ক্যাশ টাকার পরিবর্তে ভার্চুয়াল লেনদেন বাড়াতে হবে
jugantor
ক্যাশ টাকার পরিবর্তে ভার্চুয়াল লেনদেন বাড়াতে হবে

  রহমান মৃধা, সুইডেন থেকে  

২৩ আগস্ট ২০২০, ১১:৫৩:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

অনেকদিন পর স্টকহোমের বাইরে পাঁচ দিনের জন্য ভ্রমণে গিয়েছিলাম সুইডেনের সবচেয়ে বড় একটি দ্বীপে। দ্বীপটির নাম গ্যোটল্যান্ড। জাহাজে করে যেতে সময় লাগে তিন ঘণ্টার মতো। সেখানে যাওয়ার পথে গ্যোটল্যান্ডের ওপর আমি একটি আর্টিকেলও লিখেছিলাম।

পাঁচ দিন অনেক সময়। ভ্রমণে যদি সেটাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো যায় মন্দ কী! গ্যোটল্যান্ডের চারপাশ জুড়ে রয়েছে বাল্টিক সাগর। গ্যোটল্যান্ডকে মনের আনন্দে ঘুরে বেড়ানো এবং প্রতিদিন বাল্টিক সাগরে সাঁতার কাটা ছিল উল্লেখযোগ্য এক্টিভিটিজ।

যেমন সকালে ব্রেকফাস্ট শেষে বেরিয়ে পড়েছি অচেনাকে চেনা আর অজানাকে জানার জন্য। আবার বিকেলে বন্ধু ভিভিয়ান এবং লার্সের বাসায় ফিরে এসে বার্বিকিউ করেছি, আড্ডা দিয়েছি এবং এক সঙ্গে ডিনার করেছি।

ডিনার শেষে পড়ন্ত বিকেলে সূর্যকে প্রতিদিন বাল্টিক সাগরে স্লো-মোশনে হারিয়ে যেতে দেখা। সেইসঙ্গে ছবি তোলা এবং ভিডিও করা ছিল আরেকটি কাজ। ভ্রমণের সব কাজকে কাজ বলে মনে হয় না, ভ্রমণ এক ধরণের বিনোদন।

প্রথম দিনই যে দুটো জিনিস নিয়ে ভিডিওতে কথা বলেছিলাম তার মধ্যে একটি ছিল বাল্টিক সাগরের পানি বেশি নোনা নয় কেন? আর অন্যটি ছিল সুইডেনে সূর্য কেন কিছুটা ধীর গতিতে অস্ত যায়?

ছোটবেলায় বাংলাদেশেও সূর্য অস্ত যেতে দেখেছি। সেখানে দেখতে দেখতে সূর্য হারিয়ে যেত কিন্তু সুইডেনে বেশ সময় ধরে অস্ত যায়। কারণ সুইডেন পৃথিবীর যে জায়গায় অবস্থিত সেক্ষেত্রে সামারে সূর্য দীর্ঘ সময় ধরে দেখা যায়। দিন অনেক বড় হয় যা শীতে সম্পূর্ণ বিপরীত।

এসব তথ্য বই ঘাঁটলেই জানা সম্ভব তবে ভ্রমণে নিজের মতো করে কিছু দেখা, কিছু জানা সত্যি এ এক ভিন্ন ধরণের অনুভূতি। এ শুধু যারা ভ্রমণ করেছে তারাই বুঝবে। আরেকটি জিনিস যা বলেছিলাম তা হলো বাল্টিক সাগরের পানি কেন নোনা কম।

সাধারণত সাগরের পানি খুব লবণাক্ত হয় যা আমরা সবাই জানি। তবে বাল্টিক সাগরের পানি কিছুটা মিষ্টি। কারণ হলো বাল্টিক সাগরের আশপাশে যে পরিমাণ বরফ এবং বৃষ্টি পড়ে প্রতিবছর তা গড়িয়ে সাগরে এসে জমা হয়।

তারপর বাল্টিক সাগর পৃথিবীর অন্যান্য সাগরের তুলনায় ছোট, সব মিলে পানি অন্যান্য সাগরের মতো লবণাক্ত না। এবারের ভ্রমণে কোভিড-১৯ নিয়ে যতটা আলোচনা হয়েছে তারচেয়ে বেশি আলোচনা হয়েছে গণতন্ত্র নিয়ে।

তার কারণ ভিভিয়ানের জন্মস্থান ব্রাজিলে আর আমার জন্মস্থান বাংলাদেশে। কাগজে কলমে আমাদের দুটো দেশই গণতান্ত্রিক তবে বাস্তবে সেটা কার্যকর যে নয় তা সুইডেনের সঙ্গে তুলনা করলে সহজে উপলব্ধি করা যায়।

হঠাৎ ভিভিয়ান এবং আমার আলোচনার মাঝে লার্স যোগ দিয়ে বলতে শুরু করলো, গতবছর ব্রাজিলে বেড়াতে গিয়ে বেশ ঝামেলায় পড়েছিলাম। আমি জিজ্ঞেস করলাম কিসের ঝামেলা? উত্তরে সে বললো রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে পারিনি। কারণ সারাক্ষণ মাইকিং-এর মাধ্যমে ভোটের ক্যানভাস চলে সেখানে। রাস্তাঘাটে সাইনবোর্ডে ভরা।

শেষে দেখা যায় কে সত্যিকার দেশের মঙ্গল করবে সেটা নয় বরং কে কত টাকা নিয়ে ভোট বিক্রি করতে সক্ষম হয়েছে আর কার কত টাকা ছিল যে ভোট কিনে জয় ছিনিয়ে নিতে পেরেছে। এটা কী করে গণতন্ত্র হয়, টাকা আর কারচুপি করেই যখন গণতন্ত্র তাহলে ওই ভোটের আদৌও কোন মূল্য আছে কি?

সামান্য কিছু অর্থের বিনিময়ে পাঁচ বছরের জন্য নিজের ভালোমন্দ বিক্রি করে দেয়া কি গণতন্ত্র? গণতন্ত্রের জন্য যা দরকার যতদিন তা না হবে ততদিন ভোট দেয়া আর না দেয়ার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই ইত্যাদি।

লার্সের কথাগুলো শুনতে শুনতে মনে মনে কিছুটা সময় বাংলাদেশের কথা ভাবছি! তার কথাগুলো ভালো লেগেছে যেমন ভোট দেয়া নেয়ার আগে প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন হতে হবে। নিজ দেশের প্রতি ভালোবাসা, সঙ্গে ট্যাক্স পে করা এবং সর্বোপরি দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে।

প্রথম কাজটি ব্রাজিলের করা দরকার তা হলো একটি নির্ভরযোগ্য সিস্টেম প্রতিষ্ঠিত করা এবং সেই সিস্টেমের মাধ্যমে অর্থকে ১০০% নিয়ন্ত্রণ করা। সেটা না হলে দুর্নীতি যেমন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে না ঠিক তেমনি করে আইনের শাসনও কায়েম হবে না। কারণ তা অর্থ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে যেমনটি হচ্ছে বর্তমানে। সেক্ষেত্রে শাসন ব্যবস্থার অবনতির সঙ্গে দেশে অরাজকতা বাড়তে থাকবে।

বিশ্বের যেসব দেশ সত্যিকারভাবে গণতন্ত্রে উপনীত হয়েছে সুইডেন তার মধ্যে অন্যতম সে বিষয়ে কারো সন্দেহ থাকার কথা নয়। কারণ এখানে ট্যাক্স ফাঁকি দেবার চেষ্টা কিছুটা থাকলেও বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় তা খুবই নগণ্য।

সুইডেন সারাক্ষণ দেশের সিস্টেমকে জোরালো করা থেকে শুরু করে ক্যাশ টাকায় বেচাকেনা হ্রাস করছে এবং ডিজিটাল বা ভার্চুয়াল কার্ডের ব্যবহার বৃদ্ধি করছে। যার ফলে কালোটাকাকে সাদা করার সুযোগ খুবই কম। ১৫ হাজার টাকার বেশি ব্যাংকে জমা দিতে গেলে হাজারটা প্রশ্ন। সেগুলোর যদি সঠিক, যুক্তিসঙ্গত এবং গ্রহণযোগ্য উত্তর না হয় তবে সমস্যা।

কার্ড ছাড়া টেলিফোনের মাধ্যমে টাকার লেনদেন সহজ এবং নির্ভেজালভাবে চলছে এখানে। বন্ধু লার্স এ বিষয়ের ওপর এক্সপার্ট, তার কোম্পানি এ ব্যাপারে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে চলছে। এবারের গ্যোটল্যান্ডের ভ্রমণে লার্স শুধু সেবা দিয়ে নয় বিশ্ব থেকে দুর্নীতি দূর করার একটি চমৎকার সমাধান মাথায় ঢুকিয়ে দিল।

দুই বছর আগে এমনটি স্বপ্ন দেখেছিলাম বাংলাদেশকে নিয়ে। লার্সের কথায় মনে হলো সুইডেন বাংলাদেশের সমস্যার সমাধানে সাহায্য করতে দ্বিধাবোধ করবে না যদি বাংলাদেশ মনে করে এমনটি পরিবর্তন প্রয়োজন।

লেখক: রহমান মৃধা, সাবেক পরিচালক (প্রোডাকশন অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট), ফাইজার, সুইডেন থেকে, [email protected]

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

ক্যাশ টাকার পরিবর্তে ভার্চুয়াল লেনদেন বাড়াতে হবে

 রহমান মৃধা, সুইডেন থেকে 
২৩ আগস্ট ২০২০, ১১:৫৩ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

অনেকদিন পর স্টকহোমের বাইরে পাঁচ দিনের জন্য ভ্রমণে গিয়েছিলাম সুইডেনের সবচেয়ে বড় একটি দ্বীপে। দ্বীপটির নাম গ্যোটল্যান্ড। জাহাজে করে যেতে সময় লাগে তিন ঘণ্টার মতো। সেখানে যাওয়ার পথে গ্যোটল্যান্ডের ওপর আমি একটি আর্টিকেলও লিখেছিলাম। 

পাঁচ দিন অনেক সময়। ভ্রমণে যদি সেটাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো যায় মন্দ কী! গ্যোটল্যান্ডের চারপাশ জুড়ে রয়েছে বাল্টিক সাগর। গ্যোটল্যান্ডকে মনের আনন্দে ঘুরে বেড়ানো এবং প্রতিদিন বাল্টিক সাগরে সাঁতার কাটা ছিল উল্লেখযোগ্য এক্টিভিটিজ। 

যেমন সকালে ব্রেকফাস্ট শেষে বেরিয়ে পড়েছি অচেনাকে চেনা আর অজানাকে জানার জন্য। আবার বিকেলে বন্ধু ভিভিয়ান এবং লার্সের বাসায় ফিরে এসে বার্বিকিউ করেছি, আড্ডা দিয়েছি এবং এক সঙ্গে ডিনার করেছি। 

ডিনার শেষে পড়ন্ত বিকেলে সূর্যকে প্রতিদিন বাল্টিক সাগরে স্লো-মোশনে হারিয়ে যেতে দেখা। সেইসঙ্গে ছবি তোলা এবং ভিডিও করা ছিল আরেকটি কাজ। ভ্রমণের সব কাজকে কাজ বলে মনে হয় না, ভ্রমণ এক ধরণের বিনোদন। 

প্রথম দিনই যে দুটো জিনিস নিয়ে ভিডিওতে কথা বলেছিলাম তার মধ্যে একটি ছিল বাল্টিক সাগরের পানি বেশি নোনা নয় কেন? আর অন্যটি ছিল সুইডেনে সূর্য কেন কিছুটা ধীর গতিতে অস্ত যায়? 

ছোটবেলায় বাংলাদেশেও সূর্য অস্ত যেতে দেখেছি। সেখানে দেখতে দেখতে সূর্য হারিয়ে যেত কিন্তু সুইডেনে বেশ সময় ধরে অস্ত যায়। কারণ সুইডেন পৃথিবীর যে জায়গায় অবস্থিত সেক্ষেত্রে সামারে সূর্য দীর্ঘ সময় ধরে দেখা যায়। দিন অনেক বড় হয় যা শীতে সম্পূর্ণ বিপরীত। 

এসব তথ্য বই ঘাঁটলেই জানা সম্ভব তবে ভ্রমণে নিজের মতো করে কিছু দেখা, কিছু জানা সত্যি এ এক ভিন্ন ধরণের অনুভূতি। এ শুধু যারা ভ্রমণ করেছে তারাই বুঝবে। আরেকটি জিনিস যা বলেছিলাম তা হলো বাল্টিক সাগরের পানি কেন নোনা কম। 

সাধারণত সাগরের পানি খুব লবণাক্ত হয় যা আমরা সবাই জানি। তবে বাল্টিক সাগরের পানি কিছুটা মিষ্টি। কারণ হলো বাল্টিক সাগরের আশপাশে যে পরিমাণ বরফ এবং বৃষ্টি পড়ে প্রতিবছর তা গড়িয়ে সাগরে এসে জমা হয়। 

তারপর বাল্টিক সাগর পৃথিবীর অন্যান্য সাগরের তুলনায় ছোট, সব মিলে পানি অন্যান্য সাগরের মতো লবণাক্ত না। এবারের ভ্রমণে কোভিড-১৯ নিয়ে যতটা আলোচনা হয়েছে তারচেয়ে বেশি আলোচনা হয়েছে গণতন্ত্র নিয়ে। 

তার কারণ ভিভিয়ানের জন্মস্থান ব্রাজিলে আর আমার জন্মস্থান বাংলাদেশে। কাগজে কলমে আমাদের দুটো দেশই গণতান্ত্রিক তবে বাস্তবে সেটা কার্যকর যে নয় তা সুইডেনের সঙ্গে তুলনা করলে সহজে উপলব্ধি করা যায়। 

হঠাৎ ভিভিয়ান এবং আমার আলোচনার মাঝে লার্স যোগ দিয়ে বলতে শুরু করলো, গতবছর ব্রাজিলে বেড়াতে গিয়ে বেশ ঝামেলায় পড়েছিলাম। আমি জিজ্ঞেস করলাম কিসের ঝামেলা? উত্তরে সে বললো রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে পারিনি। কারণ সারাক্ষণ মাইকিং-এর মাধ্যমে ভোটের ক্যানভাস চলে সেখানে। রাস্তাঘাটে সাইনবোর্ডে ভরা। 

শেষে দেখা যায় কে সত্যিকার দেশের মঙ্গল করবে সেটা নয় বরং কে কত টাকা নিয়ে ভোট বিক্রি করতে সক্ষম হয়েছে আর কার কত টাকা ছিল যে ভোট কিনে জয় ছিনিয়ে নিতে পেরেছে। এটা কী করে গণতন্ত্র হয়, টাকা আর কারচুপি করেই যখন গণতন্ত্র তাহলে ওই ভোটের আদৌও কোন মূল্য আছে কি? 

সামান্য কিছু অর্থের বিনিময়ে পাঁচ বছরের জন্য নিজের ভালোমন্দ বিক্রি করে দেয়া কি গণতন্ত্র? গণতন্ত্রের জন্য যা দরকার যতদিন তা না হবে ততদিন ভোট দেয়া আর না দেয়ার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই ইত্যাদি। 

লার্সের কথাগুলো শুনতে শুনতে মনে মনে কিছুটা সময় বাংলাদেশের কথা ভাবছি! তার কথাগুলো ভালো লেগেছে যেমন ভোট দেয়া নেয়ার আগে প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন হতে হবে। নিজ দেশের প্রতি ভালোবাসা, সঙ্গে ট্যাক্স পে করা এবং সর্বোপরি দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে। 

প্রথম কাজটি ব্রাজিলের করা দরকার তা হলো একটি নির্ভরযোগ্য সিস্টেম প্রতিষ্ঠিত করা এবং সেই সিস্টেমের মাধ্যমে অর্থকে ১০০% নিয়ন্ত্রণ করা। সেটা না হলে দুর্নীতি যেমন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে না ঠিক তেমনি করে আইনের শাসনও কায়েম হবে না। কারণ তা অর্থ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে যেমনটি হচ্ছে বর্তমানে। সেক্ষেত্রে শাসন ব্যবস্থার অবনতির সঙ্গে দেশে অরাজকতা বাড়তে থাকবে।

বিশ্বের যেসব দেশ সত্যিকারভাবে গণতন্ত্রে উপনীত হয়েছে সুইডেন তার মধ্যে অন্যতম সে বিষয়ে কারো সন্দেহ থাকার কথা নয়। কারণ এখানে ট্যাক্স ফাঁকি দেবার চেষ্টা কিছুটা থাকলেও বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় তা খুবই নগণ্য। 

সুইডেন সারাক্ষণ দেশের সিস্টেমকে জোরালো করা থেকে শুরু করে ক্যাশ টাকায় বেচাকেনা হ্রাস করছে এবং ডিজিটাল বা ভার্চুয়াল কার্ডের ব্যবহার বৃদ্ধি করছে। যার ফলে কালোটাকাকে সাদা করার সুযোগ খুবই কম। ১৫ হাজার টাকার বেশি ব্যাংকে জমা দিতে গেলে হাজারটা প্রশ্ন। সেগুলোর যদি সঠিক, যুক্তিসঙ্গত এবং গ্রহণযোগ্য উত্তর না হয় তবে সমস্যা। 

কার্ড ছাড়া টেলিফোনের মাধ্যমে টাকার লেনদেন সহজ এবং নির্ভেজালভাবে চলছে এখানে। বন্ধু লার্স এ বিষয়ের ওপর এক্সপার্ট, তার কোম্পানি এ ব্যাপারে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে চলছে। এবারের গ্যোটল্যান্ডের ভ্রমণে লার্স শুধু সেবা দিয়ে নয় বিশ্ব থেকে দুর্নীতি দূর করার একটি চমৎকার সমাধান মাথায় ঢুকিয়ে দিল। 

দুই বছর আগে এমনটি স্বপ্ন দেখেছিলাম বাংলাদেশকে নিয়ে। লার্সের কথায় মনে হলো সুইডেন বাংলাদেশের সমস্যার সমাধানে সাহায্য করতে দ্বিধাবোধ করবে না যদি বাংলাদেশ মনে করে এমনটি পরিবর্তন প্রয়োজন।

লেখক: রহমান মৃধা, সাবেক পরিচালক (প্রোডাকশন অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট), ফাইজার, সুইডেন থেকে, [email protected]

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
 

ঘটনাপ্রবাহ : রহমান মৃধার কলাম

০৪ অক্টোবর, ২০২০
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০