আজ ডায়াবেটিক সেবা দিবস

  যুগান্তর ডেস্ক    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৪:৩৯ | অনলাইন সংস্করণ

আজ ডায়াবেটিক সেবা দিবস

আজ ডায়াবেটিক সেবা দিবস। জাতীয় অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম মৃত্যুবরণের দিনের স্মরণে এ দিবসটি পালন করা হয়ে থাকে।

১৯৮৯ সালের এইদিনে জাতীয় অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম মৃত্যুবরণ করেন।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসা উপলক্ষে এ রোগের আধুনিকতম গবেষণার সঙ্গে ক্লিনিক্যাল চিকিৎসার বাস্তব প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার পথিকৃৎ ডা. ইব্রাহিম ।

ঢাকার সেগুনবাগিচাতে নিজস্ব চিকিৎসা কক্ষে এবং ব্যক্তিগত যন্ত্রপাতি দিয়ে তিনি ডায়াবেটিক চিকিৎসার সূচনা করেছিলেন।

এ রোগ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। শুধু তাতেই থেমে থাকেন নি এ চিকিৎসক। এটিকে একাধারে গবেষণা ও গবেষণা ফলাবর্তনানুসারী ক্লিনিক্যাল চিকিৎসার উপায় ও উপলক্ষ নির্মাণ করেছিলেন, প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিলেন।

প্রাথমিকভাবে মাত্র ২৩ জন রোগীর ওপর গবেষণা ও তাদের চিকিৎসা অগ্রগতি তথা তাদের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের মাত্রা ও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা তিনি চালু করেছিলেন।

পরে রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেলে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও অন্যান্য চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় ও সমঝোতার মাধ্যমে রোগী রেফার করে চিকিৎসা করতেন।

১৯৮২ সালে যে বিশাল স্থাপনা ক্রমান্বয়ে গড়ে ওঠে, তা পরে ইব্রাহিম সেন্টার তথা অধুনা বারডেম নামে সুনাম ও সুখ্যাতি অর্জন করে।

সেখানে তিনি ডায়াবেটিক চিকিৎসাকে সহযোগী রোগভিত্তিক (চোখ, লিভার, কিডনি, হার্ট, হাইপারটেনশন, ইএনটি, দাঁত প্রভৃতি) ক্ষেত্রেও সাধারণ চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তুলেন।

শুধু বারডেমের আউটডোরে বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে প্রায় পাঁচ হাজার ডায়াবেটিস রোগী বিনামূল্যে ল্যাব টেস্ট ও চিকিৎসা পরামর্শ পেয়ে আসছেন।

ডায়াবেটিক সমিতি প্রতিষ্ঠার পেছনে তার একটি বিশেষ যুক্তি ছিল, যেহেতু ডায়াবেটিস প্রায় সারাজীবনের রোগ, এটা কোনো ডাক্তারের পক্ষে নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষে ভালো করে দেওয়া সম্ভব নয়।

ডায়াবেটিস হলে শরীরে প্রয়োজনীয় ইনসুলিনের মাত্রা কমে যায়, শরীর ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না, প্রস্রাবের সঙ্গে শর্করা বেরিয়ে যায়। এতে রোগী দুর্বল হয় ও ধীরে ধীরে শরীরের অন্যান্য অঙ্গেও ছড়িয়ে যায়।

ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় বিক্ষিপ্তভাবে, অনিয়মিত অবসরে প্রেসক্রিপশন প্রদানের কোনো ব্যবস্থা নেই। সবকিছুই গাইড বইয়ে রেকর্ড করার সুন্দর ব্যবস্থা রয়েছে।

গাইড বইটি নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেলে রোগীকে কিছুই বলতে হয় না। চিকিৎসক গাইড বই দেখলে রোগীর আদ্যোপান্ত চিকিৎসার ইতিহাস ও সারমর্ম জানতে পারেন।

 

 

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
.