ফিনল্যান্ডে বিডিপিএফ-এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
jugantor
ফিনল্যান্ডে বিডিপিএফ-এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

  অনলাইন ডেস্ক  

০১ নভেম্বর ২০২০, ১৬:১১:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশি যারা ফিনল্যান্ড থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং ডক্টরেট ডিগ্রিধারী যারা ফিনল্যান্ডে বসবাস করছেন, তাদের সংগঠন বাংলাদেশ ডক্টরেট প্ল্যাটফর্ম ইন ফিনল্যান্ডের (বিডিপিএফ) বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৩১ অক্টোবর ফিনল্যান্ডের স্থানীয় সময় সকালে জুমের মাধ্যমে অনলাইন বিডিপিএফ বার্ষিক সভা ২০২০ আয়োজন করা হয়। বিডিপিএফ-এর সাধারণ সদস্য ড. তাহমিনা খানম বার্ষিক সভায় অংশগ্রহণকারী সকল ডক্টর সদস্যদের সালাম, আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং স্বাগতম জানিয়ে সভা শুরু করার আহবান জানান বিডিপিএফ–এর ফাউন্ডিং নির্বাহী সভাপতি ড. মো. মঞ্জুরে মওলাকে।

সেখানে জানানো হয়, গত এক বছরে বিডিপিএফ পরিবারের অনেক ডক্টর সদস্য হারিয়েছেন তাদের আপনজন। যেসব ডক্টর সদস্যরা আপনজন হারিয়েছেন তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনার জন্য এক মিনিট নীরবতা পালন এবং শোক প্রস্তাব পাঠ করেন সাধারণ সদস্য ড. মো. সানাউল হক।

যারা বিগত হয়েছেন তারা হচ্ছেন ডক্টর সফিকুল আলমের বাবা আইয়ুব আলী সরকার, ডক্টর মোঃ মঞ্জুরে মওলার মা মনোয়ারা বেগম, ডক্টর শরিফ চৌধুরীর শশুর ও ডক্টর সৈয়দা হাসানের বাবা আবু হাসান, ডক্টর জহিরুল ইসলামের শাশুড়ি সুরাইয়া আমজাদ, ডক্টর ইয়াছিনুর রহমানের শশুর ও ডক্টর তাহমিনা খালমের বাবা মোহাম্মদ আলী খান, ডক্টর কামরুল হোসেনের বাবা মোশাররফ হোসেন, ডক্টর এএইচএম সামসুজ্জোহার ছোট ভাই আজিজুল মাকসুদ।

বিডিপিএফ-এর বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব এবং সম্পাদিত ও ভবিষ্যৎ কর্মসূচী উপস্থাপন করেন বিডিপিএফ-এর ফাউন্ডিং নির্বাহী সদস্য সচিব ড. আশরাফুল আলম। উপদেষ্টা সদস্যরা তা অনুমোদন দেন। একই সাথে বিডিপিএফ-এর ফাউন্ডিং নির্বাহী সদস্য ড. শিপুল বড়ুয়ার (ব্যস্ততার জন্য অবসর নিয়েছেন) স্থলাভিষিক্ত ড. সফিকুল আলমের (সিনিয়র গবেষক, তাম্পের বিশ্ববিদ্যালয়) নাম প্রস্তাব করেন উপদেষ্টা ড. সাইদুল হালিম কাজী এবং তা সমর্থন করেন ড. এস এম হারুন-অর-রশিদের সাথে উপস্থিত সকলেই।

অনুষ্ঠানে ফাউন্ডিং নির্বাহী সভাপতি ড. মোঃ মঞ্জুরে মওলা বলেন, সৃজনশীল চিন্তার অধিকারী শুধুমাত্র ডক্টরেট ডিগ্রীধারীদের নিয়ে বিডিপিএফ এর মতো প্লাটফর্ম দেশ-বিদেশের কোথাও আছে বলে অন্তত: আমার জানা নেই। তবে আমরা যা জানি বা বলতে চাই, তা হলো তোষামদকরণ দলের ডক্টর ডিগ্রী অর্জনকারীরা, নিজ কায়েমি স্বার্থের জন্য আলোকে আলো বলতে ভয় পায়। এরা বিডিপিএফ-এর মতো নির্মল থিংক ট্যাংক প্লাটফর্ম তৈরি করতে অন্তর্ঘাত সৃষ্টি করে। ইতিহাসই এর প্রধান সাক্ষী।

তিনি জানান, ফেসবুক গ্রুপের মাত্র ৭ জন ডক্টর সদস্য নিয়ে বিডিপিএফ যাত্রা শুরু করেছিল ২০১৯ সালের জুন মাসে। আপনাদের সকলের সৎ, সুন্দর মননশীলতা এবং ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফসল আমাদের আজকের বিডিপিএফ-এর ৬২ জন ডক্টর সদস্য। যারা বাংলাদেশিদের সহজ-সরল জীবনের ঐতিহ্যকে বিশ্ব-দরবারে তুলে ধরার দর্পণ হিসেবে কাজ করছেন নিজ নিজ পেশাগত অবস্থান থেকে।

প্রথম পর্বে বিডিপিএফ-এর দিক নির্দেশনামূলক সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেন উপদেষ্টা এবং সাধারণ সদস্য যথাক্রমে ড. জহিরুল ইসলাম, ড. এসএম হারুন-অর-রশিদ, ড. হেলাল চৌধুরী, ড. সাইদুল হালিম কাজী, ড. গোলাম মো. সারোয়ার, ড. সুনীল কুণ্ডু, ড. এ কে এম সাইফুল্লাহ, ড. কামরুল হোসেন, ড. অসীম কর, ড. ইয়াছিনুর রহমান, এবং ড. মোহাম্মদ মজুমদার।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে অনলাইন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কো-অর্ডিনেটর ড. এএইচএম সামসুজ্জোহা এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংগীত গাওয়ার মধ্যদিয়ে শুরু হয় বিডিপিএফ দুপুর- সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

ডক্টর সদস্যদের গান, কবিতা, যোগ ব্যায়াম, ব্যঙ্গার্থ ছড়া পাঠ এবং কৌতুক পরিবেশনার মধ্যদিয়ে তৈরি হয়েছিল এক আনন্দঘন পরিবেশ। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা ও ডিজাইনে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন সদস্য ড. মোঃ সানাউল হক।

বিডিপিএফ–এর বার্ষিক সভায় অংশগ্রহণ করেছিলেন ড. তাহমিনা খানম, ড. পারভেজ রানা, ড. শাকিলা বু পাশা, ড. শরিফ চৌধুরী, ড. মুবিনুর রহমান, ড. মনজুর আলম, ড. আশরাফুল আলম, ড. সাকিরা হাসান, ড. করিম উল্লাহ, ড. সুনীল কুণ্ডু, ড. জুলিয়াস ফ্রান্সিস গোমেজ, ড. কামরুল হোসেন (লাপল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়), ড. কামরুল হোসেন, ড. নাজমুল ইসলাম, ড. মোহাম্মদ মজুমদার, ড. জহিরুল ইসলাম, ড. এস এম হারুন-অর-রশিদ, ড. হেলাল চৌধুরী, ড. সাইদুল হালিম কাজী, ড. মোঃ সানাউল হক, ড. গোলাম মোঃ সারোয়ার, ড. সুনীল কুণ্ডু, ড. এ কে এম সাইফুল্লাহ, ড. অসীম কর, ড. ইয়াছিনুর রহমান, ড. সফিকুল আলম, ড. এএইচএম সামসুজ্জোহা এবং ড. মোঃ মঞ্জুরে মওলা।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

ফিনল্যান্ডে বিডিপিএফ-এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

 অনলাইন ডেস্ক 
০১ নভেম্বর ২০২০, ০৪:১১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশি যারা ফিনল্যান্ড থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং ডক্টরেট ডিগ্রিধারী যারা ফিনল্যান্ডে বসবাস করছেন, তাদের সংগঠন বাংলাদেশ ডক্টরেট প্ল্যাটফর্ম ইন ফিনল্যান্ডের (বিডিপিএফ) বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
 
৩১ অক্টোবর ফিনল্যান্ডের স্থানীয় সময় সকালে জুমের মাধ্যমে অনলাইন বিডিপিএফ বার্ষিক সভা ২০২০ আয়োজন করা হয়। বিডিপিএফ-এর সাধারণ সদস্য ড. তাহমিনা খানম বার্ষিক সভায় অংশগ্রহণকারী সকল ডক্টর সদস্যদের সালাম, আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং স্বাগতম জানিয়ে সভা শুরু করার আহবান জানান বিডিপিএফ–এর ফাউন্ডিং নির্বাহী সভাপতি ড. মো. মঞ্জুরে মওলাকে।
  
সেখানে জানানো হয়, গত এক বছরে বিডিপিএফ পরিবারের অনেক ডক্টর সদস্য হারিয়েছেন তাদের আপনজন। যেসব ডক্টর সদস্যরা আপনজন হারিয়েছেন তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনার জন্য এক মিনিট নীরবতা পালন এবং শোক প্রস্তাব পাঠ করেন সাধারণ সদস্য ড. মো. সানাউল হক। 

যারা বিগত হয়েছেন তারা হচ্ছেন ডক্টর সফিকুল আলমের বাবা আইয়ুব আলী সরকার, ডক্টর মোঃ মঞ্জুরে মওলার মা মনোয়ারা বেগম, ডক্টর শরিফ চৌধুরীর শশুর ও ডক্টর সৈয়দা হাসানের বাবা আবু হাসান, ডক্টর জহিরুল ইসলামের শাশুড়ি সুরাইয়া আমজাদ, ডক্টর ইয়াছিনুর রহমানের শশুর ও ডক্টর তাহমিনা খালমের বাবা মোহাম্মদ আলী খান, ডক্টর কামরুল হোসেনের বাবা মোশাররফ হোসেন, ডক্টর এএইচএম সামসুজ্জোহার ছোট ভাই আজিজুল মাকসুদ।

বিডিপিএফ-এর বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব এবং সম্পাদিত ও ভবিষ্যৎ কর্মসূচী উপস্থাপন করেন বিডিপিএফ-এর ফাউন্ডিং নির্বাহী সদস্য সচিব ড. আশরাফুল আলম। উপদেষ্টা সদস্যরা তা অনুমোদন দেন। একই সাথে বিডিপিএফ-এর ফাউন্ডিং নির্বাহী সদস্য ড. শিপুল বড়ুয়ার (ব্যস্ততার জন্য অবসর নিয়েছেন) স্থলাভিষিক্ত ড. সফিকুল আলমের (সিনিয়র গবেষক, তাম্পের বিশ্ববিদ্যালয়) নাম প্রস্তাব করেন উপদেষ্টা ড. সাইদুল হালিম কাজী এবং তা সমর্থন করেন ড. এস এম হারুন-অর-রশিদের সাথে উপস্থিত সকলেই।  

অনুষ্ঠানে ফাউন্ডিং নির্বাহী সভাপতি ড. মোঃ মঞ্জুরে মওলা বলেন, সৃজনশীল চিন্তার অধিকারী শুধুমাত্র ডক্টরেট ডিগ্রীধারীদের নিয়ে বিডিপিএফ এর মতো প্লাটফর্ম দেশ-বিদেশের কোথাও আছে বলে অন্তত: আমার জানা নেই। তবে আমরা যা জানি বা বলতে চাই, তা হলো তোষামদকরণ দলের ডক্টর ডিগ্রী অর্জনকারীরা, নিজ কায়েমি স্বার্থের জন্য আলোকে আলো বলতে ভয় পায়। এরা বিডিপিএফ-এর মতো নির্মল থিংক ট্যাংক প্লাটফর্ম তৈরি করতে অন্তর্ঘাত সৃষ্টি করে। ইতিহাসই এর প্রধান সাক্ষী। 

তিনি জানান, ফেসবুক গ্রুপের মাত্র ৭ জন ডক্টর সদস্য নিয়ে বিডিপিএফ যাত্রা শুরু করেছিল ২০১৯ সালের জুন মাসে। আপনাদের সকলের সৎ, সুন্দর মননশীলতা এবং  ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফসল আমাদের আজকের বিডিপিএফ-এর ৬২ জন ডক্টর সদস্য। যারা বাংলাদেশিদের সহজ-সরল জীবনের ঐতিহ্যকে বিশ্ব-দরবারে তুলে ধরার দর্পণ হিসেবে কাজ করছেন নিজ নিজ পেশাগত অবস্থান থেকে। 

প্রথম পর্বে বিডিপিএফ-এর দিক নির্দেশনামূলক সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেন উপদেষ্টা এবং সাধারণ সদস্য যথাক্রমে ড. জহিরুল ইসলাম, ড. এসএম হারুন-অর-রশিদ, ড. হেলাল চৌধুরী, ড. সাইদুল হালিম কাজী, ড. গোলাম মো. সারোয়ার, ড. সুনীল কুণ্ডু, ড. এ কে এম সাইফুল্লাহ, ড. কামরুল হোসেন, ড. অসীম কর, ড. ইয়াছিনুর রহমান, এবং ড. মোহাম্মদ মজুমদার।
  
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে অনলাইন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কো-অর্ডিনেটর ড. এএইচএম সামসুজ্জোহা এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংগীত গাওয়ার মধ্যদিয়ে শুরু হয় বিডিপিএফ দুপুর- সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। 

ডক্টর সদস্যদের গান, কবিতা, যোগ ব্যায়াম, ব্যঙ্গার্থ ছড়া পাঠ এবং কৌতুক পরিবেশনার মধ্যদিয়ে তৈরি হয়েছিল এক আনন্দঘন পরিবেশ। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা ও ডিজাইনে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন সদস্য ড. মোঃ সানাউল হক।

বিডিপিএফ–এর বার্ষিক সভায় অংশগ্রহণ করেছিলেন ড. তাহমিনা খানম, ড. পারভেজ রানা, ড. শাকিলা বু পাশা, ড. শরিফ চৌধুরী, ড. মুবিনুর রহমান, ড. মনজুর আলম, ড. আশরাফুল আলম, ড. সাকিরা হাসান, ড. করিম উল্লাহ, ড. সুনীল কুণ্ডু, ড. জুলিয়াস ফ্রান্সিস গোমেজ, ড. কামরুল হোসেন (লাপল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়), ড. কামরুল হোসেন, ড. নাজমুল ইসলাম, ড. মোহাম্মদ মজুমদার, ড. জহিরুল ইসলাম, ড. এস এম হারুন-অর-রশিদ, ড. হেলাল চৌধুরী, ড. সাইদুল হালিম কাজী, ড. মোঃ সানাউল হক, ড. গোলাম মোঃ সারোয়ার, ড. সুনীল কুণ্ডু, ড. এ কে এম সাইফুল্লাহ, ড. অসীম কর, ড. ইয়াছিনুর রহমান, ড. সফিকুল আলম, ড. এএইচএম সামসুজ্জোহা এবং ড. মোঃ মঞ্জুরে মওলা।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন [email protected] এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]