বরফ ঢাকা সাগরে হেঁটে চলেছি...
jugantor
জার্নি বাই আইস
বরফ ঢাকা সাগরে হেঁটে চলেছি...

  রহমান মৃধা, সুইডেন থেকে  

১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১১:১৬:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

কয়েক দিন ধরে সুইডেনে প্রচুর তুষারপাত হচ্ছে। দেশের সবগুলো নদী-নালা, খাল-বিল বরফে ঢাকা পড়েছে। শহরের বড় বড় বিল্ডিংয়ের উপর থেকে জমা বরফ মাঝে মধ্যে রাস্তার উপর পড়ছে। এতে মানুষের প্রাণ পর্যন্ত যাবার সম্ভাবনা থাকায় কিছু মানুষ জীবনের নিরাপত্তা বজায় রেখে বিল্ডিংয়ের ছাদের উপরের বরফ নিচে নামাতে চেষ্টা করে চলছে।

গতকাল শহরে গিয়ে কয়েকবার পুলিশের হাতে বাঁধাগ্রস্ত হয়েছি। কারণ ছাদের বরফ পরিষ্কার করার জন্য অনেক অলিগলি ব্লক করেছে তারা। আজ সকালে বাড়ির পাশে বাল্টিক সাগরের উপর দিয়ে কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটির সময় বরফের কিছু অংশ ধ্বসে পড়ে। ভাগ্যিস সাথে একজন ছিল যে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবার কারণে বড় বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছি।

মেয়েটিকে কয়েকবার হাঁটতে পথে দেখেছি। মাঝে মধ্যে হ্যাই হ্যালো বলেছি তবে পরিচয় জানা হয়নি। বয়স ত্রিশের মত হবে। থাকে আমার এলাকাতেই। দু’জনই হাঁটছি ঠিক তেমনটি সময় বরফ ফাটতে শুরু করে। সে দ্রুততার সঙ্গে আমাকে ধরে বললো যেদিকে ফাটল ধরেছে তার উল্টা দিকে দৌড় দিতে। দৌড় দিতে দিতে বরফে পিছলে পড়ে গেলাম।

মেয়েটি বরফ থেকে আমাকে উঠাতে সাহায্য করল। পরে বাল্টিক সাগরের কিনারে এসে দু’জনে হেঁটে রেডিসন হোটেলের লবিতে হাজির হলাম। রেডিসন হোটেল বাল্টিক সাগরের পাশেই। বিল্ডিংটি কয়েক শত বছরের পুরনো। অতীতে রাজা গুস্তাভ lV-এর শাসন কালে আর্মির নিয়ন্ত্রণাধীন ছিল। বর্তমানে এটি রেডিসন হোটেলসহ অন্যান্য বিজনেস সেন্টারের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহার করা হয়।

পরিচয়ে জানতে পারলাম মেয়েটি সুইডেনের নর্থ থেকে তিনমাস হয়েছে মুভ করেছে স্টকহোমে। চাকরি করে চীনের টেলি কোম্পানি হুয়াওয়েতে। হুয়াওয়ে মোবাইলের অফিস আমার বাসার ঠিক সামনে। লাঞ্চের পর সে প্রতিদিনই বাল্টিক সাগরের পাশ দিয়ে চল্লিশ মিনিট হাঁটে। এতক্ষণে বুঝলাম কেন প্রায়ই তার সঙ্গে আমার দেখা হয়।

আজ পরিচয় পর্ব শেষে করে রেডিসনে সুইডিশ ফিকাটা (কফি) সেরে নিলাম। বিল দিতে গেলাম সে কিছুতেই দিতে দিল না। বললো একা একা সলনাতে আছি প্রায় তিন মাস হয়ে গেল কারও সঙ্গে তেমন পরিচয় হয়নি। আজ যেভাবেই হোক পরিচয় যখন হলো কফির দাম তোমাকে দিতে দেব না। কফি শেষে হেঁটে আমি বাসায় এলাম আর সে চলে গেলো তার অফিসে।

আগামীকাল ১২টায় সে আর আমি আবারও হাঁটতে বের হব, তবে বাল্টিক সাগরের বরফের উপর দিয়ে নয়, পাড় দিয়ে। দেখা যাক কোথায় গিয়ে দাড়ায় এ সম্পর্ক! মেয়েটির নাম আনিকা, হুয়াওয়ে মোবাইল টেলিকম নর্ডিকের সেলস ম্যানেজার। মাঝে মধ্যে চীনের বেইজিং-এ যাওয়া আসা করে অফিশিয়াল কাজে। ব্যক্তি জীবনে সিঙ্গেল তবে বয়ফ্রেন্ড ছিল, কয়েক মাস আগে সম্পর্ক ভেঙ্গে গেছে।

দুঃখ কাকে বলে তার প্রায় সবই মেয়েটি পেয়েছে। বয়ফ্রেন্ড মারা গেছে এ বছরের শুরুতে কোভিড-১৯ এ, ৩৩ বছর বয়সে। আনিকার ছিল এক বোন সেও বিদায় নিয়েছে কয়েক বছর আগে ক্যান্সারে। বাবা-মা মারা গেছেন বছর দুই হলো। সবচেয়ে কষ্টের মৃত্যু ছিল বয়ফ্রেন্ডের। হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে, তাকে বিদায় দিতে পারেনি।

দুজনই বেজিং-এ বেড়াতে গিয়েছিল গত বছর জানুয়ারি মাসে। বাড়িতে ফিরে আসার পর তারা অসুস্থ হয়ে যায়। পরে দুজনকে দুই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আনিকা ফিরেছে তবে ফেরেনি তার বয়ফ্রেন্ড।

আনিকার মুখ দিয়ে বের হলো কিছু কথা যা কবি গুরু রবি ঠাকুরের কথার সঙ্গে মিলে গেল। “আছে মৃত্যু, আছে দুঃখ, বিরহদহন লাগে। তবুও শান্তি, তবু আনন্দ, তবু অনন্ত জাগে।” শোক কতটা গভীর হলে কেউ দুঃখের জীবনের এসব কথা অল্প সময়ের পরিচয়ে সঙ্গে শেয়ার করে!

কাছের প্রিয়জন বলে কেউ আছে কিনা জিজ্ঞেস করলাম, বললো সে শুধু একা বেঁচে আছে! আপন যারা ছিল তারা চলে গেছে, বাকি যারা আছে সবই ফাঁকি। জিজ্ঞেস করলাম নতুন কোন সম্পর্কের কথা ভাবছে কিনা। উত্তরে বললো আপাতত না। বর্তমানে তার ফোকাস কিভাবে হুয়াওয়ে টেলিকম মোবাইল এবং ফাইভ জি চালু করা যায় সুইডেনে।

যদিও বেশ বাঁধা রয়েছে সুইডিশ টেলিকম এরিকসনের দিক থেকে। যতটুকু মনে হলো এ বিষয়গুলো নিয়ে আনিকা খুব একটা আগ্রহী নয় কথা বলতে। বিজনেসে সিক্রেট থাকা স্বাভাবিক। গতকাল পরিচয়ের পর আমার বিষয়ে তার আগ্রহের কারণ জিজ্ঞেস করলাম। উত্তরে বললো সে একজন পরামর্শদাতাকে খুঁজছে যার গ্লোবাল এক্সপেরিয়েন্স রয়েছে বিজনেস এবং মাল্টিকালচারাল ব্যাকগ্রাউন্ডের উপর।

গতকাল আমাকে নিয়ে গুগলে একটু ঘাটাঘাটি করেছে। তার ইচ্ছে যদি আমি তাকে একটু সাহায্য করতে পারি। বলেছি ভেবে জানাব, তবে ফাইনাল কোন সিগন্যাল দেইনি। এতটুকু ছিল আজকের হাঁটতে পথে কথোপকথন।

আগামীকাল হাঁটতে বের হবো কিনা জানতে চাইল, বলেছি বের হবো তবে কখন এবং কার সঙ্গে তা বলিনি। কাল এক বন্ধুর সঙ্গে লাঞ্চ করব। গত কালকের দুর্ঘটনার কারণ এবং বিপদে আনিকার সাহায্যের হাত বাড়ানোটা স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা সফট-কর্নার ক্রিয়েট হয়েছে মনে। মেন্টর হয়ে চেষ্টা করব আমার জীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে আনিকার সঙ্গে।

লেখক: রহমান মৃধা, সাবেক পরিচালক (প্রোডাকশন অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট), ফাইজার, সুইডেন থেকে, rahman.mridha@gmail.com

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
জার্নি বাই আইস

বরফ ঢাকা সাগরে হেঁটে চলেছি...

 রহমান মৃধা, সুইডেন থেকে 
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১১:১৬ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কয়েক দিন ধরে সুইডেনে প্রচুর তুষারপাত হচ্ছে। দেশের সবগুলো নদী-নালা, খাল-বিল বরফে ঢাকা পড়েছে। শহরের বড় বড় বিল্ডিংয়ের উপর থেকে জমা বরফ মাঝে মধ্যে রাস্তার উপর পড়ছে। এতে মানুষের প্রাণ পর্যন্ত যাবার সম্ভাবনা থাকায় কিছু মানুষ জীবনের নিরাপত্তা বজায় রেখে বিল্ডিংয়ের ছাদের উপরের বরফ নিচে নামাতে চেষ্টা করে চলছে।

গতকাল শহরে গিয়ে কয়েকবার পুলিশের হাতে বাঁধাগ্রস্ত হয়েছি। কারণ ছাদের বরফ পরিষ্কার করার জন্য অনেক অলিগলি ব্লক করেছে তারা। আজ সকালে বাড়ির পাশে বাল্টিক সাগরের উপর দিয়ে কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটির সময় বরফের কিছু অংশ ধ্বসে পড়ে। ভাগ্যিস সাথে একজন ছিল যে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবার কারণে বড় বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছি।

মেয়েটিকে কয়েকবার হাঁটতে পথে দেখেছি। মাঝে মধ্যে হ্যাই হ্যালো বলেছি তবে পরিচয় জানা হয়নি। বয়স ত্রিশের মত হবে। থাকে আমার এলাকাতেই। দু’জনই হাঁটছি ঠিক তেমনটি সময় বরফ ফাটতে শুরু করে। সে দ্রুততার সঙ্গে  আমাকে ধরে বললো যেদিকে ফাটল ধরেছে তার উল্টা দিকে দৌড় দিতে। দৌড় দিতে দিতে বরফে পিছলে পড়ে গেলাম। 

মেয়েটি বরফ থেকে আমাকে উঠাতে সাহায্য করল। পরে বাল্টিক সাগরের কিনারে এসে দু’জনে হেঁটে রেডিসন হোটেলের লবিতে হাজির হলাম। রেডিসন হোটেল বাল্টিক সাগরের পাশেই। বিল্ডিংটি কয়েক শত বছরের পুরনো। অতীতে রাজা গুস্তাভ lV-এর শাসন কালে আর্মির নিয়ন্ত্রণাধীন ছিল। বর্তমানে এটি রেডিসন হোটেলসহ অন্যান্য বিজনেস সেন্টারের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহার করা হয়। 

পরিচয়ে জানতে পারলাম মেয়েটি সুইডেনের নর্থ থেকে তিনমাস হয়েছে মুভ করেছে স্টকহোমে। চাকরি করে চীনের টেলি কোম্পানি হুয়াওয়েতে। হুয়াওয়ে মোবাইলের অফিস আমার বাসার ঠিক সামনে। লাঞ্চের পর সে প্রতিদিনই বাল্টিক সাগরের পাশ দিয়ে চল্লিশ মিনিট হাঁটে। এতক্ষণে বুঝলাম কেন প্রায়ই তার সঙ্গে আমার দেখা হয়।

আজ পরিচয় পর্ব শেষে করে রেডিসনে সুইডিশ ফিকাটা (কফি) সেরে নিলাম। বিল দিতে গেলাম সে কিছুতেই দিতে দিল না। বললো একা একা সলনাতে আছি প্রায় তিন মাস হয়ে গেল কারও সঙ্গে তেমন পরিচয় হয়নি। আজ যেভাবেই হোক পরিচয় যখন হলো কফির দাম তোমাকে দিতে দেব না। কফি শেষে হেঁটে আমি বাসায় এলাম আর সে চলে গেলো তার অফিসে। 

আগামীকাল ১২টায় সে আর আমি আবারও হাঁটতে বের হব, তবে বাল্টিক সাগরের বরফের উপর দিয়ে নয়, পাড় দিয়ে। দেখা যাক কোথায় গিয়ে দাড়ায় এ সম্পর্ক! মেয়েটির নাম আনিকা, হুয়াওয়ে মোবাইল টেলিকম নর্ডিকের সেলস ম্যানেজার। মাঝে মধ্যে চীনের বেইজিং-এ যাওয়া আসা করে অফিশিয়াল কাজে। ব্যক্তি জীবনে সিঙ্গেল তবে বয়ফ্রেন্ড ছিল, কয়েক মাস আগে সম্পর্ক ভেঙ্গে গেছে। 

দুঃখ কাকে বলে তার প্রায় সবই মেয়েটি পেয়েছে। বয়ফ্রেন্ড মারা গেছে এ বছরের শুরুতে কোভিড-১৯ এ, ৩৩ বছর বয়সে। আনিকার ছিল এক বোন সেও বিদায় নিয়েছে কয়েক বছর আগে ক্যান্সারে। বাবা-মা মারা গেছেন বছর দুই হলো। সবচেয়ে কষ্টের মৃত্যু ছিল বয়ফ্রেন্ডের। হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে, তাকে বিদায় দিতে পারেনি। 

দুজনই বেজিং-এ বেড়াতে গিয়েছিল গত বছর জানুয়ারি মাসে। বাড়িতে ফিরে আসার পর তারা অসুস্থ হয়ে যায়। পরে দুজনকে দুই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আনিকা ফিরেছে তবে ফেরেনি তার বয়ফ্রেন্ড। 

আনিকার মুখ দিয়ে বের হলো কিছু কথা যা কবি গুরু রবি ঠাকুরের কথার সঙ্গে মিলে গেল। “আছে মৃত্যু, আছে দুঃখ, বিরহদহন লাগে। তবুও শান্তি, তবু আনন্দ, তবু অনন্ত জাগে।” শোক কতটা গভীর হলে কেউ দুঃখের জীবনের এসব কথা অল্প সময়ের পরিচয়ে সঙ্গে শেয়ার করে!

কাছের প্রিয়জন বলে কেউ আছে কিনা জিজ্ঞেস করলাম, বললো সে শুধু একা বেঁচে আছে! আপন যারা ছিল তারা চলে গেছে, বাকি যারা আছে সবই ফাঁকি। জিজ্ঞেস করলাম নতুন কোন সম্পর্কের কথা ভাবছে কিনা। উত্তরে বললো আপাতত না। বর্তমানে তার ফোকাস কিভাবে হুয়াওয়ে টেলিকম মোবাইল এবং ফাইভ জি চালু করা যায় সুইডেনে। 

যদিও বেশ বাঁধা রয়েছে সুইডিশ টেলিকম এরিকসনের দিক থেকে। যতটুকু মনে হলো এ বিষয়গুলো নিয়ে আনিকা খুব একটা আগ্রহী নয় কথা বলতে। বিজনেসে সিক্রেট থাকা স্বাভাবিক। গতকাল পরিচয়ের পর আমার বিষয়ে তার আগ্রহের কারণ জিজ্ঞেস করলাম। উত্তরে বললো সে একজন পরামর্শদাতাকে খুঁজছে যার গ্লোবাল এক্সপেরিয়েন্স রয়েছে বিজনেস এবং মাল্টিকালচারাল ব্যাকগ্রাউন্ডের উপর। 

গতকাল আমাকে নিয়ে গুগলে একটু ঘাটাঘাটি করেছে। তার ইচ্ছে যদি আমি তাকে একটু সাহায্য করতে পারি। বলেছি ভেবে জানাব, তবে ফাইনাল কোন সিগন্যাল দেইনি। এতটুকু ছিল আজকের হাঁটতে পথে কথোপকথন। 

আগামীকাল হাঁটতে বের হবো কিনা জানতে চাইল, বলেছি বের হবো তবে কখন এবং কার সঙ্গে তা বলিনি। কাল এক বন্ধুর সঙ্গে লাঞ্চ করব। গত কালকের দুর্ঘটনার কারণ এবং বিপদে আনিকার সাহায্যের হাত বাড়ানোটা স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা সফট-কর্নার ক্রিয়েট হয়েছে মনে। মেন্টর হয়ে চেষ্টা করব আমার জীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে আনিকার সঙ্গে।

লেখক: রহমান মৃধা, সাবেক পরিচালক (প্রোডাকশন অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট), ফাইজার, সুইডেন থেকে, rahman.mridha@gmail.com

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : রহমান মৃধার কলাম

০৭ মার্চ, ২০২১
০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১