এখনও ‘ব্যাক টু ফিউচার’-এর মধ্যে হাবুডুবু খাচ্ছি
jugantor
এখনও ‘ব্যাক টু ফিউচার’-এর মধ্যে হাবুডুবু খাচ্ছি

  রহমান মৃধা, সুইডেন থেকে  

১১ ডিসেম্বর ২০২০, ১৬:০৩:৩৯  |  অনলাইন সংস্করণ

দেশের বাইরে বসবাস করলেও সব সময় দেশের কথা মনে হয়। কোথায় কী হচ্ছে, কীভাবে চলছে এসব জানতে ইচ্ছে করে। বিশ্বের কোথায় কী ঘটছে তাও জানতে চেষ্টা করি। তবে বাংলাদেশের ঘটনাগুলো মনের মধ্যে ভিন্ন ধরণের অনুভূতির সৃষ্টি করে।

কারণটি খুবই স্বাভাবিক। ছোটবেলা যেখানে বেশি সময় কাটে সেখানকার স্মৃতিগুলো হৃদয়ে ফুলের মালার মত গাঁথা হয়ে থাকে। একটি নতুন টেলিফোন বা কম্পিউটারে যেমন প্রথম অবস্থায় সবকিছু দ্রুত আপলোড করা সম্ভব, ঠিক ছোটবেলায় যা কিছু দেখেছি, শিখেছি, করেছি সেগুলো সুন্দরভাবে আর্কাইভ হয়ে আছে মনের মধ্যে।

ছোটবেলার সময়টি ছিল মুক্তমঞ্চ; তবে পরিবেশটা ছিল জটিল এবং কঠিন। বাংলাদেশের পরিবেশে মুরব্বিরা যেটা বলবেন সেটা মানতে হবে। বাবা-মা, গুরুজন যেটা বলবেন সেভাবেই চলতে হবে। তারপর আমাদের নিজেদেরও কিন্তু চাওয়া পাওয়া ছিল। সেগুলো এখনও মনে জমা রয়েছে।

মজার বিষয় হলো অনেক কিছু এতই গোপনীয় যে কারো সঙ্গে শেয়ার করা হয়নি অথচ সেগুলো এখনও মনের মধ্যে এসে মাঝেমধ্যে দোলা দেয়, নাড়া দেয়, আনন্দ দেয়, ব্যথা দেয়। আমাদের ব্রেনের ক্যাপাসিটি এত বেশি যে সব কিছু সেখানে জমা থাকে।

অতীতের সব কিছুকে টেলিফোন বা কম্পিউটারের মত সহজ ভাবে ডিলিট করা যায় না। কখনও ডিলিট করা সম্ভব হবেও না। আমি আমার জীবনের এক তৃতীয়াংশ সময় বাংলাদেশে কাটিয়েছি এবং সেটা ছিল আমার ছোটবেলা। আমি বাবা হয়েছি, আমার ছেলেমেয়ের ছোটবেলার সময়টি দেখেছি কীভাবে তারা তাদের সময়গুলো কাটিয়েছে।

এখানে গুরুজন, বাবা-মার ভূমিকার চেয়ে তাদের নিজেদের চিন্তা চেতনার গুরুত্ব বেশি দেয়া হয়। প্রথম দিকে বেশ ঝামেলায় পড়েছি। হয়ত বলেছি এটা করবে না, সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্ন- কেন? মনপূত উত্তর না হলে আমার কথা কেউই মেনে নেয়নি। শেষে নিজেকেই পরিবর্তন করতে শুরু করেছি। সেক্ষেত্রে চলে গিয়েছি অতীতের ভালো মন্দের স্মৃতিতে।

ওমা দেখি আমিও তো আমার ছেলে-মেয়ের মত চিন্তা করেছি। তবে পারিপার্শ্বিকতার কারণে সেসব চিন্তার সফলতা ঘটাতে সক্ষম হইনি যা আজও মনের মধ্যে গেঁথে আছে। কেন যেন মনে হচ্ছে ঝড়ঝাপটা একটু বেশি গিয়েছে আমার জীবনের উপর দিয়ে।

যদিও পুরোপুরি তুলনা করা ঠিক হবে না তখন আর এখনকার সময় নিয়ে। প্রযুক্তির যুগে এখন যেটা সম্ভব, সেটা আমাদের ছোটবেলায় সম্ভব হয়নি। তবে বর্তমানের সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলতে অনেক কিছু জানতে এবং শিখতে হচ্ছে, যা আমাদের এই বয়সে উপযোগী না হলেও মনে হচ্ছে আমরা ব্যাক টু ফিউচারে আসা যাওয়া করছি।

যুগের সঙ্গে তাল মিলাতে হলে সব কিছুর সামঞ্জস্য থাকা প্রয়োজন কিন্তু আমাদের অতীতের যেসব তথ্য মনে গাঁথা রয়েছে তার সঙ্গে প্রতিটি পদক্ষেপে নতুনত্বের ধাক্কা লাগছে। আর এই ধাক্কার কারণে তৈরি হচ্ছে কনফ্লিক্টের। বর্তমানের সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে চলতে বলা যতটা সহজ তা পালন করা ততটা সহজ নয়।

কারণ আমাদের অতীত সব সময় সামনে বাঁধা হয়ে দাড়ায়। যার কারণে আমরা সব সময় ব্যাক টু ফিউচারের রাজ্যে বসবাস করি। আমি যদি প্রশ্ন করি আচ্ছা স্বাধীন আর পরাধীনের প্রকৃত মানে কী? অনেকেই বলবে এটা কি কোন প্রশ্ন হলো এ যুগে? কারণ সবাই ভাষাগত দিক দিয়ে এর অর্থ কী তা জানে, তবে এর অ্যাপ্লিকেশন কী সঠিকভাবে আমরা করতে পারছি?

আমরা যতদিন মনের স্বাধীনতা কী এবং কীভাবে সেটাকে পাওয়া সম্ভব জানতে না পারছি, ততদিন কিন্তু পরাধীনই থেকে যাব। হয়ত পৃথিবী থেকে পরাধীন অবস্থায় বিদায় নিব, যেমনটি আমাদের পূর্বপুরুষরা নিয়েছেন। মনের স্বাধীনতা না থাকলে আত্মবিশ্বাস গড়ে উঠবে না, আত্মবিশ্বাস না গড়ে উঠলে নিজেকে, নিজের ব্যক্তিত্ব এবং অস্তিত্বকে পরিপূর্ণভাবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে না।

অনেকেই জানে না কেন দুর্নীতি, অনীতি আমাদের সমাজে বেশি। কারণ আমাদের ব্যক্তিত্বে এবং অস্তিত্বে আত্মবিশ্বাসের অভাব। যে কারণে আমরা মনে করি বড় পদবী, অনেক টাকা, গাড়ি, বাড়ি এসব না থাকলে সমাজে আমাকে কেউ সম্মান করবে না।

বাংলাদেশে বিশেষ করে এটা খুবই সত্য যার কারণে সবাই ব্যস্ত কীভাবে ধন দৌলত করতে হবে, পদবী গড়তে হবে ইত্যাদি। যে জাতি শিক্ষিত হয়েও দেখা যাচ্ছে রেফারেন্স দিয়ে মনের ভাব প্রকাশ করে, সে জাতির আত্মবিশ্বাসের অভাব রয়েছে।

আমরা কথা বলতে গেলেও নামি দামী লোকের নাম ব্যবহার করি, কারণ নিজের বাক স্বাধীনতার উপর যেমন আস্থা নেই তেমন সমাজের কাছেও তার গ্রহণযোগ্যতা নেই। একটি ডকুমেন্ট সত্যায়িত করবেন? যেতে হবে প্রথম শ্রেণীর গ্রেজেটেড অফিসারের কাছে।

কিন্তু পাশ্চাত্যে যেমন সুইডেনে নো ম্যাটার। যত গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টই হোক না কেন নিজের স্বাক্ষর এবং সঙ্গে অন্য যে কোন সুইডিশ নাগরিকের সত্যায়ন থাকলেই হলো। সমাজের প্রতিটি মানুষের মূল্যায়ন করা হয় তার নিজ নিজ জায়গা থেকে। কারণ এ সমাজে সবার ব্যক্তি স্বাধীনতা রয়েছে। স্বাধীন দেশ আর স্ব-স্বাধীন এক জিনিস নয়।
বাংলাদেশ পাকিস্তান থেকে স্বাধীন হয়েছে। এখন দরকার পরের অধীন থেকে নিজেকে মুক্ত করা। এটা করতে হলে নিজের উপর বিশ্বাস তৈরি করতে হবে। সততা, নিষ্ঠার সঙ্গে পদবি নয় কর্মের প্রতি রেসপেক্ট দেখাতে হবে।

মানুষে মানুষে ভেদাভেদ কমাতে হবে। দেশের অর্থ আত্মসাৎ করে বিদেশে পাচার করা বন্ধ করতে হবে। ভালো এবং মন্দ শুধু নিজের বেলা প্রযোজ্য হবে সেটা নয়, সমাজের সবার জন্য যেন সেটা কার্যকারী হয় সেদিকে নজর দিতে হবে। সর্বোপরি শিক্ষা প্রশিক্ষণের পরিবর্তন আনতে হবে এবং সেটা হতে হবে সুশিক্ষা।

লেখক: রহমান মৃধা, সাবেক পরিচালক (প্রোডাকশন অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট), ফাইজার, সুইডেন থেকে, rahman.mridha@gmail.com

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

এখনও ‘ব্যাক টু ফিউচার’-এর মধ্যে হাবুডুবু খাচ্ছি

 রহমান মৃধা, সুইডেন থেকে 
১১ ডিসেম্বর ২০২০, ০৪:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দেশের বাইরে বসবাস করলেও সব সময় দেশের কথা মনে হয়। কোথায় কী হচ্ছে, কীভাবে চলছে এসব জানতে ইচ্ছে করে। বিশ্বের কোথায় কী ঘটছে তাও জানতে চেষ্টা করি। তবে বাংলাদেশের ঘটনাগুলো মনের মধ্যে ভিন্ন ধরণের অনুভূতির সৃষ্টি করে। 

কারণটি খুবই স্বাভাবিক। ছোটবেলা যেখানে বেশি সময় কাটে সেখানকার স্মৃতিগুলো হৃদয়ে ফুলের মালার মত গাঁথা হয়ে থাকে। একটি নতুন টেলিফোন বা কম্পিউটারে যেমন প্রথম অবস্থায় সবকিছু দ্রুত আপলোড করা সম্ভব, ঠিক ছোটবেলায় যা কিছু দেখেছি, শিখেছি, করেছি সেগুলো সুন্দরভাবে আর্কাইভ হয়ে আছে মনের মধ্যে। 

ছোটবেলার সময়টি ছিল মুক্তমঞ্চ; তবে পরিবেশটা ছিল জটিল এবং কঠিন। বাংলাদেশের পরিবেশে মুরব্বিরা যেটা বলবেন সেটা মানতে হবে। বাবা-মা, গুরুজন যেটা বলবেন সেভাবেই চলতে হবে। তারপর আমাদের নিজেদেরও কিন্তু চাওয়া পাওয়া ছিল। সেগুলো এখনও মনে জমা রয়েছে। 

মজার বিষয় হলো অনেক কিছু এতই গোপনীয় যে কারো সঙ্গে শেয়ার করা হয়নি অথচ সেগুলো এখনও মনের মধ্যে এসে মাঝেমধ্যে দোলা দেয়, নাড়া দেয়, আনন্দ দেয়, ব্যথা দেয়। আমাদের ব্রেনের ক্যাপাসিটি এত বেশি যে সব কিছু সেখানে জমা থাকে। 

অতীতের সব কিছুকে টেলিফোন বা কম্পিউটারের মত সহজ ভাবে ডিলিট করা যায় না। কখনও ডিলিট করা সম্ভব হবেও না। আমি আমার জীবনের এক তৃতীয়াংশ সময় বাংলাদেশে কাটিয়েছি এবং সেটা ছিল আমার ছোটবেলা। আমি বাবা হয়েছি, আমার ছেলেমেয়ের ছোটবেলার সময়টি দেখেছি কীভাবে তারা তাদের সময়গুলো কাটিয়েছে। 

এখানে গুরুজন, বাবা-মার ভূমিকার চেয়ে তাদের নিজেদের চিন্তা চেতনার গুরুত্ব বেশি দেয়া হয়। প্রথম দিকে বেশ ঝামেলায় পড়েছি। হয়ত বলেছি এটা করবে না, সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্ন- কেন? মনপূত উত্তর না হলে আমার কথা কেউই মেনে নেয়নি। শেষে নিজেকেই পরিবর্তন করতে শুরু করেছি। সেক্ষেত্রে চলে গিয়েছি অতীতের ভালো মন্দের স্মৃতিতে। 

ওমা দেখি আমিও তো আমার ছেলে-মেয়ের মত চিন্তা করেছি। তবে পারিপার্শ্বিকতার কারণে সেসব চিন্তার সফলতা ঘটাতে সক্ষম হইনি যা আজও মনের মধ্যে গেঁথে আছে। কেন যেন মনে হচ্ছে ঝড়ঝাপটা একটু বেশি গিয়েছে আমার জীবনের উপর দিয়ে। 

যদিও পুরোপুরি তুলনা করা ঠিক হবে না তখন আর এখনকার সময় নিয়ে। প্রযুক্তির যুগে এখন যেটা সম্ভব, সেটা আমাদের ছোটবেলায় সম্ভব হয়নি। তবে বর্তমানের সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলতে অনেক কিছু জানতে এবং শিখতে হচ্ছে, যা আমাদের এই বয়সে উপযোগী না হলেও মনে হচ্ছে আমরা ব্যাক টু ফিউচারে আসা যাওয়া করছি। 

যুগের সঙ্গে তাল মিলাতে হলে সব কিছুর সামঞ্জস্য থাকা প্রয়োজন কিন্তু আমাদের অতীতের যেসব তথ্য মনে গাঁথা রয়েছে তার সঙ্গে প্রতিটি পদক্ষেপে নতুনত্বের ধাক্কা লাগছে। আর এই ধাক্কার কারণে তৈরি হচ্ছে কনফ্লিক্টের। বর্তমানের সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে চলতে বলা যতটা সহজ তা পালন করা ততটা সহজ নয়। 

কারণ আমাদের অতীত সব সময় সামনে বাঁধা হয়ে দাড়ায়। যার কারণে আমরা সব সময় ব্যাক টু ফিউচারের রাজ্যে বসবাস করি। আমি যদি প্রশ্ন করি আচ্ছা স্বাধীন আর পরাধীনের প্রকৃত মানে কী? অনেকেই বলবে এটা কি কোন প্রশ্ন হলো এ যুগে? কারণ সবাই ভাষাগত দিক দিয়ে এর অর্থ কী তা জানে, তবে এর অ্যাপ্লিকেশন কী সঠিকভাবে আমরা করতে পারছি? 

আমরা যতদিন মনের স্বাধীনতা কী এবং কীভাবে সেটাকে পাওয়া সম্ভব জানতে না পারছি, ততদিন কিন্তু পরাধীনই থেকে যাব। হয়ত পৃথিবী থেকে পরাধীন অবস্থায় বিদায় নিব, যেমনটি আমাদের পূর্বপুরুষরা নিয়েছেন। মনের স্বাধীনতা না থাকলে আত্মবিশ্বাস গড়ে উঠবে না, আত্মবিশ্বাস না গড়ে উঠলে নিজেকে, নিজের ব্যক্তিত্ব এবং অস্তিত্বকে পরিপূর্ণভাবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে না। 

অনেকেই জানে না কেন দুর্নীতি, অনীতি আমাদের সমাজে বেশি। কারণ আমাদের ব্যক্তিত্বে এবং অস্তিত্বে আত্মবিশ্বাসের অভাব। যে কারণে আমরা মনে করি বড় পদবী, অনেক টাকা, গাড়ি, বাড়ি এসব না থাকলে সমাজে আমাকে কেউ সম্মান করবে না। 

বাংলাদেশে বিশেষ করে এটা খুবই সত্য যার কারণে সবাই ব্যস্ত কীভাবে ধন দৌলত করতে হবে, পদবী গড়তে হবে ইত্যাদি। যে জাতি শিক্ষিত হয়েও দেখা যাচ্ছে রেফারেন্স দিয়ে মনের ভাব প্রকাশ করে, সে জাতির আত্মবিশ্বাসের অভাব রয়েছে। 

আমরা কথা বলতে গেলেও নামি দামী লোকের নাম ব্যবহার করি, কারণ নিজের বাক স্বাধীনতার উপর যেমন আস্থা নেই তেমন সমাজের কাছেও তার গ্রহণযোগ্যতা নেই। একটি ডকুমেন্ট সত্যায়িত করবেন? যেতে হবে প্রথম শ্রেণীর গ্রেজেটেড অফিসারের কাছে। 

কিন্তু পাশ্চাত্যে যেমন সুইডেনে নো ম্যাটার। যত গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টই হোক না কেন নিজের স্বাক্ষর এবং সঙ্গে অন্য যে কোন সুইডিশ নাগরিকের সত্যায়ন থাকলেই হলো। সমাজের প্রতিটি মানুষের মূল্যায়ন করা হয় তার নিজ নিজ জায়গা থেকে। কারণ এ সমাজে সবার ব্যক্তি স্বাধীনতা রয়েছে। স্বাধীন দেশ আর স্ব-স্বাধীন এক জিনিস নয়। 
বাংলাদেশ পাকিস্তান থেকে স্বাধীন হয়েছে। এখন দরকার পরের অধীন থেকে নিজেকে মুক্ত করা। এটা করতে হলে নিজের উপর বিশ্বাস তৈরি করতে হবে। সততা, নিষ্ঠার সঙ্গে পদবি নয় কর্মের প্রতি রেসপেক্ট দেখাতে হবে। 

মানুষে মানুষে ভেদাভেদ কমাতে হবে। দেশের অর্থ আত্মসাৎ করে বিদেশে পাচার করা বন্ধ করতে হবে। ভালো এবং মন্দ শুধু নিজের বেলা প্রযোজ্য হবে সেটা নয়, সমাজের সবার জন্য যেন সেটা কার্যকারী হয় সেদিকে নজর দিতে হবে। সর্বোপরি শিক্ষা প্রশিক্ষণের পরিবর্তন আনতে হবে এবং সেটা হতে হবে সুশিক্ষা।

লেখক: রহমান মৃধা, সাবেক পরিচালক (প্রোডাকশন অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট), ফাইজার, সুইডেন থেকে, rahman.mridha@gmail.com

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
 

ঘটনাপ্রবাহ : রহমান মৃধার কলাম

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
২৮ জানুয়ারি, ২০২১