একজন রেমিটেন্স যোদ্ধা মারা গেলে তার লাশ পাঠাতে চাঁদা তুলতে হয়
jugantor
একজন রেমিটেন্স যোদ্ধা মারা গেলে তার লাশ পাঠাতে চাঁদা তুলতে হয়

  মাহামুদুল হাসান কালাম, মালদ্বীপ থেকে  

২৫ জুন ২০২০, ২০:৩২:৩৬  |  অনলাইন সংস্করণ

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ বাংলাদেশি এখন প্রবাস জীবনযাপন করেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, একজন বাংলাদেশি রেমিটেন্স যোদ্ধা প্রবাসে মারা গেলে তার লাশ পাঠাতে চাঁদা তুলতে হয়।

অথচ দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করি আমরা প্রবাসীরা। দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান ১৩ থেকে ১৪ শতাংশ; আমরা প্রবাসীরা জীবিকার প্রয়োজনে দূর প্রবাসে আছি। পরিবারে স্বচ্ছলতা আনার জন্য মাথার ঘাম পায়ে ফেলে আমাদের কষ্টার্জিত রেমিটেন্স দেশের অর্থনীতিকে করছে সমৃদ্ধ।

প্রবাসীদের কল্যাণে কোনো আইন নেই, নেই কোনো কর্তৃপক্ষ। যা আছে তা মুখেমুখে। প্রবাসীদের মালামাল ব্যাগ কেটে রেখে দেয় কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী। এমন অনেক ধরনের হয়রানি করে আমাদের। কেন আমাদের সঙ্গে এমন আচরণ।

আমাদের পাশের দেশ ভারত বা শ্রীলংকান প্রবাসীরা যে মর্যাদা পান, আমরা কিন্তু তা পাই না। কিন্তু নানা রকমের হয়রানির শিকার হই আমরা। প্রবাসে আসার সময় পাসপোর্ট করা থেকে শুরু করে বিমানবন্দর, দূতাবাসসহ সবখানেই হয়রানির শিকার হই। আবার আমরা ছুটিতে যখন দেশে যাই তখনও অনেক ধরনের হয়রানির শিকার হই। এমনকি প্রবাসীদের ভোটাধিকারও এখন পর্যন্ত দেয়া হয়নি। আমরা রাষ্ট্রকে যে পরিমাণ দিচ্ছি, সেই তুলনায় রাষ্ট্রের কাছ থেকে আমরা কিছুই পাই না। আমরা প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধা অবহেলিত।
 

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

একজন রেমিটেন্স যোদ্ধা মারা গেলে তার লাশ পাঠাতে চাঁদা তুলতে হয়

 মাহামুদুল হাসান কালাম, মালদ্বীপ থেকে 
২৫ জুন ২০২০, ০৮:৩২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ বাংলাদেশি এখন প্রবাস জীবনযাপন করেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, একজন বাংলাদেশি রেমিটেন্স যোদ্ধা প্রবাসে মারা গেলে তার লাশ পাঠাতে চাঁদা তুলতে হয়।

অথচ দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করি আমরা প্রবাসীরা। দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান ১৩ থেকে ১৪ শতাংশ; আমরা প্রবাসীরা জীবিকার প্রয়োজনে দূর প্রবাসে আছি। পরিবারে স্বচ্ছলতা আনার জন্য মাথার ঘাম পায়ে ফেলে আমাদের কষ্টার্জিত রেমিটেন্স দেশের অর্থনীতিকে করছে সমৃদ্ধ।

প্রবাসীদের কল্যাণে কোনো আইন নেই, নেই কোনো কর্তৃপক্ষ। যা আছে তা মুখেমুখে। প্রবাসীদের মালামাল ব্যাগ কেটে রেখে দেয় কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী। এমন অনেক ধরনের হয়রানি করে আমাদের। কেন আমাদের সঙ্গে এমন আচরণ।

আমাদের পাশের দেশ ভারত বা শ্রীলংকান প্রবাসীরা যে মর্যাদা পান, আমরা কিন্তু তা পাই না। কিন্তু নানা রকমের হয়রানির শিকার হই আমরা। প্রবাসে আসার সময় পাসপোর্ট করা থেকে শুরু করে বিমানবন্দর, দূতাবাসসহ সবখানেই হয়রানির শিকার হই। আবার আমরা ছুটিতে যখন দেশে যাই তখনও অনেক ধরনের হয়রানির শিকার হই। এমনকি প্রবাসীদের ভোটাধিকারও এখন পর্যন্ত দেয়া হয়নি। আমরা রাষ্ট্রকে যে পরিমাণ দিচ্ছি, সেই তুলনায় রাষ্ট্রের কাছ থেকে আমরা কিছুই পাই না। আমরা প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধা অবহেলিত।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
 
আরও খবর