ধর্ষণের প্রতিবাদে নিউইয়র্কে বাঙালি সমাজ
jugantor
ধর্ষণের প্রতিবাদে নিউইয়র্কে বাঙালি সমাজ

  অনলাইন ডেস্ক  

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:২৯:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে নিউইয়র্কে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। জ্যাকসন হাইটসের ডাইভারসিটি প্লাজায় ২৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় এ সভার আয়োজন করেন নিউইয়র্কের সচেতন প্রবাসীরা।

সভার সমন্বয়কারী তোফাজ্জল লিটনের সঞ্চালনায় বক্তারা বলেন, ধর্ষণের বিচার না হওয়ায় বাংলাদেশে ধর্ষণের ঘটনা বেড়ে যাচ্ছে। তাই ধর্ষণের এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে যেন কেউ ধর্ষণ করার সাহস না পায়।

প্রত্যেকে নিজের জায়গা থেকে প্রতিবাদ সমাবেশ না করতে পারলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্ষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ অব্যাহত রাখতে হবে। ধর্ষকরা যত শক্তিশালী হোক, এদের প্রতিহত করতে আহ্বান জানান বক্তারা।

সভায় সাপ্তাহিক পরিচয় পত্রিকার সাংবাদিক নাজমুল আহসান বলেন, যারা কু-দৃষ্টি দিয়ে, গালাগাল করে এবং অশালীন অঙ্গভঙ্গি করে নারীদের মানসিকভাবে ধর্ষণ করে তাদের বিরুদ্ধেও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

নাগরিক আন্দোলনের এক্টিভিস্ট মুজাহিদ আনসারী বলেন, যারা ইনিয়ে বিনিয়ে ধর্ষকদের সমর্থনে কথা বলেন, পোশাককে দায়ী করে ধর্ষকদের বাঁচাতে চান, তাদের বিরুদ্ধেও সোচ্চার হতে হবে। বাংলাদেশের প্রত্যেকটি ধর্ষণ ঘটনার সুষ্ঠু ও সর্বোচ্চ বিচার দাবি করছি আমরা।
সাংবাদিক, লেখক ও গীতিকার দর্পণ কবীর বলেন, এই বৈরী আবহওয়ায় আমরা এখানে ২৫-৩০ জন উপস্থিত হলেও আমি মনে করি এখানে পুরো বাংলাদেশ দাঁড়িয়ে আছে। সব বিষয়ে কেন প্রধানমন্ত্রীকেই হস্তক্ষেপ করতে হবে? অন্যান্য মন্ত্রী এমপিরা কী করেন? স্থানীয় নেতারা এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও সচেতনতা গড়ে তুলছেন না কেন। অপরাধীদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হলে এসব অপরাধ কমবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
নিউইয়র্ক শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক মণিকা রায় বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নারী নেত্রীরা আছেন। অথচ সারা দেশে ক্রমাগত ধর্ষণ বেড়েই চলেছে। আমি ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।

আবৃত্তি শিল্পী কান্তা কাবির বলেন, আমি শুধু একটাই কথা বলব, ধর্ষণের শাস্তি হওয়া উচিত মৃত্যুদণ্ড। লেখক আসলাম আহমাদ খান বলেন, দেশে কুকুর নিধনের চেয়ে ধর্ষক নিধন জরুরি।

বাংলাদেশ গণজাগরণ মঞ্চের প্রতিষ্ঠাতা সংগঠক সৈয়দ জাকির আহমেদ রনি, কুইন্স বাংলাদেশ সোসাইটির উপদেষ্টা তাজুল ইসলাম, লেখিকা শেলী জামান খান, নির্মাতা রহমান টিটো, দেশকণ্ঠ পোর্টালের প্রকাশক সীমা সুস্মিতা, জুয়েল মালিক, জুলিয়েট রোজারিও, বিভাষ মল্লিক, শেখ শোয়েব সাজ্জাদ, ইলা সরকার ও বিউটি খানম প্রতিবাদ ও মানববন্ধনে উপস্থিত থেকে একাত্মতা ঘোষণা করেন। প্রতিবাদ সমাবেশের পোস্টার এঁকেছেন শান্তিনিকেতনের ছাত্র রিফাত বিন সালাম।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

ধর্ষণের প্রতিবাদে নিউইয়র্কে বাঙালি সমাজ

 অনলাইন ডেস্ক 
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে নিউইয়র্কে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। জ্যাকসন হাইটসের ডাইভারসিটি প্লাজায় ২৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় এ সভার আয়োজন করেন নিউইয়র্কের সচেতন প্রবাসীরা।

সভার সমন্বয়কারী তোফাজ্জল লিটনের সঞ্চালনায় বক্তারা বলেন, ধর্ষণের বিচার না হওয়ায় বাংলাদেশে ধর্ষণের ঘটনা বেড়ে যাচ্ছে। তাই ধর্ষণের এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে যেন কেউ ধর্ষণ করার সাহস না পায়।

প্রত্যেকে নিজের জায়গা থেকে প্রতিবাদ সমাবেশ না করতে পারলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্ষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ অব্যাহত রাখতে হবে। ধর্ষকরা যত শক্তিশালী হোক, এদের প্রতিহত করতে আহ্বান জানান বক্তারা। 

সভায় সাপ্তাহিক পরিচয় পত্রিকার সাংবাদিক নাজমুল আহসান বলেন, যারা কু-দৃষ্টি দিয়ে, গালাগাল করে এবং অশালীন অঙ্গভঙ্গি করে নারীদের মানসিকভাবে ধর্ষণ করে তাদের বিরুদ্ধেও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

নাগরিক আন্দোলনের এক্টিভিস্ট মুজাহিদ আনসারী বলেন, যারা ইনিয়ে বিনিয়ে ধর্ষকদের সমর্থনে কথা বলেন, পোশাককে দায়ী করে ধর্ষকদের বাঁচাতে চান, তাদের বিরুদ্ধেও সোচ্চার হতে হবে। বাংলাদেশের প্রত্যেকটি ধর্ষণ ঘটনার সুষ্ঠু ও সর্বোচ্চ বিচার দাবি করছি আমরা।
সাংবাদিক, লেখক ও গীতিকার দর্পণ কবীর বলেন, এই বৈরী আবহওয়ায় আমরা এখানে ২৫-৩০ জন উপস্থিত হলেও আমি মনে করি এখানে পুরো বাংলাদেশ দাঁড়িয়ে আছে। সব বিষয়ে কেন প্রধানমন্ত্রীকেই হস্তক্ষেপ করতে হবে? অন্যান্য মন্ত্রী এমপিরা কী করেন? স্থানীয় নেতারা এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও সচেতনতা গড়ে তুলছেন না কেন। অপরাধীদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হলে এসব অপরাধ কমবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
নিউইয়র্ক শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক মণিকা রায় বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নারী নেত্রীরা আছেন। অথচ সারা দেশে ক্রমাগত ধর্ষণ বেড়েই চলেছে। আমি ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।

আবৃত্তি শিল্পী কান্তা কাবির বলেন, আমি শুধু একটাই কথা বলব, ধর্ষণের শাস্তি হওয়া উচিত মৃত্যুদণ্ড। লেখক আসলাম আহমাদ খান বলেন, দেশে কুকুর নিধনের চেয়ে ধর্ষক নিধন জরুরি।

বাংলাদেশ গণজাগরণ মঞ্চের প্রতিষ্ঠাতা সংগঠক সৈয়দ জাকির আহমেদ রনি, কুইন্স বাংলাদেশ সোসাইটির উপদেষ্টা তাজুল ইসলাম, লেখিকা শেলী জামান খান, নির্মাতা রহমান টিটো, দেশকণ্ঠ পোর্টালের প্রকাশক সীমা সুস্মিতা, জুয়েল মালিক, জুলিয়েট রোজারিও, বিভাষ মল্লিক, শেখ শোয়েব সাজ্জাদ, ইলা সরকার ও বিউটি খানম প্রতিবাদ ও মানববন্ধনে উপস্থিত থেকে একাত্মতা ঘোষণা করেন। প্রতিবাদ সমাবেশের পোস্টার এঁকেছেন শান্তিনিকেতনের ছাত্র রিফাত বিন সালাম।
 

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]