ফ্রান্সে এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় ধর্মঘট
jugantor
ফ্রান্সে এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় ধর্মঘট

  মোহা. আব্দুল মালেক হিমু, ফ্রান্স থেকে  

০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৮:৩৯:৩৯  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁর বিতর্কিত পেনশন আইন সংস্কারের দাবিতে কাজ বন্ধ করে ধর্মঘট পালন করেছে ফ্রান্সের লাখ লাখ কর্মজীবী মানুষ। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এই ধর্মঘট চলবে সোমবার পর্যন্ত।

ধর্মঘটের কারণে দেশটিতে মারাত্মক অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে। এটি ফ্রান্সের সাম্প্রতিক ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ধর্মঘট। ট্রেড ইউনিয়নগুলো বলছে বৃহস্পতিবার বিক্ষোভে সমগ্র ফ্রান্সে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ অংশগ্রহণ করেছে। 

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে এই সংখ্যা ৮ লাখ ৬ হাজারের মত হবে।   ধর্মঘটের সমর্থনে ৯০% পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ও ৭০% স্কুল বন্ধ রয়েছে।  বাতিল করা হয়েছে প্রায় ২০% বিমান ফ্লাইট।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন গণপরিবহন অপারেটর আরএটিপি, এসএনসিএফ, সরকার পরিচালিত বিদ্যুৎ কোম্পানি ইডিএফ, জাতীয় বিমান সংস্থা এয়ার ফ্রান্স, পুলিশ, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, শিক্ষক, আইনজীবী, ট্যাক্সি ও মালবাহী যানবাহন চালক, ডাক বিভাগের কর্মকর্তা, কৃষক, সরকারি কর্মচারী, শোধনাগার কর্মী ও শিক্ষার্থীসহ অটোমোবাইল নির্মাণকারী কোম্পানি রেনল্টের কর্মীরাও এ ধর্মঘটে অংশগ্রহণ করেছে।

যে কোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে দেশজুড়ে কয়েক হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও কিছু কিছু জায়গায় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়েছে। সরকার পেনশন আইন পরিবর্তন না করলে এ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নেতারা।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

ফ্রান্সে এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় ধর্মঘট

 মোহা. আব্দুল মালেক হিমু, ফ্রান্স থেকে 
০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৬:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁর বিতর্কিত পেনশন আইন সংস্কারের দাবিতে কাজ বন্ধ করে ধর্মঘট পালন করেছে ফ্রান্সের লাখ লাখ কর্মজীবী মানুষ। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এই ধর্মঘট চলবে সোমবার পর্যন্ত।

ধর্মঘটের কারণে দেশটিতে মারাত্মক অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে। এটি ফ্রান্সের সাম্প্রতিক ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ধর্মঘট। ট্রেড ইউনিয়নগুলো বলছে বৃহস্পতিবার বিক্ষোভে সমগ্র ফ্রান্সে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ অংশগ্রহণ করেছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে এই সংখ্যা ৮ লাখ ৬ হাজারের মত হবে। ধর্মঘটের সমর্থনে ৯০% পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ও ৭০% স্কুল বন্ধ রয়েছে। বাতিল করা হয়েছে প্রায় ২০% বিমান ফ্লাইট।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন গণপরিবহন অপারেটর আরএটিপি, এসএনসিএফ, সরকার পরিচালিত বিদ্যুৎ কোম্পানি ইডিএফ, জাতীয় বিমান সংস্থা এয়ার ফ্রান্স, পুলিশ, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, শিক্ষক, আইনজীবী, ট্যাক্সি ও মালবাহী যানবাহন চালক, ডাক বিভাগের কর্মকর্তা, কৃষক, সরকারি কর্মচারী, শোধনাগার কর্মী ও শিক্ষার্থীসহ অটোমোবাইল নির্মাণকারী কোম্পানি রেনল্টের কর্মীরাও এ ধর্মঘটে অংশগ্রহণ করেছে।

যে কোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে দেশজুড়ে কয়েক হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও কিছু কিছু জায়গায় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়েছে। সরকার পেনশন আইন পরিবর্তন না করলে এ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নেতারা।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]