কানাডায় ১৫ আগস্ট নিয়ে ভার্চুয়াল আলোচনা
jugantor
কানাডায় ১৫ আগস্ট নিয়ে ভার্চুয়াল আলোচনা

  রাজীব আহসান, কানাডা থেকে  

১৫ আগস্ট ২০২০, ১১:৩৭:৩৬  |  অনলাইন সংস্করণ

কানাডার আলবার্টার প্রথম বাংলা অনলাইন পোর্টাল প্রবাস বাংলা ভয়েসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ নিয়ে ভার্চুয়াল আলোচনা।

আলোচনার শুরুতেই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পরিবারের অন্য শহীদদের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়ে শুরু হয় আলোচনা অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন প্রবাস বাংলা ভয়েসের প্রধান সম্পাদক আহসান রাজীব বুলবুল।

এতে উপস্থিত ছিলেন, কানাডাস্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনার মিজানুর রহমান, বালাদেশ টেলিভিশন ও এফডিসির সাবেক মহাপরিচালক, বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের মাবেক চেয়ারম্যান এবং বিশিষ্ট নাট্যজন  ম. হামিদ, বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর সাবেক পরিচালক ও বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের নির্বাহী সভাপতি এবং চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ও বিশিষ্ট নাট্যজন ফাল্গু  নী হামিদ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন  কানাডার আলবার্টা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি আবদুল্লাহ রফিক এবং কানাডার আলবার্টা আওয়ামী লীগের সভাপতি  জাফর সেলিম।

আলোচনায় বক্তারা বঙ্গবন্ধুর চিন্তা-চেতনা ও ভাবাদর্শ, বঙ্গবন্ধুর সাফল্যের নেপথ্যে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছার অবদান, কানাডায় অবস্থানরত ঘাতক নূর চৌধুরীকে দেশে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য কূটনৈতিক পর্যায়ের বর্তমান অবস্থা, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী কুশিলীবদের সঙ্গে যারা সরাসরি জড়িত ছিল তাদের মদদদাতা কারা ছিল তাদের ব্যাপারে সরকারের  জোরালো পদক্ষেপ, ১৫ আগস্টের কাল রাতের পটভূমি, বাঙালি ও বাঙালি জাতিকে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও পরিকল্পনা,বঙ্গবন্ধুর সেক্যুলার রাজনীতির পর্যবেক্ষণ এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান নিয়ে আলোচনা করেন।

কানাডাস্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনার মিজানুর রহমান বলেন, জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কিত রাত আজ। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী।

১৯৭৫-এর কালিমা  লিপ্ত রক্তঝরা এ দিনেই জাতি হারিয়েছে তার গর্ব, ইতিহাসের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল এই বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে একদিন তিনি ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত, শস্য-শ্যামলা সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করার। সেই লক্ষ্য নিয়েই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাজ করেছেন।

বাংলাদেশ টেলিভিশন ও এফডিসির প্রাক্তন মহাপরিচালক এবং বিশিষ্ট নাট্যজন ম.হামিদ  বলেন, আমরা জানি পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের মধ্য দিয়েই বঙ্গবন্ধুকে নিঃশেষ করতে পারেনি খুনিরা।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এখনও তার জীবন, কর্ম ও বাণী দিয়ে জাতিকে শক্তি জুগিয়ে চলছেন। আমরা নিশ্চিত, অনাগত দিনগুলোতেও বঙ্গবন্ধু হয়ে থাকবেন বাঙালি জাতি ও বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্য অনিঃশেষ বাতিঘর।

তিনি ভরাট কণ্ঠে বলেছিলেন, 'বিশ্ব দুই ভাগে বিভক্ত- শোষক ও শোষিত। শেখ মুজিব শোষিতের পক্ষে।' তাই আজও পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে স্বাধীনতা বা স্বাধীকারের প্রশ্ন এলে একজন শেখ মুজিবের কথা সবার আগে মনে হয়।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

কানাডায় ১৫ আগস্ট নিয়ে ভার্চুয়াল আলোচনা

 রাজীব আহসান, কানাডা থেকে 
১৫ আগস্ট ২০২০, ১১:৩৭ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কানাডার আলবার্টার প্রথম বাংলা অনলাইন পোর্টাল প্রবাস বাংলা ভয়েসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ নিয়ে ভার্চুয়াল আলোচনা।

আলোচনার শুরুতেই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পরিবারের অন্য শহীদদের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়ে শুরু হয় আলোচনা অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন প্রবাস বাংলা ভয়েসের প্রধান সম্পাদক আহসান রাজীব বুলবুল।

এতে উপস্থিত ছিলেন, কানাডাস্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনার মিজানুর রহমান, বালাদেশ টেলিভিশন ও এফডিসির সাবেক মহাপরিচালক, বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের মাবেক চেয়ারম্যান এবং বিশিষ্ট নাট্যজন ম. হামিদ, বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর সাবেক পরিচালক ও বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের নির্বাহী সভাপতি এবং চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ও বিশিষ্ট নাট্যজন ফাল্গু নী হামিদ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কানাডার আলবার্টা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি আবদুল্লাহ রফিক এবং কানাডার আলবার্টা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাফর সেলিম।

আলোচনায় বক্তারা বঙ্গবন্ধুর চিন্তা-চেতনা ও ভাবাদর্শ, বঙ্গবন্ধুর সাফল্যের নেপথ্যে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছার অবদান, কানাডায় অবস্থানরত ঘাতক নূর চৌধুরীকে দেশে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য কূটনৈতিক পর্যায়ের বর্তমান অবস্থা, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী কুশিলীবদের সঙ্গে যারা সরাসরি জড়িত ছিল তাদের মদদদাতা কারা ছিল তাদের ব্যাপারে সরকারের জোরালো পদক্ষেপ, ১৫ আগস্টের কাল রাতের পটভূমি, বাঙালি ও বাঙালি জাতিকে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও পরিকল্পনা,বঙ্গবন্ধুর সেক্যুলার রাজনীতির পর্যবেক্ষণ এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান নিয়ে আলোচনা করেন।

কানাডাস্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনার মিজানুর রহমান বলেন, জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কিত রাত আজ। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী।

১৯৭৫-এর কালিমা লিপ্ত রক্তঝরা এ দিনেই জাতি হারিয়েছে তার গর্ব, ইতিহাসের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল এই বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে একদিন তিনি ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত, শস্য-শ্যামলা সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করার। সেই লক্ষ্য নিয়েই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাজ করেছেন।

বাংলাদেশ টেলিভিশন ও এফডিসির প্রাক্তন মহাপরিচালক এবং বিশিষ্ট নাট্যজন ম.হামিদ বলেন, আমরা জানি পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের মধ্য দিয়েই বঙ্গবন্ধুকে নিঃশেষ করতে পারেনি খুনিরা।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এখনও তার জীবন, কর্ম ও বাণী দিয়ে জাতিকে শক্তি জুগিয়ে চলছেন। আমরা নিশ্চিত, অনাগত দিনগুলোতেও বঙ্গবন্ধু হয়ে থাকবেন বাঙালি জাতি ও বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্য অনিঃশেষ বাতিঘর।

তিনি ভরাট কণ্ঠে বলেছিলেন, 'বিশ্ব দুই ভাগে বিভক্ত- শোষক ও শোষিত। শেখ মুজিব শোষিতের পক্ষে।' তাই আজও পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে স্বাধীনতা বা স্বাধীকারের প্রশ্ন এলে একজন শেখ মুজিবের কথা সবার আগে মনে হয়।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
 
আরও খবর