রশি, ওকে তুমি গলায় ফাঁসি দিয়ে মেরে ফেলো। ও কষ্ট পেতে পেতে ৫ মিনিটের মধ্যে মারা যাবে।

মেয়ে: না বাবা, আমি এমনভাবে কষ্ট দিতে চাই যাতে ও মরবেও না আর সারাজীবন কষ্ট পেতে থাকবে।

দেবতা: তাইলে তুমি ওকে বিয়ে করে ফেলো!

* জোকস-৪

এক ছেলে তার প্রেমিকার জন্মদিনে দেশে থাকবে না। তাই সে তার প্রেমিকার জন্য কিছু ফুলের তোড়া অর্ডার দিয়ে বলল জন্মদিনের দিন পাঠিয়ে দিতে।

তোড়াগুলো যথারীতি পাঠানো হলো। কিন্তু এরপর তাদের সম্পর্ক আর টিকলো না।

কারণ জন্মদিনে প্রেমিকার বয়স যত বছর, ততগুলো ফুলের তোড়া পাঠানোর কথা ছিল। কিন্তু যে দোকানে অর্ডার দেয়া হয়েছিল তার মালিক ছিল এক মহিলা।

সেই মহিলারা তার দোকান থেকে একসাথে এতগুলো ফুলের তোড়া নেওয়ায় খুশি হয়ে ১০টি ফুলের তোড়া ফ্রি দিয়ে মোট ৩৪টি তোড়া পাঠালেন।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×