থাইল্যান্ডে গৃহহীনদের ঘরগুলো যেমন
jugantor
থাইল্যান্ডে গৃহহীনদের ঘরগুলো যেমন

  কামরুল আলম রানা, থাইল্যান্ড থেকে  

০৯ জুলাই ২০২১, ০২:১৪:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

থাইল্যান্ড সারা বিশ্বের কাছে পর্যটন দেশ হিসেবে পরিচিত। তাদের অর্থনীতি অনেকটা পর্যটননির্ভর। থাই সরকারের টেকসই অর্থনীতির পরিকল্পনার ফলে আজ থাইল্যান্ডের অর্থনীতি অনেক শক্তিশালী।

২০ থেকে ২৫ বছর আগে থাইল্যান্ডের অর্থনীতি এতটা শক্তিশালী ছিল না। অনেকেই ছিলেন গৃহহীন। থাই সরকার তাদের থাকার জন্য তৈরি করে দিয়েছেন গৃহ। যেগুলো দেখলে মনে হতে পারে ভিআইপি কোনো এলাকা।

এখানে আছে প্রশস্ত রাস্তা, গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা, বাগান, ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা জন্য স্কুল, খেলার মাঠ, পর্যাপ্ত খোলামেলা জায়গা এবং বাজার। সিকিউরিটি ব্যবস্থার জন্য পুলিশ বক্সও রয়েছে।

এখানে বসবাসকারী এক ভদ্রলোকের সঙ্গে কথা হয়।তিনি জানান, ২০ বছর আগে যখন বাড়িগুলো নির্মাণ করা হয় তখনই প্রতি বাড়ির সামনে গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গা রাখা হয়। কিন্তু তখন কারও গাড়ি ছিল না, হাতেগোনা কয়েকজনের শুধু মোটরবাইক ছিল। আর আজ এখানে বসবাসরত সবারই গাড়ি আছে।

একটি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে দরকার সঠিক নেতৃত্ব, সঠিক সিদ্ধান্ত এবং দূরদর্শী পরিকল্পনা- এটাই তার বাস্তব উদাহরণ।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

থাইল্যান্ডে গৃহহীনদের ঘরগুলো যেমন

 কামরুল আলম রানা, থাইল্যান্ড থেকে 
০৯ জুলাই ২০২১, ০২:১৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

থাইল্যান্ড সারা বিশ্বের কাছে পর্যটন দেশ হিসেবে পরিচিত। তাদের অর্থনীতি অনেকটা পর্যটননির্ভর। থাই সরকারের টেকসই অর্থনীতির পরিকল্পনার ফলে আজ থাইল্যান্ডের অর্থনীতি অনেক শক্তিশালী।

২০ থেকে ২৫ বছর আগে থাইল্যান্ডের অর্থনীতি এতটা শক্তিশালী ছিল না। অনেকেই ছিলেন গৃহহীন। থাই সরকার তাদের থাকার জন্য তৈরি করে দিয়েছেন গৃহ। যেগুলো দেখলে মনে হতে পারে ভিআইপি কোনো এলাকা। 

এখানে আছে প্রশস্ত রাস্তা, গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা, বাগান, ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা জন্য স্কুল, খেলার মাঠ, পর্যাপ্ত খোলামেলা জায়গা এবং বাজার। সিকিউরিটি ব্যবস্থার জন্য পুলিশ বক্সও রয়েছে। 

এখানে বসবাসকারী এক ভদ্রলোকের সঙ্গে কথা হয়।তিনি জানান, ২০ বছর আগে যখন বাড়িগুলো নির্মাণ করা হয় তখনই প্রতি বাড়ির সামনে গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গা রাখা হয়। কিন্তু তখন কারও গাড়ি ছিল না, হাতেগোনা কয়েকজনের শুধু মোটরবাইক ছিল। আর আজ এখানে বসবাসরত সবারই গাড়ি আছে। 

একটি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে দরকার সঠিক নেতৃত্ব, সঠিক সিদ্ধান্ত এবং দূরদর্শী পরিকল্পনা- এটাই তার বাস্তব উদাহরণ।
 

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন