ধর্ষণের বিরুদ্ধে নিউইয়র্কে ছাত্রলীগও প্রতিবাদমুখর
jugantor
ধর্ষণের বিরুদ্ধে নিউইয়র্কে ছাত্রলীগও প্রতিবাদমুখর

  যুগান্তর ডেস্ক  

১২ অক্টোবর ২০২০, ২২:৪৮:৩৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ধর্ষকের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দ্রুত কার্যকর চেয়ে প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠেছে নিউইয়র্কের বাঙালি জনসমাজ। নিউইয়র্কের বিক্ষুব্ধ জনসমাজ সেপ্টেম্বরে ধর্ষণবিরোধী প্রথম প্রতিবাদ ও মানববন্ধনের পর এ আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক সংগঠনের মধ্যে। আন্দোলনে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ ক্লাব ইউএসএ, এমসি কলেজ অ্যালামনাই, প্রগতিশীল নাগরিক সমাজ এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নিউইয়র্ক।

ধর্ষণবিরোধী আন্দোলনের সর্বশেষ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক ও বর্তমান নেতাকর্মীরা। ১০ অক্টোবর সন্ধ্যায় ‘ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড’ সরকারের এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে তারা এই আয়োজন করে।

প্রতিবাদ সভার অন্যতম আয়োজক ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা হেলাল মিয়া বলেন, আমরা মনে করি ধর্ষকের কোন রাজনৈতিক পরিচয় নেই। আমাদের সরকার অপরাধীদেরকে অপরাধী হিসাবেই চিহ্নিত করে বিচার করে। আমরা ধর্ষণবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে চাই।

তার আগে ৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় ধর্ষণ বিরোধী প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন করে প্রগতিশীল নাগরিক সমাজ নিউইয়র্ক। তখন ব্লগার তানভীর রাব্বানী বলেন, খুনের শাস্তি ফাঁসি। এখন যদি ধর্ষণের শাস্তিও ফাঁসি হয় তাহলে কি ধর্ষণের পর অপরাধের প্রমাণ নষ্ট করার জন্য ভিকটিমকে খুন করার প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে না? কারণ খুনের জন্য তার বাড়তি কোন সাজা নাই বরং অপরাধ ধামাচাপা দেয়ার সুযোগ।

বরং হয়ত জেল কোডে পরিবর্তন আনা যেতে পারে। যেমন ধর্ষণের জন্য যাবৎজীবন প্রাপ্তদের আলাদা পোষাকে রাখা যেন অন্য অপরাধীরাও এদের ঘৃণা করতে পারে। শুধু আইন করে তো লাভ নাই, আইনের বাস্তবায়ন চাই প্রভাব ও হস্তক্ষেপমুক্ত।

সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন বাংলাদেশ ক্লাব ইউএসএ এ নিয়ে এক প্রতিবাদী আলোচনা সভার আয়োজন করে। আয়োজক সংগঠনের সভাপতি নুরুল আমিন বাবু বলেন, আমরা ধর্ষকের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়ে প্রতিবাদ করে আসছি। এটি আমাদের একটি প্রাথমিক জয়। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে এজন্য আমরা আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

নাট্যকার ও সাংবাদিক তোফাজ্জল লিটনের সমন্বয়ে নিউইয়র্কে প্রথম ধর্ষণবিরোধী প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছিল ২৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায়। সেখানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দিয়েছিলেন আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি দর্পণ কবীর। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারের এই ঘোষণাকে আমরা প্রাথমিক বিজয় হিসেবে ধরে নিচ্ছি। আমরা চাই শুধু আইন তৈরি করে সরকার ক্ষান্ত হবে না। তার দ্রুত বাস্তবায়ন করবে প্রতিটি ধর্ষণ মামলার ক্ষেত্রে।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

ধর্ষণের বিরুদ্ধে নিউইয়র্কে ছাত্রলীগও প্রতিবাদমুখর

 যুগান্তর ডেস্ক 
১২ অক্টোবর ২০২০, ১০:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ধর্ষকের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দ্রুত কার্যকর চেয়ে প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠেছে নিউইয়র্কের বাঙালি জনসমাজ। নিউইয়র্কের বিক্ষুব্ধ জনসমাজ সেপ্টেম্বরে ধর্ষণবিরোধী প্রথম প্রতিবাদ ও মানববন্ধনের পর এ আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক সংগঠনের মধ্যে। আন্দোলনে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ ক্লাব ইউএসএ, এমসি কলেজ অ্যালামনাই, প্রগতিশীল নাগরিক সমাজ এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নিউইয়র্ক। 

ধর্ষণবিরোধী আন্দোলনের সর্বশেষ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক ও বর্তমান নেতাকর্মীরা। ১০ অক্টোবর সন্ধ্যায় ‘ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড’ সরকারের এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে তারা এই আয়োজন করে। 

প্রতিবাদ সভার অন্যতম আয়োজক ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা হেলাল মিয়া বলেন, আমরা মনে করি ধর্ষকের কোন রাজনৈতিক পরিচয় নেই। আমাদের সরকার অপরাধীদেরকে অপরাধী হিসাবেই চিহ্নিত করে বিচার করে। আমরা ধর্ষণবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে চাই। 

তার আগে ৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় ধর্ষণ বিরোধী প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন করে প্রগতিশীল নাগরিক সমাজ নিউইয়র্ক। তখন ব্লগার তানভীর রাব্বানী বলেন, খুনের শাস্তি ফাঁসি। এখন যদি ধর্ষণের শাস্তিও ফাঁসি হয় তাহলে কি ধর্ষণের পর অপরাধের প্রমাণ নষ্ট করার জন্য ভিকটিমকে খুন করার প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে না? কারণ খুনের জন্য তার বাড়তি কোন সাজা নাই বরং অপরাধ ধামাচাপা দেয়ার সুযোগ।

বরং হয়ত জেল কোডে পরিবর্তন আনা যেতে পারে। যেমন ধর্ষণের জন্য যাবৎজীবন প্রাপ্তদের আলাদা পোষাকে রাখা যেন অন্য অপরাধীরাও এদের ঘৃণা করতে পারে। শুধু আইন করে তো লাভ নাই, আইনের বাস্তবায়ন চাই প্রভাব ও হস্তক্ষেপমুক্ত। 

সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন বাংলাদেশ ক্লাব ইউএসএ এ নিয়ে এক প্রতিবাদী আলোচনা সভার আয়োজন করে। আয়োজক সংগঠনের সভাপতি নুরুল আমিন বাবু বলেন, আমরা ধর্ষকের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়ে প্রতিবাদ করে আসছি। এটি আমাদের একটি প্রাথমিক জয়। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে এজন্য আমরা আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। 

নাট্যকার ও সাংবাদিক তোফাজ্জল লিটনের সমন্বয়ে নিউইয়র্কে প্রথম ধর্ষণবিরোধী প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছিল ২৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায়। সেখানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দিয়েছিলেন আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি দর্পণ কবীর। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারের এই ঘোষণাকে আমরা প্রাথমিক বিজয় হিসেবে ধরে নিচ্ছি। আমরা চাই শুধু আইন তৈরি করে সরকার ক্ষান্ত হবে না। তার দ্রুত বাস্তবায়ন করবে প্রতিটি ধর্ষণ মামলার ক্ষেত্রে।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]