সিঙ্গাপুরে কোয়ারেন্টিনে ১২০০ বিদেশি শ্রমিক
jugantor
সিঙ্গাপুরে কোয়ারেন্টিনে ১২০০ বিদেশি শ্রমিক

  রাশিদুল ইসলাম জুয়েল, সিঙ্গাপুর থেকে  

২৬ এপ্রিল ২০২১, ২২:১৭:৪৭  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনা সেরে ওঠার পর আবারও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা শনাক্ত হওয়ার পর সিঙ্গাপুরের একটি শ্রমিক আবাসন কেন্দ্রের মোট ১২০০ শ্রমিককে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার ওয়েস্টলাইট উডল্যান্ডস ডরমিটরিতে নিয়মিত পরীক্ষার সময় মাত্র এক সপ্তাহ আগে দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেয়া এক কর্মীর করোনা শনাক্ত হয়। তার রুমমেটেরও করোনা ধরা পড়ে। এখন পর্যন্ত সেখানকার মোট ১৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এরপরই সব শ্রমিককে কোয়ারেন্টিনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

করোনা মহামারি শুরুর পর সিঙ্গাপুরে আক্রান্ত ৬০ হাজার মানুষই ছিল জনাকীর্ণ শ্রমিক আবাসনের বাসিন্দা। এসব আবাসনের বেশিরভাগ বাসিন্দাই দক্ষিণ এশীয় কম মজুরির শ্রমিক। ওই সময় এসব আবাসনে লকডাউন দেওয়া হয়। এছাড়া দীর্ঘমেয়াদি ভিসা থাকার পরও যারা সম্প্রতি ভারত সফর করেছে তাদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে সিঙ্গাপুর।

১২০০ শ্রমিককে কোয়ারেন্টিনে পাঠানোর বিষয়ে সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, কাজ শুরুর আগে এসব শ্রমিক বাড়ি থাকার নোটিশ অনুসরণ করার পরও ভাইরাস ছড়ানোর ঝুঁকি থেকেই যায় আর আবাসন কেন্দ্রগুলোতে আরেক দফা সংক্রমণের কারণও হয়ে উঠতে পারে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আবাসন কেন্দ্রে নতুন সংক্রমণের সঙ্গে ভারতের নতুন বৈশিষ্ট্যের করোনার সংযোগ আছে বলে এখনও কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

উচ্চ ঝুঁকির দেশগুলো থেকে যাওয়া শ্রমিকদের জন্য কোয়ারেন্টিন সময় আরও বৃদ্ধি করেছে সিঙ্গাপুর। এছাড়া পরীক্ষাও কঠোর করা হয়েছে।

আক্রান্ত না হওয়া কর্মীদের টিকা দেওয়াকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সিঙ্গাপুর। এছাড়াও সুস্থ হয়ে ওঠা শ্রমিকদের এক ডোজ টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানিয়েছে দেশটির সরকার।

সবশেষ গত বছরের সেপ্টেম্বরে শ্রমিক আবাসনের বাসিন্দাসহ ১০ জনেরও বেশি মানুষের দেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। এরপর থেকে আক্রান্তের আর কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

সিঙ্গাপুরে কোয়ারেন্টিনে ১২০০ বিদেশি শ্রমিক

 রাশিদুল ইসলাম জুয়েল, সিঙ্গাপুর থেকে 
২৬ এপ্রিল ২০২১, ১০:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনা সেরে ওঠার পর আবারও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা শনাক্ত হওয়ার পর সিঙ্গাপুরের একটি শ্রমিক আবাসন কেন্দ্রের মোট ১২০০ শ্রমিককে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার ওয়েস্টলাইট উডল্যান্ডস ডরমিটরিতে নিয়মিত পরীক্ষার সময় মাত্র এক সপ্তাহ আগে দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেয়া এক কর্মীর করোনা শনাক্ত হয়। তার রুমমেটেরও করোনা ধরা পড়ে। এখন পর্যন্ত সেখানকার মোট ১৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এরপরই সব শ্রমিককে কোয়ারেন্টিনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

করোনা মহামারি শুরুর পর সিঙ্গাপুরে আক্রান্ত ৬০ হাজার মানুষই ছিল জনাকীর্ণ শ্রমিক আবাসনের বাসিন্দা। এসব আবাসনের বেশিরভাগ বাসিন্দাই দক্ষিণ এশীয় কম মজুরির শ্রমিক। ওই সময় এসব আবাসনে লকডাউন দেওয়া হয়। এছাড়া দীর্ঘমেয়াদি ভিসা থাকার পরও যারা সম্প্রতি ভারত সফর করেছে তাদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে সিঙ্গাপুর।

১২০০ শ্রমিককে কোয়ারেন্টিনে পাঠানোর বিষয়ে সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, কাজ শুরুর আগে এসব শ্রমিক বাড়ি থাকার নোটিশ অনুসরণ করার পরও ভাইরাস ছড়ানোর ঝুঁকি থেকেই যায় আর আবাসন কেন্দ্রগুলোতে আরেক দফা সংক্রমণের কারণও হয়ে উঠতে পারে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আবাসন কেন্দ্রে নতুন সংক্রমণের সঙ্গে ভারতের নতুন বৈশিষ্ট্যের করোনার সংযোগ আছে বলে এখনও কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

উচ্চ ঝুঁকির দেশগুলো থেকে যাওয়া শ্রমিকদের জন্য কোয়ারেন্টিন সময় আরও বৃদ্ধি করেছে সিঙ্গাপুর। এছাড়া পরীক্ষাও কঠোর করা হয়েছে।

আক্রান্ত না হওয়া কর্মীদের টিকা দেওয়াকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সিঙ্গাপুর। এছাড়াও সুস্থ হয়ে ওঠা শ্রমিকদের এক ডোজ টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানিয়েছে দেশটির সরকার।

সবশেষ গত বছরের সেপ্টেম্বরে শ্রমিক আবাসনের বাসিন্দাসহ ১০ জনেরও বেশি মানুষের দেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। এরপর থেকে আক্রান্তের আর কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
 

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন