দক্ষিণ কোরিয়া ইপিএস কর্মীদের সঙ্গে দূতাবাসের মতবিনিময়

  মোহাম্মদ হানিফ, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৯:৪৬ | অনলাইন সংস্করণ

মতবিনিময়

দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি ইপিএস কর্মীদের নিয়ে বরাবরের মতই এবারও মতবিনিময়সভার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। দেশটির নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলামের সভাপতিত্বে উক্ত মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৯ সালের সকল কার্যক্রম তুলে ধরেন দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) মুকিমা বেগম।

কোরিয়াস্থ বাংলাদেশিদের সমস্যা ও তার সমাধানই ছিল এ মতবিনিময়সভার মূল উদ্দেশ্য। উঠে আসে বর্তমান অবস্থা, সমস্যা ও সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ করনীয়। অনুষ্ঠানে ইপিএস ভিত্তিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে ইপিএস কর্মীদের নির্দিষ্ট কিছু সমস্যার দিক সমাধানের লক্ষ্যে দূতাবাসের নিকট প্রস্তাবনা তুলে ধরেন অনুষ্ঠানে আগত নেতৃবৃন্দ।

রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় বিকেল ৩ টায় দূতাবাসের হলরুমে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

তবে এবারের মতবিনিময়সভায় বোয়েসেলে জমাকৃত জামানত/বীমার বিষয়টি উঠে এসেছে। এ বিষয়ে ইপিএস কর্মীদের নিকট পরামর্শ চেয়ে বিশেষ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে দূতাবাস।

মতবিনিময়সভার প্রস্তাবনার সমূহের মধ্যে ছিল ১) যে কোনো আইন প্রনয়নের ৩ থেকে ৪ মাস পূর্বে তা ঘোষনা দেয়া এবং প্রবাসীদের মতামত ও পরামর্শ গ্রহণ করা। ২) জামানত প্রথা বিলুপ্ত করে বীমা প্রথা চালু করা, যদি তা সম্ভাবপর না হয় জামানতের টাকার পরিমাণ কমানো এবং ইনস্টলমেন্টে মাধ্যমে দেয়ার সুযোগ তৈরি করে দেয়া। ৩) রশিদ প্রদান করা, জামানত বীমার প্রিমিয়াম (যদি বীমা সম্ভাবপর হয়) এ সব ধরনের কাগজ জামানতকারীর/বীমাকারীর কাছেও এক কপি করে দেয়া। জামানত/বীমার কোথায় জমা আছে সেটা প্রদানকারীরা যেন সবসময় বোয়েসেল অ্যাপসের মাধ্যমে দেখতে পায় সেটা নিশ্চিত করা।

৪) কোন কোন শর্ত ভঙ্গ করলে টাকা ফেরত পাওয়া যাবে না স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা। ৫) কোম্পানি পরিবর্তন যেহেতু বৈধ আছে: তাই কোম্পানি পরিবর্তন দোহাই দেখিয়ে জামানত/বীমার টাকা বাজেয়াপ্ত করা যাবে না। ৬) ফেরতের জন্য যে সমস্ত কাগজপত্র লাগবে তা জামানতপত্রে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ থাকা ও ওয়েবসাইটে এর কপি আপলোড করা।৭) ফেরতের সময় লভ্যাংশসহ ফেরত দেয়ার নিশ্চতা বহন করা। ৮) ই-৯ ভিসা নিয়ে বৈধভাবে যে কোনো সময় একেবারে ফেরত গেলে টাকা ফেরত প্রদান করা। এছাড়া কোরিয়ায় কেউ যদি ভিসা পরিবর্তন করে তবে ভিসা পরিবর্তনের প্রমাণ দেখিয়ে আবেদন করলে তার জামানত ফিরিয়ে দেয়া।

৯) প্রবাসে কেউ যদি মৃত্যুবরণ করে তবে তার পরিবারের কাছে জামানতের টাকা পৌঁছে দেয়া। ১০) যদি শর্ত ভঙ্গ না হয়, তবে আবেদন করার সঙ্গে সঙ্গেই পূর্ণ জামানত ফিরিয়ে দেয়া। আবেদেন করার পদ্ধতি সরাসরি বোয়েসেলে না গিয়ে ফ্যাক্স কিংবা ই-অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে করা। এছাড়াও উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনে বিবিএ, এমবিএ কোর্স চালু করার জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করেন ইপিএস কর্মীরা।

ইপিএসে আরও বেশি বাংলাদেশি নিয়োগের উপায়সহ সময়উপযোগি সার্বিক দিক তুলে ধরেন বক্তারা। দূতাবাসের প্রতিটি উদ্যোগকে স্বাগত জানায় ইপিএস কর্মীরা। এর আগেও এমন মতবিনিময়সভা সফলতার দরজা খুলে দিয়েছে বলে মনে করেন ইপিএস কর্মীরা।

দূতাবাস ইপিএস কর্মীদের সার্বিক সহযোগিতা ও প্রতিটি বিষয়ে সঠিক পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস প্রদান করেন। ইপিএস ভিত্তিক সকল সামাজিক সংগঠনদেরকে প্রবাসীদের বিভিন্ন ধরনের তথ্য সেবা দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রদূত। দূতাবাসও যেন প্রবাসীদের সার্বিক কল্যাণে নিয়োজিত থাকতে পারে সেজন্য ইপিএস কর্মীদের সহযোগিতা চান রাষ্ট্রদূত।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

'কোভিড-১৯' সর্বশেষ আপডেট

# আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ ৫৬ ২৬
বিশ্ব ৯,৩৬,২০৪ ১,৯৪,৫৭৮ ৪৭,২৪৯
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

 
×