দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি খুনের ক্লু পাচ্ছে না পুলিশ
jugantor
দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি খুনের ক্লু পাচ্ছে না পুলিশ

  শওকত বিন আশরাফ, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে  

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:২৯:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটোরিয়ার লোডিয়ামে মঙ্গলবার খুন হওয়া বাংলাদেশি নাগরিক আজাদ হত্যার মোটিভ উদ্ধার করতে পারছে না পুলিশ।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তামিল বংশোদ্ভূত এক নাগরিকের প্রকাশ্য গুলিতে খুন হন আজাদ।

প্রিটোরিয়া শহরে আজাদের গাড়ি পার্টসের দোকানে গাড়ির পার্টস বিক্রি নিয়ে কয়েকদিন আগে একজন তামিল ইন্ডিয়ান নাগরিকের সঙ্গে আজাদের কথা কাটাকাটি হয়। এর সূত্র ধরেই আজাদকে খুন করা হয়। তামিল ওই নাগরিক তার লাইসেন্স করা পিস্তল বের করে আজাদকে পরপর ৪ রাউন্ড গুলি করে চলে যায়। হাসপাতালে নেয়ার পর আজাদের মৃত্যু হয়।

এদিকে আজাদকে গুলি করে ওই তামিল ইন্ডিয়ান তার ল'ইয়ার নিয়ে থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে আজাদকে হত্যার বর্ণনা দেয় এবং আগাম জামিন নিয়ে বের হয়ে আসে।

খুনি নিজে থানায় উপস্থিত হয়ে খুনের বর্ননা দেওয়ায় এবং আজাদের পক্ষ থেকে কোনো মামলা না হওয়ার কারণে পুলিশের পক্ষ থেকে একটি ইউডি মামলা দায়ের হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, খুনি নিজে খুনের বর্ণনা দিলেও আজাদের পক্ষ থেকে কোনো মামলা দায়ের না হওয়ায় এবং ঘটনাস্থলে কোনো সাক্ষী পাওয়া না যাওয়ার কারণে মামলার তদন্ত অগ্রগতিতে বাঁধার সৃষ্টি হচ্ছে।

এ দিকে ঘটনাস্থলে অনেক বাংলাদেশি উপস্থিত থাকলেও তারা আজাদের পক্ষে পুলিশের কাছে ঘটনা সম্পর্কে মুখ খুলতে রাজি হচ্ছে না।

স্থানীয় বাংলাদেশিরা জানিয়েছেন, আদালতে হাজিরা দেয়ার ঝামেলা এড়াতে ঘটনা দেখার পরও পুলিশের কাছে কেউ মুখ খুলছে না।

নিহত আজাদ ঢাকার নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা। তার লাশ দ্রুত দেশে পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি খুনের ক্লু পাচ্ছে না পুলিশ

 শওকত বিন আশরাফ, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে 
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটোরিয়ার লোডিয়ামে মঙ্গলবার খুন হওয়া বাংলাদেশি নাগরিক আজাদ হত্যার মোটিভ উদ্ধার করতে পারছে না পুলিশ।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তামিল বংশোদ্ভূত এক নাগরিকের প্রকাশ্য গুলিতে খুন হন আজাদ।

প্রিটোরিয়া শহরে আজাদের গাড়ি পার্টসের দোকানে গাড়ির পার্টস বিক্রি নিয়ে কয়েকদিন আগে একজন তামিল ইন্ডিয়ান নাগরিকের সঙ্গে আজাদের কথা কাটাকাটি হয়। এর সূত্র ধরেই আজাদকে খুন করা হয়। তামিল ওই নাগরিক তার লাইসেন্স করা পিস্তল বের করে আজাদকে পরপর ৪ রাউন্ড গুলি করে চলে যায়। হাসপাতালে নেয়ার পর আজাদের মৃত্যু হয়।

এদিকে আজাদকে গুলি করে ওই তামিল ইন্ডিয়ান তার ল'ইয়ার নিয়ে থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে আজাদকে হত্যার বর্ণনা দেয় এবং আগাম জামিন নিয়ে বের হয়ে আসে।

খুনি নিজে থানায় উপস্থিত হয়ে খুনের বর্ননা দেওয়ায় এবং আজাদের পক্ষ থেকে কোনো মামলা না হওয়ার কারণে পুলিশের পক্ষ থেকে একটি ইউডি মামলা দায়ের হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, খুনি নিজে খুনের বর্ণনা দিলেও আজাদের পক্ষ থেকে কোনো মামলা দায়ের না হওয়ায় এবং ঘটনাস্থলে কোনো সাক্ষী পাওয়া না যাওয়ার কারণে মামলার তদন্ত অগ্রগতিতে বাঁধার সৃষ্টি হচ্ছে।

এ দিকে ঘটনাস্থলে অনেক বাংলাদেশি উপস্থিত থাকলেও তারা আজাদের পক্ষে পুলিশের কাছে ঘটনা সম্পর্কে মুখ খুলতে রাজি হচ্ছে না।

স্থানীয় বাংলাদেশিরা জানিয়েছেন, আদালতে হাজিরা দেয়ার ঝামেলা এড়াতে ঘটনা দেখার পরও পুলিশের কাছে কেউ মুখ খুলছে না।

নিহত আজাদ ঢাকার নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা। তার লাশ দ্রুত দেশে পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।
 

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]