ভেজালমুক্ত খাদ্য ও ওষুধের বিকল্প নেই
jugantor
ভেজালমুক্ত খাদ্য ও ওষুধের বিকল্প নেই

  রহমান মৃধা, সুইডেন থেকে  

০৮ জুন ২০২০, ০১:২০:৩২  |  অনলাইন সংস্করণ

জন্ম আমার বাংলাদেশে এবং বেসিক শিক্ষাটি সেখান থেকেই পেয়েছি বলে নিজেকে ধন্য মনে করি। জন্মের পর ১৯টি বছর কেটেছে সেখানে। এ সময়টি জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সবদিক দিয়ে। তারপর থেকে পাশ্চাত্যে শিক্ষা এবং কর্মজীবনের মধ্যদিয়ে পার করেছি বটে তবে দেশের সঙ্গে লতার মতো জড়িয়ে আছি সবসময়। 

আমি আমার কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময় কাটিয়েছি ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিতে। সেই ১৯৯০ সালে কর্মজীবন শুরু। প্রথমে Kabi এরপর Kabi Pharmacia, Pharmacia & Upjohn তারপর Pharmacia এবং শেষে Pfizer-এ কাজ করেছি। 

আমি পুরো সময় ব্যয় করেছি প্রডাকশন এবং সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট, কোয়ালিটি, প্রসেস ডেভেলপমেন্ট, আরএনডি এবং একইসঙ্গে খুব ক্লোজলি কাজ করেছি ফাইন্যান্স, হিউম্যান রিসোর্স, সেফটি ও ইনভায়রনমেন্টের ওপর। এসব বিষয়ের ওপর আমার কড়া নজরদারি ছিল কারণ সবকিছু ম্যানেজ করতে হয়েছে একজন দক্ষ ম্যানেজার হিসেবে। 

সেক্ষেত্রে বলা যেতে পারে একটি হলিস্টিক ভিউ অফ ম্যানেজমেন্ট এবং ওষুধ উৎপাদনের ওপর আমার এ টু জেড জ্ঞান রয়েছে। যদি অতি সংক্ষেপে বর্ণনা করি ইবুপ্রফেন একটি ওষুধের নাম। এটি মূলত জ্বর, মাথা ব্যথা, দাঁতের ব্যথা, ব্যাক পেইন, বাত, মিন্সট্রুয়াল ক্র্যাম্সের ব্যথার সময় ব্যবহার করা হয়।
 

লেখক ‘ভেজালমুক্ত খাদ্য ও ওষুধের বিকল্প নেই’ লেখায় তার পারিবারিক ডাইনিংয়ের এই ছবিটি দিয়েছেন 


ওষুধটি তৈরি করতে যে কাঁচামাল ব্যবহৃত হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে একটি রাসায়নিক সূত্র C13H18O2 ছাড়াও আরও অতিরিক্ত উপাদান যেমন সোডিয়াম কার্বোনেট, সোডিয়াম ডাইহাইড্রোজেন সিত্রিত, Povidone কে-25, সোডিয়াম স্যাকরিন, Aspartame, Xylitol, লেবু মসলা, সোডিয়াম hydrogencarbonate ইত্যাদি। 

এখন ওষুধ কোম্পানি যাতে করে সঠিকভাবে সমস্ত নিয়মকানুন মেনে ওষুধ তৈরি করে সেক্ষেত্রে রয়েছে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন গাইডলাইন এবং কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষের কাজ নিয়মিত ফলোআপ করা এবং তদারক করা যেন ওষুধ কোম্পানি এক্ষেত্রে ইবুপ্রফেন তৈরি করতে রেসিপিতে যা বলা হয়েছে সেইভাবে কাজ করে। 

একে বলা হয় cGMP (current Good manufacturing  practice)। বিভিন্ন দেশে এসব কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন নাম রয়েছে যেমন আমেরিকার কর্তৃপক্ষকে বলা হয় ফুড এন্ড ড্রাগস এডমিনিস্ট্রেশন (FDA), সুইডেনে বলা হয় ল্যেকেমেডেলসভেরকেট (Läkemedelsverket) এবং বাংলাদেশে বলা হয় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর। 

যদি সঠিক পদ্ধতিতে ওষুধ তৈরি না করা হয় তবে নানা ধরণের সাইড ইফেক্টস দেখা দিতে পারে। আমরা যেমন বাড়িতে রান্না করি, কী পরিমাণ মসলা, কী রান্না, কত জনের জন্য রান্না, কী পদ্ধতিতে রান্না এবং কোন পরিবেশে রান্না হবে জানার দরকার আছে কি নেই? একজন ভালো বাবুর্চির এসব বিষয়ের ওপর জ্ঞান থাকে। তিনি জানেন কীভাবে কী করতে হবে। 

এখন একটি ভালো বাবুর্চি যখন সবকিছুর সমন্বয়ে ভালো রান্না করেন তখন সে খাবারের প্রশংসা করা হয়। আর যদি এমনটি হয় যেমন একটি পচা ইলিশ মাছ কেনা হলো, ভেজাল মসলা ব্যবহার করে তা রান্না করা হলো, হবে কি সে খাবার মানসম্পন্ন? বা পাওয়া যাবে কি তেমনটি প্রশংসা? 

খাবারে যেমন রয়েছে ভেজাল ঠিক একইভাবে ওষুধের কাঁচামালের মধ্যেও রয়েছে ভেজাল। তারপর ওষুধ নকল করা হচ্ছে দেশে প্রচুর, সেগুলো দেখতে অবিকল একরকম, শুধু দামে পার্থক্য। আবার দেখা যাচ্ছে ওষুধের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে সত্ত্বেও বিক্রি করা হচ্ছে। ওষুধ যেভাবে ও যে প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণ করা দরকার তা না মেনে যেখানে সেখানে রেখে বিক্রি করা হচ্ছে ইত্যাদি। 

এসব ঘটনা নতুন কিছু নয়। অথচ এ ব্যাপারে দেশের দায়িত্বশীল প্রশাসন বিষয়গুলো কড়া নজরে দেখছে না। কী কারণ এর পেছনে জড়িত আছে? সুইডেন এবং আমেরিকার কর্তৃপক্ষ নিয়মানুযায়ী সবকিছু সময়মতো ফলোআপ করে কোনোরকম দুর্নীতি ছাড়া, যার কারণে অন্যায় করার কোনো রকম সুযোগ নেই। 

প্রত্যেকটি কাঁচামাল যা ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয় সেখানে কোনো প্রকার ভেজাল, অবৈধ বা খারাপ পণ্যজাতের সংমিশ্রণ হবার কোনোরকমের সুযোগ নেই। সবসময় ওষুধ তৈরিতে একই নিয়ম মেনে চলতে হয় cGMP (current Good manufacturing  practice) অনুসরণ করে। শুধুমাত্র লেবেলিংয়ের ক্ষেত্রে ভিন্নভাবে প্যাকেজিং করা হয়ে থাকে ক্রেতার বোঝার সুবিধার্থে।
 
বাংলাদেশ যদি মনে করে একই প্রোডাক্ট বিভিন্ন কোয়ালিটি অনুযায়ী তৈরি করে বিশ্বে একটি ভালো জায়গা দখল করতে সক্ষম হবে, তবে সে ধারণা ভুল। কারণ সেক্ষেত্রে লাইন ক্লিয়ারেন্স, ক্লিন ইন প্লেস, মিক্স আপ, কোয়ালিটি কন্ট্রোল অনেককিছু মেনে চলতে যে খরচ এবং তদারকি দরকার সে ক্ষেত্রে ভাবার বিষয়; আদৌ এ ধরণের প্রডাকশন দিয়ে মার্কেট ধরে রাখা সম্ভব কিনা! 

পুরো দেশের খাদ্য এবং ওষুধ তৈরিতে ভেজালমুক্ত এবং ভালো কোয়ালিটির জন্য যদি সবার সচেতনতা বৃদ্ধি না করা হয়, তবে শিল্পক্ষেত্রে বাংলাদেশ অন্যান্য দেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলতে যেমন ব্যর্থ হবে, সেই সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষ বাইরের খাবার এবং ওষুধের দিকে আগ্রহী হবে। আমি মনে করি কোয়ালিটি সম্পন্ন পণ্যদ্রব্য তৈরির কোনো বিকল্প নেই। সেক্ষেত্রে কোয়ালিটির ওপর নজর দিতে সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনুরোধ করছি।

রহমান মৃধা, দূরপরবাস সুইডেন থেকে, rahman.mridha@gmail.com

 

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

ভেজালমুক্ত খাদ্য ও ওষুধের বিকল্প নেই

 রহমান মৃধা, সুইডেন থেকে 
০৮ জুন ২০২০, ০১:২০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

জন্ম আমার বাংলাদেশে এবং বেসিক শিক্ষাটি সেখান থেকেই পেয়েছি বলে নিজেকে ধন্য মনে করি। জন্মের পর ১৯টি বছর কেটেছে সেখানে। এ সময়টি জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সবদিক দিয়ে। তারপর থেকে পাশ্চাত্যে শিক্ষা এবং কর্মজীবনের মধ্যদিয়ে পার করেছি বটে তবে দেশের সঙ্গে লতার মতো জড়িয়ে আছি সবসময়।

আমি আমার কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময় কাটিয়েছি ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিতে। সেই ১৯৯০ সালে কর্মজীবন শুরু। প্রথমে Kabi এরপর Kabi Pharmacia, Pharmacia & Upjohn তারপর Pharmacia এবং শেষে Pfizer-এ কাজ করেছি।

আমি পুরো সময় ব্যয় করেছি প্রডাকশন এবং সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট, কোয়ালিটি, প্রসেস ডেভেলপমেন্ট, আরএনডি এবং একইসঙ্গে খুব ক্লোজলি কাজ করেছি ফাইন্যান্স, হিউম্যান রিসোর্স, সেফটি ও ইনভায়রনমেন্টের ওপর। এসব বিষয়ের ওপর আমার কড়া নজরদারি ছিল কারণ সবকিছু ম্যানেজ করতে হয়েছে একজন দক্ষ ম্যানেজার হিসেবে।

সেক্ষেত্রে বলা যেতে পারে একটি হলিস্টিক ভিউ অফ ম্যানেজমেন্ট এবং ওষুধ উৎপাদনের ওপর আমার এ টু জেড জ্ঞান রয়েছে। যদি অতি সংক্ষেপে বর্ণনা করি ইবুপ্রফেন একটি ওষুধের নাম। এটি মূলত জ্বর, মাথা ব্যথা, দাঁতের ব্যথা, ব্যাক পেইন, বাত, মিন্সট্রুয়াল ক্র্যাম্সের ব্যথার সময় ব্যবহার করা হয়।

লেখক‘ভেজালমুক্ত খাদ্য ও ওষুধের বিকল্প নেই’ লেখায় তার পারিবারিক ডাইনিংয়ের এই ছবিটি দিয়েছেন


ওষুধটি তৈরি করতে যে কাঁচামাল ব্যবহৃত হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে একটি রাসায়নিক সূত্র C13H18O2 ছাড়াও আরও অতিরিক্ত উপাদান যেমন সোডিয়াম কার্বোনেট, সোডিয়াম ডাইহাইড্রোজেন সিত্রিত, Povidone কে-25, সোডিয়াম স্যাকরিন, Aspartame, Xylitol, লেবু মসলা, সোডিয়াম hydrogencarbonate ইত্যাদি।

এখন ওষুধ কোম্পানি যাতে করে সঠিকভাবে সমস্ত নিয়মকানুন মেনে ওষুধ তৈরি করে সেক্ষেত্রে রয়েছে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন গাইডলাইন এবং কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষের কাজ নিয়মিত ফলোআপ করা এবং তদারক করা যেন ওষুধ কোম্পানি এক্ষেত্রে ইবুপ্রফেন তৈরি করতে রেসিপিতে যা বলা হয়েছে সেইভাবে কাজ করে।

একে বলা হয় cGMP (current Good manufacturing practice)। বিভিন্ন দেশে এসব কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন নাম রয়েছে যেমন আমেরিকার কর্তৃপক্ষকে বলা হয় ফুড এন্ড ড্রাগস এডমিনিস্ট্রেশন (FDA), সুইডেনে বলা হয় ল্যেকেমেডেলসভেরকেট (Läkemedelsverket) এবং বাংলাদেশে বলা হয় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

যদি সঠিক পদ্ধতিতে ওষুধ তৈরি না করা হয় তবে নানা ধরণের সাইড ইফেক্টস দেখা দিতে পারে। আমরা যেমন বাড়িতে রান্না করি, কী পরিমাণ মসলা, কী রান্না, কত জনের জন্য রান্না, কী পদ্ধতিতে রান্না এবং কোন পরিবেশে রান্না হবে জানার দরকার আছে কি নেই? একজন ভালো বাবুর্চির এসব বিষয়ের ওপর জ্ঞান থাকে। তিনি জানেন কীভাবে কী করতে হবে।

এখন একটি ভালো বাবুর্চি যখন সবকিছুর সমন্বয়ে ভালো রান্না করেন তখন সে খাবারের প্রশংসা করা হয়। আর যদি এমনটি হয় যেমন একটি পচা ইলিশ মাছ কেনা হলো, ভেজাল মসলা ব্যবহার করে তা রান্না করা হলো, হবে কি সে খাবার মানসম্পন্ন? বা পাওয়া যাবে কি তেমনটি প্রশংসা?

খাবারে যেমন রয়েছে ভেজাল ঠিক একইভাবে ওষুধের কাঁচামালের মধ্যেও রয়েছে ভেজাল। তারপর ওষুধ নকল করা হচ্ছে দেশে প্রচুর, সেগুলো দেখতে অবিকল একরকম, শুধু দামে পার্থক্য। আবার দেখা যাচ্ছে ওষুধের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে সত্ত্বেও বিক্রি করা হচ্ছে। ওষুধ যেভাবে ও যে প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণ করা দরকার তা না মেনে যেখানে সেখানে রেখে বিক্রি করা হচ্ছে ইত্যাদি।

এসব ঘটনা নতুন কিছু নয়। অথচ এ ব্যাপারে দেশের দায়িত্বশীল প্রশাসন বিষয়গুলো কড়া নজরে দেখছে না। কী কারণ এর পেছনে জড়িত আছে? সুইডেন এবং আমেরিকার কর্তৃপক্ষ নিয়মানুযায়ী সবকিছু সময়মতো ফলোআপ করে কোনোরকম দুর্নীতি ছাড়া, যার কারণে অন্যায় করার কোনো রকম সুযোগ নেই।

প্রত্যেকটি কাঁচামাল যা ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয় সেখানে কোনো প্রকার ভেজাল, অবৈধ বা খারাপ পণ্যজাতের সংমিশ্রণ হবার কোনোরকমের সুযোগ নেই। সবসময় ওষুধ তৈরিতে একই নিয়ম মেনে চলতে হয় cGMP (current Good manufacturing practice) অনুসরণ করে। শুধুমাত্র লেবেলিংয়ের ক্ষেত্রে ভিন্নভাবে প্যাকেজিং করা হয়ে থাকে ক্রেতার বোঝার সুবিধার্থে।

বাংলাদেশ যদি মনে করে একই প্রোডাক্ট বিভিন্ন কোয়ালিটি অনুযায়ী তৈরি করে বিশ্বে একটি ভালো জায়গা দখল করতে সক্ষম হবে, তবে সে ধারণা ভুল। কারণ সেক্ষেত্রে লাইন ক্লিয়ারেন্স, ক্লিন ইন প্লেস, মিক্স আপ, কোয়ালিটি কন্ট্রোল অনেককিছু মেনে চলতে যে খরচ এবং তদারকি দরকার সে ক্ষেত্রে ভাবার বিষয়; আদৌ এ ধরণের প্রডাকশন দিয়ে মার্কেট ধরে রাখা সম্ভব কিনা!

পুরো দেশের খাদ্য এবং ওষুধ তৈরিতে ভেজালমুক্ত এবং ভালো কোয়ালিটির জন্য যদি সবার সচেতনতা বৃদ্ধি না করা হয়, তবে শিল্পক্ষেত্রে বাংলাদেশ অন্যান্য দেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলতে যেমন ব্যর্থ হবে, সেই সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষ বাইরের খাবার এবং ওষুধের দিকে আগ্রহী হবে। আমি মনে করি কোয়ালিটি সম্পন্ন পণ্যদ্রব্য তৈরির কোনো বিকল্প নেই। সেক্ষেত্রে কোয়ালিটির ওপর নজর দিতে সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনুরোধ করছি।

রহমান মৃধা, দূরপরবাস সুইডেন থেকে, rahman.mridha@gmail.com

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
 

ঘটনাপ্রবাহ : রহমান মৃধার কলাম

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০
০২ সেপ্টেম্বর, ২০২০