২০ মার্চ: হাসতে নেই মানা

  যুগান্তর ডেস্ক ২০ মার্চ ২০১৯, ০৬:৩৮ | অনলাইন সংস্করণ

২০ মার্চ: হাসতে নেই মানা
ছবি: সংগৃহীত

* জোকস-১

সেলুনে চুল কাটাতে গেছেন এক নেতা। নাপিত কাঁচি চালাতে চালাতে বলছেন, ‘স্যার, শুনলাম জনগণ নাকি আপনার ওপর খুব খ্যাপা। যেকোনো দিন আপনার বাড়িতে হামলা চালাইবে! আপনি নাকি ঘুষের টাকা দিয়ে সম্পদের পাহাড় বানাইছেন।’

নেতা ধমক দিকে বললেন, ‘এই ব্যাটা, চুপ থাক।’

পরদিন নাপিতের কাছে চুল কাটাতে এলেন এক সরকারি কর্মকর্তা। নাপিত তার চুল কাটতে কাটতে বললেন, ‘স্যার, আপনি নাকি দুর্নীতি করেন! গোয়েন্দারা নাকি আপনারে খুঁজতেছে!’

সরকারি কর্মকর্তাও নাপিতকে ধমক দিয়ে চুপ করালেন।

কয়দিন বাদেই নাপিতের দোকান ঘেরাও করলো পুলিশ। নাপিতকে আটক করে বলল, ‘এই ব্যাটা, তুই নাকি তোর কাস্টমারদের আজেবাজে কথা বলিস? তোর উদ্দেশ্য কী?’

নাপিত আমতা আমতা করে বললেন, ‘স্যার! এসব কথা বললে ভয়ে ওনাদের চুল খাড়া হয়ে যায়। আমার চুল কাটতে সুবিধা হয়। তাই বলি!’

* জোকস-২

মাথায় খাঁচাভর্তি মুরগি নিয়ে বাজারে যাচ্ছিল এক কৃষকের ছেলে। এমন সময় খাঁচাটি মাথা থেকে পড়ে ভেঙে গেল, মুরগিগুলোও ছাড়া পেয়ে সব এদিক-ওদিক ছোটাছুটি শুরু করলো। বহু কষ্টে সবগুলো মুরগি ধরে খাঁচার ভেতরে ঢুকালো সে। ভয়ে ভয়ে বাড়ি ফিরলো। কৃষক বললেন, ‘কী রে, ফিরে এলি কেন?’

কৃষক পুত্র: ইয়ে মানে, আব্বা, যাওয়ার পথে খাঁচাটা ভেঙে মুরগিগুলো বেরিয়ে গিয়েছিল। অবশ্য আমি ১১টা মুরগিই ধরে ফেলেছি, কোনোটাই পালাতে পারেনি।

কৃষক: সাবাস ব্যাটা! তুই সাতটা মুরগি নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলি!

* জোকস-৩

এক নেতা ভোট চাইতে ভোটারের কাছে গেছেন-

নেতা: চাচা, কথা দিন, ভোটটা আমাকেই দেবেন।

ভোটার: কিন্তু ভাতিজা, আমি যে আরেকজনকে ভোট দেবো বলে কথা দিয়ে ফেলছি।

নেতা: তাতে কী? কথা দিলেই যে কথা রাখতে হবে, তা তো নয়।

ভোটার : তাইলে ভাতিজা তোমারেও কথা দিলাম।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×