ক্যাশ টাকার ব্যবহার বন্ধ হলেই দুর্নীতি বিদায় নিবে
jugantor
ক্যাশ টাকার ব্যবহার বন্ধ হলেই দুর্নীতি বিদায় নিবে

  রহমান মৃধা, সুইডেন থেকে  

১৫ অক্টোবর ২০২০, ১৩:৫৬:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

সুইডেনে টাকা তোলার মেশিনকে ‘ব্যাংকোমাত’ বলে। তবে এখানে কাগজের টাকা ছাড়াই বেচাকেনা চলে; যা আমি এর আগেও লিখেছি। এক্ষেত্রে আমরা সবাই ব্যাংক কার্ড এবং টেলিফোনের অ্যাপস দিয়ে সুইস করি (বাংলাদেশে যেমন বিকাশ, নগদ বা রকেট করি)। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো আমাদের এখানেও ডেবিড ও ক্রেডিট কার্ডের প্রচলন।

বিশেষ করে বিদেশ ভ্রমণের সময় ডেবিড কার্ড শুধুমাত্র টাকা তুলতে ব্যবহার করি। প্রায় ১০ মাস পরে আজ স্টকহোমের অদূরে রিংকেবি শহরে গিয়েছিলাম। রিংকেবিতে বিশ্বের সব দেশের মানুষ বসবাস করে। এখানে বাংলাদেশের জিনিসপত্র কিনতে পাওয়া যায়। বিশেষ করে দেশী মসলা, শাক সবজি, রূপচাঁদা এবং ইলিশ মাছ।

প্রথম দিকে রিংকেবিতে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে বেশির ভাগ মানুষ মারা যায়। ঘনবসতি এবং অসাবধানতা এর জন্য দায়ী। এ কারণে বহুদিন সেখানে যাওয়া হয়নি। আজ আমি এবং আমার স্ত্রী মারিয়া এসেছি ইলিশ মাছ এবং দেশী মসলা কিনতে। শহরে ঢুকতেই আমাদের গাড়িটি পরিষ্কার করতে লেগে গেল দুইজন ইস্ট ইউরোপিয়ান। তারা নিজেদের দেশের ভাষা ছাড়া অন্য ভাষা জানে বলে মনে হলো না। কিছুটা বিরক্ত হলাম পরে মারিয়া বললো কিছু না করার চেয়ে যদি কিছু করে টাকা রোজগার করে তবে সাহায্য করা যেতে পারে।

আমরা গাড়ি মেশিনেই পরিষ্কার করি তবে রিংকেবিতে কিছু ইস্ট ইউরোপের লোক রয়েছে যারা হাত দিয়ে গাড়ি পরিষ্কার করে। মেশিনে পরিষ্কার করতে যে খরচ এরাও ঠিক তাই নেয়। আমরা গাড়িসহ ইঞ্জিনের অংশটিও পরিষ্কার করতে বললাম। মোট খরচ চেয়েছে আটশো সুইডিশ ক্রোনার এবং ক্যাশ টাকা দিতে হবে। আমাদের কাছে ক্যাশ টাকা নেই। কী করি? কিছুক্ষণ খোঁজা-খুঁজির পর একটি ক্যাশ মেশিন পাওয়া গেল।

ডেবিড কার্ড বের করে মেশিনে ঢুকাতেই পিনকোড দিতে বললো। কোভিড-১৯ এর কারণে দশ মাস দেশের বাইরে যাওয়া হয়নি। তাই ক্যাশ টাকার প্রয়োজন পড়েনি। বিধায় ডেবিড কার্ডের ব্যবহারও হয়নি। যার ফলে পিনকোড ভুলে গেছি। মারিয়া বললো তাহলে আমার কার্ড ব্যবহার করি। সে ট্রাই করতেই সব ঠিক মত হয়ে গেল। আমরা বাজার সেরে গাড়ি নিতে এসেছি। টাকা দিতে হবে হঠাৎ মারিয়া বললো টাকা তো মেশিন থেকে নেইনি, শুধু কার্ড নিয়ে তোমার সঙ্গে কথা বলতে বলতে চলে এসেছি।

কী করা! তাড়াহুড়ো করে ক্যাশ মেশিনের কাছে এলাম, দেখি একটি ছেলে টাকা তুলছে। তাকে জিজ্ঞেস করলাম সে আটশো টাকা দেখেছে কিনা, বললো না। ফলে নতুন করে আবারও আটশো টাকা তুলে যারা গাড়ি পরিষ্কার করেছে তাদেরকে দিলাম। মনটা একটু খারাপ হলো এই ভেবে যে খেয়াল না করার কারণে টাকা ভুলে রেখে এলাম আর অন্য কেউ নিয়ে গেল।

এমন সময় আমার ছোট ভাই শাহিন লন্ডন থেকে ফোন করেছে। জিজ্ঞেস করলো কেমন আছি? বললাম ভালো তবে যা ঘটেছে তাও বললাম। লন্ডনে ক্যাশ টাকায় কেনাবেচা হয় বিধায় শাহিন প্রায়ই ক্যাশ মেশিন থেকে টাকা তোলে। সে বললো যদি চল্লিশ সেকেন্ডের মধ্যে কেউ টাকা না নেয় তবে সে টাকা মেশিনে ফেরত চলে যায়। আরও বললো যেন ব্যাংকে ফোন করে বিষয়টি বলি।

এত বছরেও এমনটি ঘটেনি এবং কারো কাছে শুনিনি যে টাকা যদি কেউ না নেয় তবে মেশিনে ফেরত চলে যায়। ব্যাংকে ফোন করলাম। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ একই কথা বললো এবং সঙ্গে বললো তদন্ত করতে সপ্তাহ খানেক সময় লাগবে। একই সাথে জিজ্ঞেস করলো, হঠাৎ আটশো টাকা তুলে কি করলাম? তাকে পুরো ঘটনা বললাম। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বললো তুমি নগদ টাকা দিলে ওরা কি তোমাকে রিসিট দিয়েছে? বললাম না। তাহলে তো ওরা ট্যাক্স ফাঁকি দিয়েছে।

সুইডেনে যদি কেউ ক্যাশ টাকা দিয়ে কিছু কেনে তাহলে সব সময় রিসিট দেয় কিন্তু এরা তা দেয়নি। বিষয়টি শুনে মারিয়া একটু আপসেট হয়েছে। কারণ তারা রিসিট না দিয়ে টাকা নেয় ট্যাক্স ফাঁকি দেবার জন্য। আমি বিপদে পড়লাম। প্রথমত টাকা কেউ নিয়ে গেল নাকি মেশিনে ফেরত গেল তা জানতে সময় লাগবে এক সপ্তাহ। অবৈধভাবে যারা কাজ করে তাদের দিয়ে গাড়ি পরিষ্কার করিয়েছি রিসিট ছাড়া। ডেবিড কার্ডের পিনকোড ভুলে গেছি ব্যবহার না করার কারণে।

আমরা মেশিন থেকে সরে যাবার সঙ্গে সঙ্গে যদি অন্য কেউ টাকা তুলতে আসে তাহলে সেটা মেশিনে ফেরত যায়নি। মানে গাড়ি পরিষ্কারের পেছনে আটশো নয় ষোলশো সুইডিশ ক্রোনার খরচ হলো। গরীব বলে সাহায্য করতে গাড়ি পরিষ্কার করাতে রাজি হলাম। কিন্তু দেখা গেল এরা নিজ দেশ ছেড়ে সুইডেনে বসবাস সত্ত্বেও চরিত্র আগের মতই রয়ে গেছে।

মনে হচ্ছে কয়লা ধুলেও ময়লা যায় না। দরিদ্র দেশ থেকে এসে এখানে সব ধরনের সুযোগ সুবিধা ভোগ করা সত্বেও অনেকেই এভাবে ট্যাক্স ফাঁকি দেয়া থেকে শুরু করে ধর্ষণের মত জঘন্য কাজেও জড়িত হয়। মাঝে মধ্যে এধরণের খবর জেনে থাকি।

দুঃখের বিষয় যারা পাশ্চাত্যে আসার সুযোগ পেয়েছে, তারা যদি তাদের আচরণের পরিবর্তন না করে যেমন ট্যাক্স ফাঁকি বা ধর্ষণের মত জঘন্য কাজ করে, তবে এদের কারণে অনেকেরই বিদেশে আসার সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে। দুর্নীতি করার জন্য যেসব মাধ্যমের প্রয়োজন হয় তার প্রথমটি হচ্ছে ক্যাশ টাকা। আমার বিশ্বাস ক্যাশ টাকার ব্যবহার যখন বন্ধ হবে বিশ্বের দুর্নীতি তখন বিদায় নিবে।

লেখক: রহমান মৃধা, সাবেক পরিচালক (প্রোডাকশন অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট), ফাইজার, সুইডেন থেকে, [email protected]

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

ক্যাশ টাকার ব্যবহার বন্ধ হলেই দুর্নীতি বিদায় নিবে

 রহমান মৃধা, সুইডেন থেকে 
১৫ অক্টোবর ২০২০, ০১:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সুইডেনে টাকা তোলার মেশিনকে ‘ব্যাংকোমাত’ বলে। তবে এখানে কাগজের টাকা ছাড়াই বেচাকেনা চলে; যা আমি এর আগেও লিখেছি। এক্ষেত্রে আমরা সবাই ব্যাংক কার্ড এবং টেলিফোনের অ্যাপস দিয়ে সুইস করি (বাংলাদেশে যেমন বিকাশ, নগদ বা রকেট করি)। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো আমাদের এখানেও ডেবিড ও ক্রেডিট কার্ডের প্রচলন। 

বিশেষ করে বিদেশ ভ্রমণের সময় ডেবিড কার্ড শুধুমাত্র টাকা তুলতে ব্যবহার করি। প্রায় ১০ মাস পরে আজ স্টকহোমের অদূরে রিংকেবি শহরে গিয়েছিলাম। রিংকেবিতে বিশ্বের সব দেশের মানুষ বসবাস করে। এখানে বাংলাদেশের জিনিসপত্র কিনতে পাওয়া যায়। বিশেষ করে দেশী মসলা, শাক সবজি, রূপচাঁদা এবং ইলিশ মাছ। 

প্রথম দিকে রিংকেবিতে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে বেশির ভাগ মানুষ মারা যায়। ঘনবসতি এবং অসাবধানতা এর জন্য দায়ী। এ কারণে বহুদিন সেখানে যাওয়া হয়নি। আজ আমি এবং আমার স্ত্রী মারিয়া এসেছি ইলিশ মাছ এবং দেশী মসলা কিনতে। শহরে ঢুকতেই আমাদের গাড়িটি পরিষ্কার করতে লেগে গেল দুইজন ইস্ট ইউরোপিয়ান। তারা নিজেদের দেশের ভাষা ছাড়া অন্য ভাষা জানে বলে মনে হলো না। কিছুটা বিরক্ত হলাম পরে মারিয়া বললো কিছু না করার চেয়ে যদি কিছু করে টাকা রোজগার করে তবে সাহায্য করা যেতে পারে। 

আমরা গাড়ি মেশিনেই পরিষ্কার করি তবে রিংকেবিতে কিছু ইস্ট ইউরোপের লোক রয়েছে যারা হাত দিয়ে গাড়ি পরিষ্কার করে। মেশিনে পরিষ্কার করতে যে খরচ এরাও ঠিক তাই নেয়। আমরা গাড়িসহ ইঞ্জিনের অংশটিও পরিষ্কার করতে বললাম। মোট খরচ চেয়েছে আটশো সুইডিশ ক্রোনার এবং ক্যাশ টাকা দিতে হবে। আমাদের কাছে ক্যাশ টাকা নেই। কী করি? কিছুক্ষণ খোঁজা-খুঁজির পর একটি ক্যাশ মেশিন পাওয়া গেল। 

ডেবিড কার্ড বের করে মেশিনে ঢুকাতেই পিনকোড দিতে বললো। কোভিড-১৯ এর কারণে দশ মাস দেশের বাইরে যাওয়া হয়নি। তাই ক্যাশ টাকার প্রয়োজন পড়েনি। বিধায় ডেবিড কার্ডের ব্যবহারও হয়নি। যার ফলে পিনকোড ভুলে গেছি। মারিয়া বললো তাহলে আমার কার্ড ব্যবহার করি। সে ট্রাই করতেই সব ঠিক মত হয়ে গেল। আমরা বাজার সেরে গাড়ি নিতে এসেছি। টাকা দিতে হবে হঠাৎ মারিয়া বললো টাকা তো মেশিন থেকে নেইনি, শুধু কার্ড নিয়ে তোমার সঙ্গে কথা বলতে বলতে চলে এসেছি। 

কী করা! তাড়াহুড়ো করে ক্যাশ মেশিনের কাছে এলাম, দেখি একটি ছেলে টাকা তুলছে। তাকে জিজ্ঞেস করলাম সে আটশো টাকা দেখেছে কিনা, বললো না। ফলে নতুন করে আবারও আটশো টাকা তুলে যারা গাড়ি পরিষ্কার করেছে তাদেরকে দিলাম। মনটা একটু খারাপ হলো এই ভেবে যে খেয়াল না করার কারণে টাকা ভুলে রেখে এলাম আর অন্য কেউ নিয়ে গেল। 

এমন সময় আমার ছোট ভাই শাহিন লন্ডন থেকে ফোন করেছে। জিজ্ঞেস করলো কেমন আছি? বললাম ভালো তবে যা ঘটেছে তাও বললাম। লন্ডনে ক্যাশ টাকায় কেনাবেচা হয় বিধায় শাহিন প্রায়ই ক্যাশ মেশিন থেকে টাকা তোলে। সে বললো যদি চল্লিশ সেকেন্ডের মধ্যে কেউ টাকা না নেয় তবে সে টাকা মেশিনে ফেরত চলে যায়। আরও বললো যেন ব্যাংকে ফোন করে বিষয়টি বলি। 

এত বছরেও এমনটি ঘটেনি এবং কারো কাছে শুনিনি যে টাকা যদি কেউ না নেয় তবে মেশিনে ফেরত চলে যায়। ব্যাংকে ফোন করলাম। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ একই কথা বললো এবং সঙ্গে বললো তদন্ত করতে সপ্তাহ খানেক সময় লাগবে। একই সাথে জিজ্ঞেস করলো, হঠাৎ আটশো টাকা তুলে কি করলাম? তাকে পুরো ঘটনা বললাম। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বললো তুমি নগদ টাকা দিলে ওরা কি তোমাকে রিসিট দিয়েছে? বললাম না। তাহলে তো ওরা ট্যাক্স ফাঁকি দিয়েছে। 

সুইডেনে যদি কেউ ক্যাশ টাকা দিয়ে কিছু কেনে তাহলে সব সময় রিসিট দেয় কিন্তু এরা তা দেয়নি। বিষয়টি শুনে মারিয়া একটু আপসেট হয়েছে। কারণ তারা রিসিট না দিয়ে টাকা নেয় ট্যাক্স ফাঁকি দেবার জন্য। আমি বিপদে পড়লাম। প্রথমত টাকা কেউ নিয়ে গেল নাকি মেশিনে ফেরত গেল তা জানতে সময় লাগবে এক সপ্তাহ। অবৈধভাবে যারা কাজ করে তাদের দিয়ে গাড়ি পরিষ্কার করিয়েছি রিসিট ছাড়া। ডেবিড কার্ডের পিনকোড ভুলে গেছি ব্যবহার না করার কারণে। 

আমরা মেশিন থেকে সরে যাবার সঙ্গে সঙ্গে যদি অন্য কেউ টাকা তুলতে আসে তাহলে সেটা মেশিনে ফেরত যায়নি। মানে গাড়ি পরিষ্কারের পেছনে আটশো নয় ষোলশো সুইডিশ ক্রোনার খরচ হলো। গরীব বলে সাহায্য করতে গাড়ি পরিষ্কার করাতে রাজি হলাম। কিন্তু দেখা গেল এরা নিজ দেশ ছেড়ে সুইডেনে বসবাস সত্ত্বেও চরিত্র আগের মতই রয়ে গেছে। 

মনে হচ্ছে কয়লা ধুলেও ময়লা যায় না। দরিদ্র দেশ থেকে এসে এখানে সব ধরনের সুযোগ সুবিধা ভোগ করা সত্বেও অনেকেই এভাবে ট্যাক্স ফাঁকি দেয়া থেকে শুরু করে ধর্ষণের মত জঘন্য কাজেও জড়িত হয়। মাঝে মধ্যে এধরণের খবর জেনে থাকি। 

দুঃখের বিষয় যারা পাশ্চাত্যে আসার সুযোগ পেয়েছে, তারা যদি তাদের আচরণের পরিবর্তন না করে যেমন ট্যাক্স ফাঁকি বা ধর্ষণের মত জঘন্য কাজ করে, তবে এদের কারণে অনেকেরই বিদেশে আসার সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে। দুর্নীতি করার জন্য যেসব মাধ্যমের প্রয়োজন হয় তার প্রথমটি হচ্ছে ক্যাশ টাকা। আমার বিশ্বাস ক্যাশ টাকার ব্যবহার যখন বন্ধ হবে বিশ্বের দুর্নীতি তখন বিদায় নিবে। 

লেখক: রহমান মৃধা, সাবেক পরিচালক (প্রোডাকশন অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট), ফাইজার, সুইডেন থেকে, [email protected]

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
 

ঘটনাপ্রবাহ : রহমান মৃধার কলাম