আসুন সবাই মিলে সংবিধানটা বাস্তবায়ন করি
jugantor
আসুন সবাই মিলে সংবিধানটা বাস্তবায়ন করি

  রহমান মৃধা, সুইডেন থেকে  

১৭ আগস্ট ২০২০, ১১:৩৮:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশে এখনও অনেক পুরুষ বিয়ে করার সময় যৌতুক নিয়ে থাকেন। হাটে-বাজারে কাজের লোক কেনারও প্রথা চালু রয়েছে সেখানে। নারীকে কাজের লোকের মতো করে ব্যবহার করা হয় বেশির ভাগ ক্ষেত্রে। অনেক নারীরা বাবার সম্পদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয় বিয়ের পরে।

হিন্দু মুসলিম বলে কথা নেই, নারীর প্রতি অবিচার এখনও বিরাজমান সেখানে। মজার ব্যাপার হলো সেখানে বহু যুগ ধরে নারীশাসন চলা সত্ত্বেও এসবের পরিবর্তন খুব একটি চোখে পড়ে না। জনৈক মহিলা গল্প করছে বাংলাদেশের আইন প্রসঙ্গে। মহিলার বাড়ি ইতালি, গ্রামের নাম গায়েতা। সে বহু বছর বাংলাদেশে থেকেছে, রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইতে পারে।

ইতালি চিকন এবং লম্বা একটি দেশ। চারপাশে সাগর। গায়েতা গ্রামে ছোট্ট একটি কফি শপ তার। বিশ্বের নানাদেশের মানুষের আনাগোনা সেখানে। আমি যে বসে আছি সেখানে সে খেয়াল তার নেই। জিজ্ঞেসও করেনি আমি কোন দেশের। কথা বলছে আমেরিকান এক মহিলার সঙ্গে। মহিলাও বেশ তাল মিলিয়ে আলোচনা করে চলছে।

আমি বেশ কৌতূহলের ছলে বসে বসে সব শুনছি আর কফি পান করছি। আমার সঙ্গে রয়েছে আমার সহধর্মিণী মারিয়া। মারিয়া দুইবার বাংলাদেশে গিয়েছে বটে, তবে অনেক আগের কথা। তারপর তার জার্নি ছিল স্বল্প সময়ের জন্য। এতকিছু সম্পর্কে তার তেমন ধারণা না থাকারই কথা।

তারপরও সে সব শুনছে এবং মাঝেমধ্যে আমাকে সুইডিশে বলছে, “কই” তোমার বাবাকে তো দেখিনি তোমার মাকে এমন করে ট্রিট করতে যা মহিলা বলছে? তোমারও তো তিনটি বোন আছে, “কই” এসব কথার সঙ্গে তো কোনই মিল পাওয়া যাচ্ছে না। তুমি প্রতিবাদ কর নইলে মহিলা তোমার দেশের সম্পর্কে এভাবে ভুল তথ্য ছড়াবে। কী জানি কতদিন ধরে মহিলা এভাবে ছাড়াচ্ছে।

আমি মারিয়াকে বললাম আজ কোনো কথা নয়, কাল এখানে আসবো তখন মহিলার সঙ্গে পরিচিত হবো এবং জানবো কীভাবে মহিলা এত সব তথ্য সম্পর্কে অবগত আর কী তার উদ্দেশ্য। পরের দিন আবারও এসে হাজির, কিছু না বলতেই জিজ্ঞেস করলো আমি কোন দেশের? বললাম, আমি বাংলাদেশি। মহিলা শুরু করলো বাংলাদেশের বিচারবিভাগ থেকে শুরু করে নারী-পুরুষের ব্যবধান তারপর দুর্নীতি-অনীতি ইত্যাদি নিয়ে। যা আমি নিজে জানি, সে মহিলাও তা জানে। সেইসঙ্গে জানে আরও অনেক তথ্য।
বেশি কিছুতে দ্বিমত পোষণ করতে পারলাম না। পরে জানতে পারলাম মহিলা বহু বছর বাংলাদেশে বসবাস করেছে। বিশ্বের সর্বত্রই কমবেশি অন্যায়, অপকর্ম, দুর্নীতি, দলীয় প্রভাব বিস্তারসহ নানা ধরণের অমানবিক কার্যকলাপ হয়ে থাকে। এ কারণে আইনি শাসনব্যবস্থা বিদ্যমান। কিন্তু বাংলাদেশে এক্ষেত্রে একটু ব্যতিক্রম।

সমাজের সবখানেই এখন নানান রকম বৈষম্য। সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার অধিকারও বলা যায় হুমকির সম্মুখীন! প্রতিটা জায়গাতেই সাধারণ মানুষ অগ্রহণযোগ্য, বিতাড়িত। পক্ষান্তরে, দেশে সরকারি ইউনিফর্ম পরে মানবসেবার বদলে আজ চরম বিধ্বংসী ও বেপরোয়া। কিছুতেই থামছে না তাদের হত্যাযজ্ঞ, অন্যায়। আমরা জাতি হিসেবে এখন আতংকিত ও ভীষণ চিন্তিত।

ইদানীং প্রধানমন্ত্রী নিজে দায়িত্ব নিয়ে বিচারের নির্দেশ দিচ্ছেন, সঠিক বিচারও হয়তো হচ্ছে, তবে যে সকল সাধারণ মানুষ হয়রানি বা হেনস্তার শিকার হয়ে দীর্ঘদিন যাবত বিচার না পেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরে পেরেশান হয়ে সব খুইয়ে দিশেহারা, তাদের দায়িত্ব কে নিবে? তাদের বিচার কিভাবে হবে, কে করবে? বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ ও বর্তমান বাংলাদেশের মধ্যে পার্থক্য কী এবং কী করণীয় রয়েছে আমাদের?

আমাদের জাতির পিতার স্বাক্ষরিত দলিলটি যা তিনি রেখে গেছেন তা হলো বাংলাদেশের পবিত্র সংবিধান। এখানে সবই বলা আছে- উনি কী চেয়েছিলেন। জনগণ হবে ক্ষমতার মালিক। ধর্মনিরপেক্ষ সমাজ হবে। শোষণমুক্ত দেশ হবে। ধর্ম ধর্মের জায়গায় থাকবে। ধর্ম নিয়ে কেউ রাজনীতি করবে না। বঙ্গবন্ধু এই সংবিধানে স্বাক্ষর করেছেন। এখানে আইনের শাসনের কথা আছে, বিচার বিভাগের স্বাধীনতার কথা আছে। নারী-পুরুষ বৈষম্য নিরসনের কথা আছে। কিন্তু তা কি সঠিক ভাবে সবাই মেনে চলছে? জাতির পিতার স্বাক্ষরিত সংবিধান অনুসরণ করলেই সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে।

দেশের অনেক উন্নতি হয়েছে, এটা ঠিক। নারীশিক্ষা বেড়েছে, কিন্তু শিক্ষার মান বাড়েনি। বৈষম্য বেড়েছে গ্রাম ও শহরের মধ্যে। কিছু ধনী লোক বেড়েছে। এখানে সবারই খেয়ে-পরে বাঁচতে হবে। সংবিধানে এটা বলা আছে। এখন তো আমরা সবাই মিলে বলতে পারি, আসুন সবাই মিলে সংবিধানটা বাস্তবায়ন করি। এখনও সময় আছে।

এ কাজটাতে সবাইকে গুরুত্ব দিতে হবে। এটা করতে পারলে বঙ্গবন্ধুর প্রতি সত্যিকার অর্থে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হবে। বঙ্গবন্ধুকে জাতির হৃদয়ে বাঁচিয়ে রাখতে হলে তার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে।

কেউ এটা ভেবে ভুল বুঝবেন না যে, আমি ইতালির মহিলাকে সাপোর্ট করেছি। সাপোর্ট দিলে তো ঘটনাটি শেয়ার করতাম না। আমি দল-মত নির্বিশেষে সকল সাধারণ ও ভিআইপি নারী পুরুষকে একই মানদণ্ডে দেখতে চাই। যেখানে থাকবে না কোনো ধর্মীয় বা দলীয় বিচার-বিশ্লেষণ, বিবেচিত হবে না কে গরীব কে ধনী বা ক্ষমতাসীন আর কে ক্ষমতাহীন। সবাই স্বাধীন রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে সঠিক ও ন্যায়বিচার পাবে।

লেখক: রহমান মৃধা, সাবেক পরিচালক (প্রোডাকশন অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট), ফাইজার, সুইডেন থেকে, [email protected]

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

আসুন সবাই মিলে সংবিধানটা বাস্তবায়ন করি

 রহমান মৃধা, সুইডেন থেকে 
১৭ আগস্ট ২০২০, ১১:৩৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশে এখনও অনেক পুরুষ বিয়ে করার সময় যৌতুক নিয়ে থাকেন। হাটে-বাজারে কাজের লোক কেনারও প্রথা চালু রয়েছে সেখানে। নারীকে কাজের লোকের মতো করে ব্যবহার করা হয় বেশির ভাগ ক্ষেত্রে। অনেক নারীরা বাবার সম্পদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয় বিয়ের পরে। 

হিন্দু মুসলিম বলে কথা নেই, নারীর প্রতি অবিচার এখনও বিরাজমান সেখানে। মজার ব্যাপার হলো সেখানে বহু যুগ ধরে নারীশাসন চলা সত্ত্বেও এসবের পরিবর্তন খুব একটি চোখে পড়ে না। জনৈক মহিলা গল্প করছে বাংলাদেশের আইন প্রসঙ্গে। মহিলার বাড়ি ইতালি, গ্রামের নাম গায়েতা। সে বহু বছর বাংলাদেশে থেকেছে, রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইতে পারে। 

ইতালি চিকন এবং লম্বা একটি দেশ। চারপাশে সাগর। গায়েতা গ্রামে ছোট্ট একটি কফি শপ তার। বিশ্বের নানাদেশের মানুষের আনাগোনা সেখানে। আমি যে বসে আছি সেখানে সে খেয়াল তার নেই। জিজ্ঞেসও করেনি আমি কোন দেশের। কথা বলছে আমেরিকান এক মহিলার সঙ্গে। মহিলাও বেশ তাল মিলিয়ে আলোচনা করে চলছে। 

আমি বেশ কৌতূহলের ছলে বসে বসে সব শুনছি আর কফি পান করছি। আমার সঙ্গে রয়েছে আমার সহধর্মিণী মারিয়া। মারিয়া দুইবার বাংলাদেশে গিয়েছে বটে, তবে অনেক আগের কথা। তারপর তার জার্নি ছিল স্বল্প সময়ের জন্য। এতকিছু সম্পর্কে তার তেমন ধারণা না থাকারই কথা। 

তারপরও সে সব শুনছে এবং মাঝেমধ্যে আমাকে সুইডিশে বলছে, “কই” তোমার বাবাকে তো দেখিনি তোমার মাকে এমন করে ট্রিট করতে যা মহিলা বলছে? তোমারও তো তিনটি বোন আছে, “কই” এসব কথার সঙ্গে তো কোনই মিল পাওয়া যাচ্ছে না। তুমি প্রতিবাদ কর নইলে মহিলা তোমার দেশের সম্পর্কে এভাবে ভুল তথ্য ছড়াবে। কী জানি কতদিন ধরে মহিলা এভাবে ছাড়াচ্ছে। 

আমি মারিয়াকে বললাম আজ কোনো কথা নয়, কাল এখানে আসবো তখন মহিলার সঙ্গে পরিচিত হবো এবং জানবো কীভাবে মহিলা এত সব তথ্য সম্পর্কে অবগত আর কী তার উদ্দেশ্য। পরের দিন আবারও এসে হাজির, কিছু না বলতেই জিজ্ঞেস করলো আমি কোন দেশের? বললাম, আমি বাংলাদেশি। মহিলা শুরু করলো বাংলাদেশের বিচারবিভাগ থেকে শুরু করে নারী-পুরুষের ব্যবধান তারপর দুর্নীতি-অনীতি ইত্যাদি নিয়ে। যা আমি নিজে জানি, সে মহিলাও তা জানে। সেইসঙ্গে জানে আরও অনেক তথ্য। 
বেশি কিছুতে দ্বিমত পোষণ করতে পারলাম না। পরে জানতে পারলাম মহিলা বহু বছর বাংলাদেশে বসবাস করেছে। বিশ্বের সর্বত্রই কমবেশি অন্যায়, অপকর্ম, দুর্নীতি, দলীয় প্রভাব বিস্তারসহ নানা ধরণের অমানবিক কার্যকলাপ হয়ে থাকে। এ কারণে আইনি শাসনব্যবস্থা বিদ্যমান। কিন্তু বাংলাদেশে এক্ষেত্রে একটু ব্যতিক্রম। 

সমাজের সবখানেই এখন নানান রকম বৈষম্য। সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার অধিকারও বলা যায় হুমকির সম্মুখীন! প্রতিটা জায়গাতেই সাধারণ মানুষ অগ্রহণযোগ্য, বিতাড়িত। পক্ষান্তরে, দেশে সরকারি ইউনিফর্ম পরে মানবসেবার বদলে আজ চরম বিধ্বংসী ও বেপরোয়া। কিছুতেই থামছে না তাদের হত্যাযজ্ঞ, অন্যায়। আমরা জাতি হিসেবে এখন আতংকিত ও ভীষণ চিন্তিত।
 
ইদানীং প্রধানমন্ত্রী নিজে দায়িত্ব নিয়ে বিচারের নির্দেশ দিচ্ছেন, সঠিক বিচারও হয়তো হচ্ছে, তবে যে সকল সাধারণ মানুষ হয়রানি বা হেনস্তার শিকার হয়ে দীর্ঘদিন যাবত বিচার না পেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরে পেরেশান হয়ে সব খুইয়ে দিশেহারা, তাদের দায়িত্ব কে নিবে? তাদের বিচার কিভাবে হবে, কে করবে? বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ ও বর্তমান বাংলাদেশের মধ্যে পার্থক্য কী এবং কী করণীয় রয়েছে আমাদের?

আমাদের জাতির পিতার স্বাক্ষরিত দলিলটি যা তিনি রেখে গেছেন তা হলো বাংলাদেশের পবিত্র সংবিধান। এখানে সবই বলা আছে- উনি কী চেয়েছিলেন। জনগণ হবে ক্ষমতার মালিক। ধর্মনিরপেক্ষ সমাজ হবে। শোষণমুক্ত দেশ হবে। ধর্ম ধর্মের জায়গায় থাকবে। ধর্ম নিয়ে কেউ রাজনীতি করবে না। বঙ্গবন্ধু এই সংবিধানে স্বাক্ষর করেছেন। এখানে আইনের শাসনের কথা আছে, বিচার বিভাগের স্বাধীনতার কথা আছে। নারী-পুরুষ বৈষম্য নিরসনের কথা আছে। কিন্তু তা কি সঠিক ভাবে সবাই মেনে চলছে?  জাতির পিতার স্বাক্ষরিত সংবিধান অনুসরণ করলেই সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে। 

দেশের অনেক উন্নতি হয়েছে, এটা ঠিক। নারীশিক্ষা বেড়েছে, কিন্তু শিক্ষার মান বাড়েনি। বৈষম্য বেড়েছে গ্রাম ও শহরের মধ্যে। কিছু ধনী লোক বেড়েছে। এখানে সবারই খেয়ে-পরে বাঁচতে হবে। সংবিধানে এটা বলা আছে। এখন তো আমরা সবাই মিলে বলতে পারি, আসুন সবাই মিলে সংবিধানটা বাস্তবায়ন করি। এখনও সময় আছে। 

এ কাজটাতে সবাইকে গুরুত্ব দিতে হবে। এটা করতে পারলে বঙ্গবন্ধুর প্রতি সত্যিকার অর্থে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হবে। বঙ্গবন্ধুকে জাতির হৃদয়ে বাঁচিয়ে রাখতে হলে তার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে।

কেউ এটা ভেবে ভুল বুঝবেন না যে, আমি ইতালির মহিলাকে সাপোর্ট করেছি। সাপোর্ট দিলে তো ঘটনাটি শেয়ার করতাম না। আমি দল-মত নির্বিশেষে সকল সাধারণ ও ভিআইপি নারী পুরুষকে একই মানদণ্ডে দেখতে চাই। যেখানে থাকবে না কোনো ধর্মীয় বা দলীয় বিচার-বিশ্লেষণ, বিবেচিত হবে না কে গরীব কে ধনী বা ক্ষমতাসীন আর কে ক্ষমতাহীন। সবাই স্বাধীন রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে সঠিক ও ন্যায়বিচার পাবে। 

লেখক: রহমান মৃধা, সাবেক পরিচালক (প্রোডাকশন অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট), ফাইজার, সুইডেন থেকে, [email protected]

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
 

ঘটনাপ্রবাহ : রহমান মৃধার কলাম

০৪ অক্টোবর, ২০২০
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০