শ্রেষ্ঠ বন্ধুর পরিবর্তে ভালো বন্ধু প্রয়োজন
jugantor
শ্রেষ্ঠ বন্ধুর পরিবর্তে ভালো বন্ধু প্রয়োজন

  রহমান মৃধা, সুইডেন থেকে  

০১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:০৮:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

বন্ধু এবং পরিবার দুটি চমৎকার পরিচয়। এই পরিচয় দুটির মধ্যে রয়েছে বেশ সহজ সরল অনুভূতি। আমার জীবনের এক তৃতীয়াংশ সময় বাংলাদেশে কেটেছে। নিজ পরিবারসহ ছোট বেলার বন্ধু-বান্ধবী ছেড়ে বিদেশে পাড়ি দিয়েছি বহু বছর আগে। বিদেশে আসার পর নতুন করে আরেকটি পরিবার, বন্ধু-বান্ধবী হয়েছে। সব মিলে এখন আমার বিশ্ব জুড়ে যেমন হয়েছে একটি বিশাল পরিবার তেমন বন্ধু-বান্ধবীও হয়েছে অনেক।

এত বড় একটি বন্ধু এবং পরিবার অথচ মুষ্টিমেয় কয়েক জনের সঙ্গে রক্তের সম্পর্ক। বাকী সবার সঙ্গে ধর্ম, বর্ণ, ভাষা কোন কিছুরই মিল নেই। এ সত্বেও কী চমৎকার ভাবে লতার মত জড়িয়ে রয়েছি তাদের সঙ্গে। শুধু ধর্ম, বর্ণ বা ভাষা দিয়ে কাউকে আলাদাভাবে দেখা বা রাখার সুযোগ নেই। আমাদের ভাবতে হবে যেমন ধর্ম বা বর্ণ দিয়ে একটি সমাজ বা দেশকে আলাদা করার পেছনে আদৌও কোন যুক্তি আছে কি?

আমার কাছে মনে হয় বিশ্বজুড়ে পাঠশালা মোর সবার আমি ছাত্র; আবার কখনও শিক্ষক। তা স্বত্বেও ইদানীং দেশে পরিবার এবং বন্ধুদের মধ্যে মানসিক দূরত্বের আধিক্য দেখতে পাচ্ছি।

কিছুদিন আগে আমার ছোটবেলার এক স্কুল বন্ধু থাকে মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশে তার সঙ্গে কথা হয় টেলিফোনে। খুব আন্তরিকতার সঙ্গে ছোট বেলায় তার সঙ্গে মিশেছি। সে হঠাৎ ফোন করে আপনি বলে সম্বোধন করে কথা বলতে শুরু করেছে। আমার ছোট বেলার বন্ধু আমাকে আপনি বলে সম্বোধন করছে শুনে নিজেকে বেশ ছোট মনে হচ্ছিল।

অর্থ, স্বার্থ, শিক্ষা নাকি অন্য কোন কারণে? এ কথা সে কথা বলার পর সে নিজ থেকে বলতে শুরু করল তুই তো আগের মতই আছিস, আমিই খামাখা জড়তার জালে আটকে গিয়ে তোকে আপনি বলেছি। অনেক দিন যোগাযোগ না থাকার কারণে হয়ত তার ধারণা হয়েছে আমি বদলে গেছি। কিন্তু তার ধারণাটি কেন পজিটিভ হলো না? যেমন সে কেন তুই করে কথা শুরু করল না?

কারণ বর্তমানে আমাদের সমাজ বড্ড নির্দয় হয়েছে। আমরা নিজেদের মস্ত বড় করে ভাবতে শিখেছি। সমাজের চোখে বড় কিছু হতে পারাটাই জীবনের লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। দরিদ্রতা আত্মবিশ্বাসকে গ্রাস করে চলেছে। যার ফলে সমাজ আমাদেরকে নানা শ্রেণীতে বিভক্ত করেছে এবং মানবতার চূড়ান্ত অবক্ষয় হয়েছে। অথচ ছোট বেলায় আমাদের বন্ধুত্ব ছিল স্বার্থ এবং শর্ত ছাড়া। তাহলে আমরা যত শিক্ষিত এবং অর্থে ধনী হয়েছি ততবড় স্বার্থপরও হয়েছি এখন। শিক্ষা তাহলে আমাদের সরল পথকে গরল করে ফেলেছে। সেক্ষেত্রে আবারও দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই তা হলো আমরা শিক্ষিত হয়েছি বটে তবে সুশিক্ষা অর্জন করতে পারিনি আজও।

আমি বাংলাদেশে দুই বছর করে বিভিন্ন স্কুলে পড়েছি এবং শেষে ইন্টারমিডিয়েট ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ থেকে পাশ করে সুইডেনে চলে এসেছি। এক্ষেত্রে আমার সঙ্গে যাদের শিক্ষাজ্ঞনে সম্পর্ক ছিল তারা আমার সেই সময়ের বন্ধু। সুইডেনে আসার পর কয়েক জনের সঙ্গে চিঠির মাধ্যমে প্রথম দিকে ভালো যোগাযোগ ছিল। এখানে আসার পর কারও কারও সঙ্গে যোগাযোগ থাকলেও পরে কোন এক সময় সব বন্ধ হয়ে যায়।

ডিজিটালের যুগে ফেসবুকের মাধ্যমে বা সোশ্যাল কাজ করতে গিয়ে একে একে অনেকের সঙ্গে পুনরায় যোগাযোগ শুরু হয়। বন্ধুরা মস্তবড় অফিসার হয়েছে, কেউ কেউ বড় বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রফেসর হয়েছে। কেউ যেমন ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়ার সুযোগ পায়নি অথচ পরে সেখানকার ডিরেক্টর হয়েছে। কেউ যেমন বুয়েটে পড়েছে পরে সেখানকার নাম করা প্রফেসর হয়েছে ইত্যাদি। সে ক্ষেত্রে কী দাঁড়াল ব্যাপারটা? চলমান জীবনে কোন কিছু থেমে নেই।

ছোট বেলায় কেউ ক্লাসের পেছনে বসেছে কারণ হয়ত ভাল ছাত্র ছিল না। পরবর্তী জীবনেও যে তাকে পেছনে থাকতে হবে এমন কোন কথা নেই। চেষ্টা, কঠিন সাধনা, সঠিক সময় এবং সুযোগের কারণে ভাগ্যের পরিবর্তন হওয়া বিচিত্র কিছু নয়। জীবন চলার পথে যে জিনিষটার গুরুত্ব সব চেয়ে বেশি তা হলো আত্মবিশ্বাস হারালে চলবে না। আমি আমার সকল বন্ধু-বান্ধবীদের নিয়ে গর্ব করি।

অনেক বন্ধুদের দেখছি তারা মস্ত বড় কৃষক হয়ে দেশের মানুষের খাবারের নিশ্চয়তা দিচ্ছে। অনেকে রাজনীতির শীর্ষে উঠে দেশকে সোনার বাংলা করার স্বপ্ন দেখছে। অনেকে ডাক্তার, শিক্ষক, ইঞ্জিনিয়ার হয়ে দেশের মানুষের সেবা করে চলছে। আমরা চীনের জ্যাক মা বা আমেরিকার বিল গেটসের ইতিহাস পড়ি অথচ আমাদের বন্ধুদের মধ্যেও যে বিশ্বখ্যাত প্রতিভা রয়েছে তাদের কথা ভাবিনা।

আবার অনেকে হয়তবা পথভ্রষ্ট হয়ে অন্ধকারে ডুবে গেছে। এখন যারা অন্ধকারে ডুবে হাবুডুবু খাচ্ছে তাদেরকে বাঁচাতে হবে। রবীন্দ্রনাথের সেই কথায় বলতে হয় আধ মরাদের ঘা মেরে বাঁচাতে হবে। এখন সে ঘা এমন ভাবে মারতে হবে যাতে করে তারা অন্ধকার থেকে আলোর পথে ফিরে আসতে সক্ষম হয়। বিষয়টি খেয়াল রাখার দায়িত্ব শুধু সরকারের ঘাড়ে চাপালে হবে না।

কারণ পরিবারের কেউ অন্ধকারে হারাতে শুরু করার সময় যে সিমটমগুলো প্রথমে দেখা যায় তাদের আগে অন্য কেউ সচারচার লক্ষ্য করতে পারে না। আমি মনে করি একজন ভালো বন্ধুই হতে পারে জীবন পরিবর্তন করার জন্য যথেষ্ট। সব সময় একজন শ্রেষ্ঠ বন্ধু হবার দরকার নেই তবে ভালো বন্ধু হলেই চলবে। আমার জায়গা থেকে বলতে চাই "I am not your best friend but I am your only friend.”

লেখক: রহমান মৃধা, সাবেক পরিচালক (প্রোডাকশন অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট), ফাইজার, সুইডেন থেকে, [email protected]

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

শ্রেষ্ঠ বন্ধুর পরিবর্তে ভালো বন্ধু প্রয়োজন

 রহমান মৃধা, সুইডেন থেকে 
০১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:০৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বন্ধু এবং পরিবার দুটি চমৎকার পরিচয়। এই পরিচয় দুটির মধ্যে রয়েছে বেশ সহজ সরল অনুভূতি। আমার জীবনের এক তৃতীয়াংশ সময় বাংলাদেশে কেটেছে। নিজ পরিবারসহ ছোট বেলার বন্ধু-বান্ধবী ছেড়ে বিদেশে পাড়ি দিয়েছি বহু বছর আগে। বিদেশে আসার পর নতুন করে আরেকটি পরিবার, বন্ধু-বান্ধবী হয়েছে। সব মিলে এখন আমার বিশ্ব জুড়ে যেমন হয়েছে একটি বিশাল পরিবার তেমন বন্ধু-বান্ধবীও হয়েছে অনেক। 

এত বড় একটি বন্ধু এবং পরিবার অথচ মুষ্টিমেয় কয়েক জনের সঙ্গে রক্তের সম্পর্ক। বাকী সবার সঙ্গে ধর্ম, বর্ণ, ভাষা কোন কিছুরই মিল নেই। এ সত্বেও কী চমৎকার ভাবে লতার মত জড়িয়ে রয়েছি তাদের সঙ্গে। শুধু ধর্ম, বর্ণ বা ভাষা দিয়ে কাউকে আলাদাভাবে দেখা বা রাখার সুযোগ নেই। আমাদের ভাবতে হবে যেমন ধর্ম বা বর্ণ দিয়ে একটি সমাজ বা দেশকে আলাদা করার পেছনে আদৌও কোন যুক্তি আছে কি? 

আমার কাছে মনে হয় বিশ্বজুড়ে পাঠশালা মোর সবার আমি ছাত্র; আবার কখনও শিক্ষক। তা স্বত্বেও ইদানীং দেশে পরিবার এবং বন্ধুদের মধ্যে মানসিক দূরত্বের আধিক্য দেখতে পাচ্ছি।

কিছুদিন আগে আমার ছোটবেলার এক স্কুল বন্ধু থাকে মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশে তার সঙ্গে কথা হয় টেলিফোনে। খুব আন্তরিকতার সঙ্গে ছোট বেলায় তার সঙ্গে মিশেছি। সে হঠাৎ ফোন করে আপনি বলে সম্বোধন করে কথা বলতে শুরু করেছে। আমার ছোট বেলার বন্ধু আমাকে আপনি বলে সম্বোধন করছে শুনে নিজেকে বেশ ছোট মনে হচ্ছিল।

অর্থ, স্বার্থ, শিক্ষা নাকি অন্য কোন কারণে? এ কথা সে কথা বলার পর সে নিজ থেকে বলতে শুরু করল তুই তো আগের মতই আছিস, আমিই খামাখা জড়তার জালে আটকে গিয়ে তোকে আপনি বলেছি। অনেক দিন যোগাযোগ না থাকার কারণে হয়ত তার ধারণা হয়েছে আমি বদলে গেছি। কিন্তু তার ধারণাটি কেন পজিটিভ হলো না? যেমন সে কেন তুই করে কথা শুরু করল না? 

কারণ বর্তমানে আমাদের সমাজ বড্ড নির্দয় হয়েছে। আমরা নিজেদের মস্ত বড় করে ভাবতে শিখেছি। সমাজের চোখে বড় কিছু হতে পারাটাই জীবনের লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। দরিদ্রতা আত্মবিশ্বাসকে গ্রাস করে চলেছে। যার ফলে সমাজ আমাদেরকে নানা শ্রেণীতে বিভক্ত করেছে এবং মানবতার চূড়ান্ত অবক্ষয় হয়েছে। অথচ ছোট বেলায় আমাদের বন্ধুত্ব ছিল স্বার্থ এবং শর্ত ছাড়া। তাহলে আমরা যত শিক্ষিত এবং অর্থে ধনী হয়েছি ততবড় স্বার্থপরও হয়েছি এখন। শিক্ষা তাহলে আমাদের সরল পথকে গরল করে ফেলেছে। সেক্ষেত্রে আবারও দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই তা হলো আমরা শিক্ষিত হয়েছি বটে তবে সুশিক্ষা অর্জন করতে পারিনি আজও।

আমি বাংলাদেশে দুই বছর করে বিভিন্ন স্কুলে পড়েছি এবং শেষে ইন্টারমিডিয়েট ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ থেকে পাশ করে সুইডেনে চলে এসেছি। এক্ষেত্রে আমার সঙ্গে যাদের শিক্ষাজ্ঞনে সম্পর্ক ছিল তারা আমার সেই সময়ের বন্ধু। সুইডেনে আসার পর কয়েক জনের সঙ্গে চিঠির মাধ্যমে প্রথম দিকে ভালো যোগাযোগ ছিল। এখানে আসার পর কারও কারও সঙ্গে যোগাযোগ থাকলেও পরে কোন এক সময় সব বন্ধ হয়ে যায়। 

ডিজিটালের যুগে ফেসবুকের মাধ্যমে বা সোশ্যাল কাজ করতে গিয়ে একে একে অনেকের সঙ্গে পুনরায় যোগাযোগ শুরু হয়। বন্ধুরা মস্তবড় অফিসার হয়েছে, কেউ কেউ বড় বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রফেসর হয়েছে। কেউ যেমন ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়ার সুযোগ পায়নি অথচ পরে সেখানকার ডিরেক্টর হয়েছে। কেউ যেমন বুয়েটে পড়েছে পরে সেখানকার নাম করা প্রফেসর হয়েছে ইত্যাদি। সে ক্ষেত্রে কী দাঁড়াল ব্যাপারটা? চলমান জীবনে কোন কিছু থেমে নেই। 

ছোট বেলায় কেউ ক্লাসের পেছনে বসেছে কারণ হয়ত ভাল ছাত্র ছিল না। পরবর্তী জীবনেও যে তাকে পেছনে থাকতে হবে এমন কোন কথা নেই। চেষ্টা, কঠিন সাধনা, সঠিক সময় এবং সুযোগের কারণে ভাগ্যের পরিবর্তন হওয়া বিচিত্র কিছু নয়। জীবন চলার পথে যে জিনিষটার গুরুত্ব সব চেয়ে বেশি তা হলো আত্মবিশ্বাস হারালে চলবে না। আমি আমার সকল বন্ধু-বান্ধবীদের নিয়ে গর্ব করি। 

অনেক বন্ধুদের দেখছি তারা মস্ত বড় কৃষক হয়ে দেশের মানুষের খাবারের নিশ্চয়তা দিচ্ছে। অনেকে রাজনীতির শীর্ষে উঠে দেশকে সোনার বাংলা করার স্বপ্ন দেখছে। অনেকে ডাক্তার, শিক্ষক, ইঞ্জিনিয়ার হয়ে দেশের মানুষের সেবা করে চলছে। আমরা চীনের জ্যাক মা বা আমেরিকার বিল গেটসের ইতিহাস পড়ি অথচ আমাদের বন্ধুদের মধ্যেও যে বিশ্বখ্যাত প্রতিভা রয়েছে তাদের কথা ভাবিনা। 

আবার অনেকে হয়তবা পথভ্রষ্ট হয়ে অন্ধকারে ডুবে গেছে। এখন যারা অন্ধকারে ডুবে হাবুডুবু খাচ্ছে তাদেরকে বাঁচাতে হবে। রবীন্দ্রনাথের সেই কথায় বলতে হয় আধ মরাদের ঘা মেরে বাঁচাতে হবে। এখন সে ঘা এমন ভাবে মারতে হবে যাতে করে তারা অন্ধকার থেকে আলোর পথে ফিরে আসতে সক্ষম হয়। বিষয়টি খেয়াল রাখার দায়িত্ব শুধু সরকারের ঘাড়ে চাপালে হবে না। 

কারণ পরিবারের কেউ অন্ধকারে হারাতে শুরু করার সময় যে সিমটমগুলো প্রথমে দেখা যায় তাদের আগে অন্য কেউ সচারচার লক্ষ্য করতে পারে না। আমি মনে করি একজন ভালো বন্ধুই হতে পারে জীবন পরিবর্তন করার জন্য যথেষ্ট। সব সময় একজন শ্রেষ্ঠ বন্ধু হবার দরকার নেই তবে ভালো বন্ধু হলেই চলবে। আমার জায়গা থেকে বলতে চাই "I am not your best friend but I am your only friend.”

লেখক: রহমান মৃধা, সাবেক পরিচালক (প্রোডাকশন অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট), ফাইজার, সুইডেন থেকে, [email protected]

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
 

ঘটনাপ্রবাহ : রহমান মৃধার কলাম

০৪ অক্টোবর, ২০২০
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০