মস্কো ক্যাথেড্রল মসজিদ

  কাজী শফিকুল আযম, মস্কো থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১২:৫৫ | অনলাইন সংস্করণ

মসজিদ

ঝটিকা সফরে রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে এসেছিলাম ২৩ অক্টোবর, ২০১৮। মস্কোর বাংলাদেশ দুতাবাসের কাউন্সিলর আদ্রিয়ং ডং আমার পূর্ব পরিচিত। সে আমার একই সার্ভিসের। এখানে সে আমার সঙ্গে থাকছে প্রায় গাইডের মত।

তার কাছে জানতে চাইলাম মস্কোতে কোন ভাল মসজিদ আছে কিন? আমি কোন নতুন দেশে বিশেষ করে কোন অমুসলিম দেশে গেলে সেখানকার মসজিদ সম্পর্কে খোঁজ খবর নিই এবং চেষ্টা করি সেখানে নামাজ পড়তে। তাছাড়া দেশে ফিরে সেখানকার বড় ভাল কোন মসজিদ নিয়ে আর্টিকেল লেখা আমার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। আজকের লেখাটি তারই ধারাবাহিকতা বলতে পারেন। আদ্রিয়ং জানালো মস্কোতে বেশ বড় নামকরা এক মসজিদ আছে, যা ইউরোপের মধ্যে বড় বলা হয়ে থাকে। হোটেল থেকে আধা ঘন্টার গাড়িপথ। আপনি দেখতে চাইলে আমি নিয়ে যেতে পারি। আমি সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে গেলাম।

মসজিদটি দেখতে যাওয়ার আগে খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম ক্যাথেড্রল মসজিদটি আসলে রাশিয়ার কেন্দ্রীয় মসজিদ, জুমা মসজিদ নামেও পরিচিতি আছে। সেখানে যাওয়ার আগে মসজিদটি সম্পর্কে আরো অনেক তথ্য জেনে নিয়েছি। গাড়িতে করে সকাল সাড়ে নয়টার দিকে রওনা হলাম ক্যাথেড্রল মসজিদ পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে। আধা ঘণ্টার মধ্যে পৌঁছে গেলাম মসজিদ চত্তরে।

আজ গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে- আকাশ মুখ গুমড়া করে আছে। আবহাওয়া বার্তা বলছে আগামী তিন চার দিন এ অবস্থা থাকবে এবং তাপমাত্রা হিমাংকের নিচে চলে যাবে। যদিও গতকাল ছিল ঝকঝকে রোদ। আমরা মসজিদটির ঠিক সামনেই নেমেছি-অলিম্পিকস এভিনিউ এর প্রসপেক্টস মিরা বা শান্তির রাস্তা নামে পরিচিত এলাকাটি। মস্কো অলিম্পিক স্টেডিয়ামের বেশ কাছেই এর অবস্থান।

গাড়ি থেকে নেমে হালকা বৃষ্টি ও শীতের মধ্যে রাস্তার পাশ থেকে স্মৃতি হিসেবে অনিন্দ সুন্দর এ মসজিদটির ছবি তুলে নিলাম। মসজিদটির মাঝখানে সোনালী গম্বুজ ও চার পাশ দিয়ে ছোটবড় মিনার বা টাওয়ার সম্বলিত ইউরোপিয় স্টাইলের চার্চের মত দেখতে মসজিদটি।

মসজিদটির গেটের পাশে নামফলক লাগানো। তাতে লেখা আছে মসজিদটি পুন.নির্মান করা হয়েছে ২০১১-১৫ সালের মধ্যে। মসজিদটি উদ্বোধন করেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর। সরাসরি মসজিদে প্রবেশ করা যায়না, মসজিদটির বামপাশ দিয়ে নিরাপত্তা বেষ্টনি পার হয়ে মসজিদের পিছন দিকে অবস্থিত মূল ফটক দিয়ে মসজিদে প্রবেশ করতে হয়।

আন্ডার গ্রাউন্ডে ওজু টয়লেটের ব্যবস্থা। নিচতলায় একপাশ দিয়ে পুরুষদের প্রবেশপথ অন্যপাশে মহিলাদের প্রবেশ পথ। মহিলাদের জন্য আলাদা নামাজ কক্ষ। ছয়তলা এ মসজিদে সাতটি এলিভেটর আছে। মসজিদটি কেন্দ্রীয়ভাবে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত। প্রতিবন্ধী সহায়ক এ মসজিদটি। জাঁকজমকপূর্ণ প্রধান দরজা দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করলে দেখা যায় নীচ তলায় বিভিন্ন কক্ষ তৈরী করা আছে যেখানে শীতের কাপড় ঝুলিয়ে রাখার ব্যবস্থাসহ নামাজ পড়ার ব্যবস্থা। সেখান থেকে ভিতরের সিড়ি দিয়ে উপরে উঠলেই পড়বে মূল নামাজ কক্ষ। মূল নামাজ কক্ষটি অসাধারণ সুন্দর করে ডেকোরেট করা। ভিতরে বিভিন্ন তলায় বেলকুনির মত তৈরি করে নামাজের স্থান তৈরী করা। নামাজ কক্ষে প্রবেশ করে প্রথমেই আমি দু’রাকাত নামাজ পড়ে শুকরিয়া জানালাম।

একটা অমুসলিম দেশে এত সুন্দর মসজিদ কল্পনা করা যায়? আমার মনে হয় মস্কো ক্যাথেড্রল মসজিদটি তার চাকচিক্য বা জাঁকজমক সাজশয্যা ও চমৎকার ডিজাইন দিয়ে সবার মনে দাগ কেটেছে। তবে অনেকেই এ মসজিদের ইতিহাস জানেন না। আমরা আজ যে চমৎকার সুন্দর মসজিদটি দেখছি সেটির স্থানে আগে একটি মসজিদ ছিল। যেটি নির্মাণ করা হয়েছিল ১৯০৪ সালে এবং এরপর বিভিন্ন সময় এর সংস্কার কর হয়। মসজিদের এ স্থানটি তাতার ব্যবসায়ীরা ১৯০২ সালে ক্রয় করেছিল। বিখ্যাত তাতার বনিক সালিহ ইরজিন এর প্রধান অর্থদাতা ও পৃষ্টপোষক ছিলেন। সোভিয়েত রাশিয়ার আমলে মস্কো সিটিতে এটিই ছিল একমাত্র মসজিদ যেটি বন্ধ করা হয়নি এবং নামাজ চালু ছিল। পূর্বের মসজিদটি ডিজাইন করেছিলেন নিকোল ঝুকোভ। সে সময় এ মসজিদটিকে তাতার মসজিদও বলা হতো।

মস্কো ক্যাথেড্রল মসজিদ:

পুন:নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় পুরাতন মসজিদটি ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ভেঙ্গে ফেলা হয়। ভেঙ্গে ফেলার পর এ সিদ্ধান্ত ছিল বেশ বিতর্কমূলক। জুন ২০০৮ সালে এ মসজিদটিকে সাংস্কৃতির ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে হেরিটেজের অর্ন্তভুক্ত করা হয় কিন্তু ঐ বছরের শেষ দিকে এ স্বীকৃতি প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। তাই মসজিদটি ভেঙ্গে ফেলার সময় এ স্বীকৃতি ছিলনা। তবে মূল মসজিদটি ভেঙ্গে ফেলার সময় অনেক প্রতিবাদ হয়েছিল। সাধারণ জনগণ ও সংরক্ষণবাদীগণ, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও মুসলিম নেতারা ভেঙ্গে ফেলার বিরোধিতা করেছিল এবং ভেঙ্গে ফেলাকে বর্বরতা বলে উল্লেখ করে রাশিয়ান কাউন্সিল অব মুফতি কে দোষারপ করেছিল ঐতিহাসিক স্থাপনা ধ্বংসের জন্য।

তবে মুফতিগণ মসজিদ ভবনটি নিরাপদ নয় মর্মে যুক্তি দিয়েছিল এবং মসজিদটির দিকও সঠিক ছিলনা অর্থাৎ মসজিদটির দিক পবিত্র কাবা ঘরের দিক ছিলনা বলে যুক্তি দেয়া হয়েছিল। উল্লেখযোগ্য যে,১৯৭৮ সালের পর রাশিয়াতে ক্যাথেড্রল মসজিদটি ভেঙ্গে ফেলা ছিল কোন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ভাঙ্গার প্রথম ঘটনা।

তাই আজ আমরা যে মসজিদটি দেখছি সেটি পুরাতন মসজিদটির স্থানেই নতুনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। যা এখন রাশিয়া তথা ইউরোপের অন্যতম বৃহৎ ও জাঁকজমকপূর্ণ মসজিদ। রাশিয়ার সবচেয়ে বড় মসজিদটি ইউফাতে অবস্থিত নাম সালাত ইউলায়েভ মসজিদ।

আরো জানা যায় যে, রাশিয়ার সবচেয়ে পুরাতন মসজিদটি দাগেস্তানে অবস্থিত যার নাম ডারমেন্টের জুমা মসজিদ যা খ্রিস্টপূর্ব ৭৩৩-৩৪ এর দিকে নির্মিত হয়েছিল। এ মসজিদটি এখন ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় নিবন্ধিত।

আমরা লক্ষ করছি যে, নতুনভাবে নির্মিত এ মসজিদটি স্থাপত্য শৈলী বেশ অনন্য। মসজিদটিতে বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিফলন করা হয়েছে। যেমন মসজিদটির প্রধান দুটি মিনার বা টাওয়ার ৭৯ মিটার লম্বা যা কাজান ক্রেমলিন টাওয়ারের আকার আকৃতির সাথে মিল করে করা হয়েছে যা তাতার ও রাশান জনগণের মধ্যে বন্ধুত্ব ও ঐক্যের প্রতীক। মসজিদটির মিনারসহ ৪৬ মিটার বিশাল সোনালী গম্বুজ ১২ কেজি সোনার পাতায় মোড়া যা মস্কোর অর্থডক্স গোল্ডেন ডোম এর প্রতিচ্ছবি যেন! তাছাড়া বলা হয় নতুন মসজিদটি বাইজেন্টাইন ধাঁচের বৈশিষ্টমন্ডিত। ছয়তলা বিশিষ্ট এ নতুন মসজিদটির বিভিন্ন আকার আকৃতির গম্বুজ ও মিনার বা টাওয়ার আছে।

পুরাতন মসজিদটির তুলনায় নতুন মসজিদটির স্থান সংকুলান বা আয়তন প্রায় বিশগুণ বেশী অর্থাৎ ১২৯০০ বর্গমিটার এর বর্তমান আয়তন। পুরুষ ও মহিলাদের জন্য আলাদা নামাজ কক্ষসহ একসঙ্গে দশ হাজার মুসল্লি নামাজ পড়তে পারেন এ মসজিদে। মূল নামাজ কক্ষ ছাড়াও আলাদা অজুর স্থান, বিভিন্ন ইসলামিক অনুষ্ঠানের জন্য আলাদা হল ঘর, ইমামের জন্য আলাদা কক্ষ এবং জানাজার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা আছে। তাছাড়া এ মসজিদের সঙ্গে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, কোরআন শিক্ষার ব্যবস্থাও আছে এ কেন্দ্রে। মস্কোর এ মসজিদটি ঘিরে কোরআন শিক্ষাসহ আরও দ্বীনি কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।

মসজিদটিতে মুসলিম স্থাপত্যর বৈশিষ্ট অনুসরণ করে সবুজ, নীল ও সাদা রঙ ব্যবহার করে অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা করা হয়েছে। এ মসজিদটির ডিজাইন করেন ইরিয়াস তাজিয়েভ। মসজিদের সিলিং, ওয়াল ও গম্বুজের ভিতর কোরআনের বিভিন্ন আয়াত খোচিত করে লাগানো হয়েছে যা মূলত তুর্কীদের কাজ। জানা যায় যে, এ মসজিদটির জন্য তুর্কী সরকার মসজিদটির জমকালো প্রধান ফটক, মিম্বার ও মেহরাব, নামাজের জন্য হাতে তৈরী কার্পেট এবং ক্রিস্টালের তৈরী মহামূল্যবান বিশাল ঝাড়বাতি উপহার হিসেবে প্রদান করেছে।

প্রধান নামাজ ঘরের বিশাল ঝাড়বাতিটি আট মিটার লম্বা এবং এর ওজন দেড় টন। সার্বিকভাবে তুরস্কের ধর্ম বিষয়ক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান টার্কিস ডেয়ানেট মসজিদটির অভ্যন্তরীণ ডিজাইন ও সাজসজ্জায় সহায়তা দিয়েছে। মসজিদটিতে রাতে আলোকিত করার জন্য এর দেয়াল ও সিলিং এ ৩২০ টি লুক্কায়িত লাইট বসানো আছে। পর্যটকদের জন্য এ মসজিদটি উন্মুক্ত। ব্যক্তিগতভাবে বা দলগতভাবে এটি পরিদর্শন করা যায়, তবে শালীন ড্রেস কোড পরিধান করতে হবে।

এ মসজিদটি পুন:নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ১৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এ অর্থায়নের অধিকাংশ প্রদান করেছে রাশিয়ান মুসলিম ব্যবসায়ীরা এবং সিনেটর সুলেমান করিমভ তার মরহুম পিতার স্মরণে। তাছাড়া দাতাদের তালিকায় আরো আছেন ফিলিস্তিন প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস, তিনি ফিলিস্তিন শিশুদের পক্ষে ২৬০০০ ডলার প্রদান করেন।

মসজিদটির নাম ফলক থেকে আগেই জেনেছি পুন:নির্মিত এ মসজিদটি ২০১৫ সালের পবিত্র হজের দিন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন উদ্বোধন করেন, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ ত্যাইয়েব এরদোগান, ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস, কাজাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট নূর সুলতান নাজাররয়েভ এবং রাশিয়ায় নিযুক্ত মুসলিম দেশের রাষ্ট্রদূতগণ।

এ মসজিদে একসঙ্গে দশ হাজার মুসল্লি নামাজ পড়তে পারলেও গত রমজানের ঈদের জামাতে প্রায় আড়াই লাখ মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করেছে এ মসজিদে। মসজিদের ভিতর যায়গা সংকুলান না হওয়ায় বহু মুসল্লি পাশের খোলা চত্তর, রাস্তা ও আশেপাশের খোলা স্থানে নামাজ আদায় করেছে।

এটা নাকি ইউরোপের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত ছিল। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল ওয়ান এ মসজিদ থেকে জামাত ও খুতবা সরাসরি সম্প্রচার করেছিল। মস্কোতে একসঙ্গে এত মানুষের অংশগ্রহণে ঈদের জামাত প্রমাণ করে ইসলামের আলোক ধারা দিনে দিনে ছড়িয়ে পড়ছে আপন গতিতে।

এ মস্কোসহ রাশিয়াতে একসময় অনেক মসজিদ থাকলেও সোভিয়েত ইউনিয়নের আমলে এ মসজিদটি ছাড়া অন্য সব বন্ধ করে দেয়া হয়। পানশালা ও ক্লাবঘরে পরিণত করা হয় আল্লাহর ঘর মসজিদগুলোকে।

সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে পড়ার পর এ অবস্থার পরিবর্তন ঘটে। ১৯৯৭ সালে রুশ সংবিধানে খ্রিস্টধর্ম, বৌদ্ধধর্ম এবং ইহুদি ধর্মের পাশাপাশি ইসলাম ধর্মকেও রাশিয়ার সংস্কৃতির ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। এরপর থেকে ধীরে ধীরে মসজিদগুলো খুলে যায় শুরু হয় মসজিদে আবার আজান, নামাজ ও কোরআন তেলাওয়াত। নতুন মসজিদ নির্মানেরও সুযোগ সৃষ্টি হয়।

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে পুন:নির্মিত এ অনিন্দ সুন্দর মসজিদটি এই সুযোগের স্বাক্ষর। সাম্প্রতিককালে ইসলামের প্রতি রাশিয়ার উদার নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে উঠেছে। প্রেসিডেন্ট পুতিনের পররাষ্ট্রনীতিতে মুসলিম বিশ্বের দেশ সমুহের সঙ্গে ঘনিষ্ট সম্পর্ক জোরদার করতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

এখন যে কোন বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠানে লক্ষাধিক লোক জড়ো হয় এ মসজিদ চত্তরে। আশেপাশের রাস্তা ও চত্তরে লোকজমা হয়। এর অর্থ একটাই যে, একটা বড় নগরীতে একটা বড় মসজিদ নির্মাণই শেষ কথা নয়। নগরীর অন্যান্য অংশেও আরো মসজিদ নির্মাণ করা প্রয়োজন। বলা প্রয়োজন যে রাশিয়া খ্রিস্ট প্রধান দেশ হলেও ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মুসলমানের বসবাস এ রাশিয়াতে। দেশটিতে মুসলমানরা দ্বিতীয় বৃহত্তম জনগোষ্টি। বেসরকারী হিসেবে শুধু মস্কোতে বসবাস করে ৪০/৫০ লাখ মুসলমান।

মস্কো কেন্দ্রীয় মসজিদ তথা ক্যাথেড্রল মসজিদ পরিদর্শন করেও একটা নতুন মসজিদে নামাজ পড়ে চরম তৃপ্তি নিয়ে ফিরে যাচ্ছি হোটেলে।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×