মালয়েশিয়ায় শ্রমিক বৈধকরণে প্রতারণা করলে জেল-জরিমানা
jugantor
মালয়েশিয়ায় শ্রমিক বৈধকরণে প্রতারণা করলে জেল-জরিমানা

  আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া থেকে  

২৭ নভেম্বর ২০২০, ২০:০০:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

মালয়েশিয়ায় ১৬ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে অবৈধ অভিবাসী শ্রমিক বৈধকরণ প্রক্রিয়া। রিকেলিব্রেশন নামে এ প্রক্রিয়ায় শ্রমিক বৈধকরণ নিবন্ধনে সরকার আগের মতো কোনো ভেন্ডর বা এজেন্ট নিয়োগ করেনি।

এবার সরাসরি দেশটির শ্রম ও মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। যদি কোনো তৃতীয়পক্ষ, এজেন্ট বা দালাল শ্রমিকের সঙ্গে কোনোরকম প্রতারণা বা জালিয়াতি করে তাহলে দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় এনে বিচার করা হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়।

শুক্রবার মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় (কেএসএম) স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে এক বিবৃতিতে এসব কথা জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়- শ্রমিক নিয়োগে কোনো ধরনের প্রতারণা বা জালিয়াতি করা হলে দেশটির বেসরকারি কর্মসংস্থান সংস্থা জাতীয় সংবিধান ১৯৮১ সালের ২৪৬ এর ৭ ধারায় প্রতারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ৩ বছর কারাদণ্ড এবং ২ লাখ রিংগিত যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৪০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। সরকার এ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছে এবং সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হবে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা। এ ধরনের অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা।

উল্লেখ্য, ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত অবৈধ অভিবাসী কর্মী রি-হায়ারিং প্রকল্প পরিচালিত হয়েছিল। ওই প্রকল্পে দালাল ও এজেন্টদের কাছে টাকা ও পাসপোর্ট দিয়ে বিভিন্ন দেশের লাখ লাখ অভিবাসী কর্মী প্রতারণা ও জালিয়াতির শিকার হয়েছিলেন। এ প্রতারণার বিষয়টি দেশটির সরকার ও দূতাবাসে অবহিত করা হলেও সংশ্লিষ্ট প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়নি। কারণ প্রতারক চক্র অভিবাসী কর্মীদের কাছ থেকে টাকা ও পাসপোর্ট হাতিয়ে নেয়ার সময় কোনো ডকুমেন্টস দেয়নি।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

মালয়েশিয়ায় শ্রমিক বৈধকরণে প্রতারণা করলে জেল-জরিমানা

 আহমাদুল কবির, মালয়েশিয়া থেকে 
২৭ নভেম্বর ২০২০, ০৮:০০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মালয়েশিয়ায় ১৬ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে অবৈধ অভিবাসী শ্রমিক বৈধকরণ প্রক্রিয়া। রিকেলিব্রেশন নামে এ প্রক্রিয়ায় শ্রমিক বৈধকরণ নিবন্ধনে সরকার আগের মতো কোনো ভেন্ডর বা এজেন্ট নিয়োগ করেনি।

এবার সরাসরি দেশটির শ্রম ও মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। যদি কোনো তৃতীয়পক্ষ, এজেন্ট বা দালাল শ্রমিকের সঙ্গে কোনোরকম প্রতারণা বা জালিয়াতি করে তাহলে দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় এনে বিচার করা হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়।

শুক্রবার মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় (কেএসএম) স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে এক বিবৃতিতে এসব কথা জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়- শ্রমিক নিয়োগে কোনো ধরনের প্রতারণা বা জালিয়াতি করা হলে দেশটির বেসরকারি কর্মসংস্থান সংস্থা জাতীয় সংবিধান ১৯৮১ সালের ২৪৬ এর ৭ ধারায় প্রতারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ৩ বছর কারাদণ্ড এবং ২ লাখ রিংগিত যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৪০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। সরকার এ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছে এবং সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হবে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা। এ ধরনের অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা।

উল্লেখ্য, ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত অবৈধ অভিবাসী কর্মী রি-হায়ারিং প্রকল্প পরিচালিত হয়েছিল। ওই প্রকল্পে দালাল ও এজেন্টদের কাছে টাকা ও পাসপোর্ট দিয়ে বিভিন্ন দেশের লাখ লাখ অভিবাসী কর্মী প্রতারণা ও জালিয়াতির শিকার হয়েছিলেন। এ প্রতারণার বিষয়টি দেশটির সরকার ও দূতাবাসে অবহিত করা হলেও সংশ্লিষ্ট প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়নি। কারণ প্রতারক চক্র অভিবাসী কর্মীদের কাছ থেকে টাকা ও পাসপোর্ট হাতিয়ে নেয়ার সময় কোনো ডকুমেন্টস দেয়নি।
 

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]