স্পেনের টেনেরিফ দ্বীপে বাংলাদেশির মৃত্যু
jugantor
স্পেনের টেনেরিফ দ্বীপে বাংলাদেশির মৃত্যু

  জমির হোসেন, ইতালি থেকে  

০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:১১:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

ইতালি প্রবাসী কাজী আরজুদুলাল (৫৮) নামে এক বাংলাদেশি  টেনেরিফ দ্বীপে মারা গেছেন। তিনি স্পেনের গ্রান কানারিয়ার ( GranCanaria ) উত্তর টেনেরিফে স্বপরিবারে বসবাস করতেন।

স্পেন প্রবাসী এমডি ফরিদ হাসান জানান, ৩ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সময় সাড়ে দশটায় টেনেরিফ বাসভবনে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেন তিনি। তার দেশের বাড়ি শরিয়তপুরে। মৃত্যুকালে তিনি দুই কন্যা ও দুই ছেলে সন্তান রেখে যান। মৃত আরজুর এক ছেলে ইতালি ও অন্য ছেলে মেয়ের জামাই বার্সেলোনা থাকেন। মৃত্যুর কয়েকদিন লাশ সানতা ক্রুজ নামক একটি হাসপাতালে রাখা হয়।

পরে স্পেন প্রবাসী ব্যবসায়ী ও মসজিদে আল সুন্নাহ মসজিদ কমিটির সভাপতি জাকির হোসেনের সার্বিক সহযোগিতায় বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষদের আর্থিক ও মানসিক সহযোগিতায় গত শুক্রবার উত্তর টেনেরিফ থেকে মাদ্রিদ হয়ে লাশটি দেশে পৌঁছানো হবে। উল্লেখ্য লাশ দেশে পাঠাতে মাদ্রিদ দূতাবাস বিশেষ আর্থিক সহযোগিতা করেন।

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জাকির এ ব্যাপারে জানান, হাসপাতাল থেকে লাশ গ্রহন করে মুসলিম রীতিমতো তাকে গোসল করিয়ে মসজিদে আল সুন্নাহ জানাজার কাজ সম্পন্ন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মৃত কাজী আরজুর দুই ছেলে মামা, মা, ছাইদ আহামেদ, আমির হোসেন, রিংকু মিয়া, আব্দুল মতিন, হাসান বাগিনা, নেয়ামত উল্লাহ, ফারুক মিয়া, আবদুল গনি, সেলিম মিয়া ও অন্যান্য বাংলাদেশিরা। স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশিরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

প্রসঙ্গত, কাজী আরজু দীর্ঘদিন ইতালি বসবাস করতেন। পরে কাজের সুবাদে তিনি স্বপরিবারে স্পেনের টেনেরিফ উত্তরে পাড়ি জমান। তিনি একটি স্পানিস পাসতেসেরিয়া (বাংলায় কনফেকশনারিতে হেড কারিগর হিসেবে কাজ করেছিলেন।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

স্পেনের টেনেরিফ দ্বীপে বাংলাদেশির মৃত্যু

 জমির হোসেন, ইতালি থেকে 
০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:১১ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ইতালি প্রবাসী কাজী আরজুদুলাল (৫৮) নামে এক বাংলাদেশি টেনেরিফ দ্বীপে মারা গেছেন। তিনি স্পেনের গ্রান কানারিয়ার ( GranCanaria ) উত্তর টেনেরিফে স্বপরিবারে বসবাস করতেন।

স্পেন প্রবাসী এমডি ফরিদ হাসান জানান, ৩ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সময় সাড়ে দশটায় টেনেরিফ বাসভবনে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেন তিনি। তার দেশের বাড়ি শরিয়তপুরে। মৃত্যুকালে তিনি দুই কন্যা ও দুই ছেলে সন্তান রেখে যান। মৃত আরজুর এক ছেলে ইতালি ও অন্য ছেলে মেয়ের জামাই বার্সেলোনা থাকেন। মৃত্যুর কয়েকদিন লাশ সানতা ক্রুজ নামক একটি হাসপাতালে রাখা হয়।

পরে স্পেন প্রবাসী ব্যবসায়ী ও মসজিদে আল সুন্নাহ মসজিদ কমিটির সভাপতি জাকির হোসেনের সার্বিক সহযোগিতায় বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষদের আর্থিক ও মানসিক সহযোগিতায় গত শুক্রবার উত্তর টেনেরিফ থেকে মাদ্রিদ হয়ে লাশটি দেশে পৌঁছানো হবে। উল্লেখ্য লাশ দেশে পাঠাতে মাদ্রিদ দূতাবাস বিশেষ আর্থিক সহযোগিতা করেন।

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জাকির এ ব্যাপারে জানান, হাসপাতাল থেকে লাশ গ্রহন করে মুসলিম রীতিমতো তাকে গোসল করিয়ে মসজিদে আল সুন্নাহ জানাজার কাজ সম্পন্ন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মৃত কাজী আরজুর দুই ছেলে মামা, মা, ছাইদ আহামেদ, আমির হোসেন, রিংকু মিয়া, আব্দুল মতিন, হাসান বাগিনা, নেয়ামত উল্লাহ, ফারুক মিয়া, আবদুল গনি, সেলিম মিয়া ও অন্যান্য বাংলাদেশিরা। স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশিরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

প্রসঙ্গত, কাজী আরজু দীর্ঘদিন ইতালি বসবাস করতেন। পরে কাজের সুবাদে তিনি স্বপরিবারে স্পেনের টেনেরিফ উত্তরে পাড়ি জমান। তিনি একটি স্পানিস পাসতেসেরিয়া (বাংলায় কনফেকশনারিতে হেড কারিগর হিসেবে কাজ করেছিলেন।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]