১৩ জানুয়ারি: হাসতে নেই মানা

  যুগান্তর ডেস্ক ১৩ জানুয়ারি ২০২০, ০৯:৫২:১০ | অনলাইন সংস্করণ

* জোকস-১

প্রেমিকার বাড়ির সামনে প্রেমিকাকে ড্রপ করার সময় সামনে পড়ল প্রেমিকার বাবা। বাবা জিজ্ঞেস করলেন-

বাবা: ছেলেটা কেডা?

প্রেমিকা: আব্বা, পাঠাও চালক।

প্রেমিক: দিন একশ’ টাকা দিন।

টাকা নিয়ে যেতে যেতে প্রেমিক ভাবলো, কিছুক্ষণ আগে ফুচকার দোকানে খরচ করা একশ’ টাকা সুদে-আসলে ফেরত পেলো।

দুদিন পরে পার্কে হাতে হাত ধরে হাটছিল ওই প্রেমিক-প্রেমিকা। আর তা দেখে ফেললেন প্রেমিকার বাবা।

বাবা: মানে কী? এই ছেলে কে চেনা চেনা লাগছে?

প্রেমিকা: আব্বা, উনি হাটাও সার্ভিস থেকে। ইয়ে মানে আমাকে হাঁটাচ্ছে।

* জোকস-২

এক নারী বাজারে গিয়ে দেখলেন হরিণের মাংস বিক্রি হচ্ছে। তিনি লোভ সামলাতে না পেরে ১ কেজি কিনে ফেললেন। বাড়ি এসে গুছিয়ে রান্না করে স্বামী ও ২ ছেলেকে নিয়ে একসাথে খেতে বসলেন। খেতে খেতে বড় ছেলে বলল-

বড় ছেলে: বাহ, মাংসটা তো দারুণ লাগছে। এমন স্বাদ আগে পাইনি। এটা কিসের মাংস মা?

মা: আমি বলব না, তোরা ভেবে বল কিসের মাংস। দেখি তোরা বলতে পারিস কিনা? যে পারবে তাকে আরও ২ পিস দেব।

স্বামী: সত্যিই ভীষণ সুস্বাদু মাংসটা, কিন্তু আমিও বুঝতে পারছি না। কিছু একটা ক্লু পেলে চেষ্টা করতে পারি।

নারী: ঠিক আছে একটা সংকেত দিচ্ছি। শোন, আমি তোদের বাবাকে প্রায়ই যে নামে ডাকি, তার সাথে মিল আছে।

ছোট ছেলে: ভাইয়া রে, একদম খাস না! এটা কুত্তার মাংস!

* জোকস-৩

এক নেতা একটি দামি রেস্টুরেন্টে খেতে গেছে। একপর্যায়ে শেফ এসে জিজ্ঞেস করলো-

শেফ: স্যার, আলু-মাংসের ডিশটা কেমন লেগেছে?

নেতা: কিভাবে বলি? এই ডিশে ছিল আলুর নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা আর মাংস ছিল দুর্বল বিরোধী দলের মতো।

আরও খবর

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত