নিউইয়র্কে খাবার নিয়ে বারবিকিউতে মারামারি 
jugantor
নিউইয়র্কে খাবার নিয়ে বারবিকিউতে মারামারি 

  তোফাজ্জল লিটন, নিউইয়র্ক থেকে  

০৬ আগস্ট ২০২১, ০০:০৮:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

জ্যাকসন হাইটসে এক বারবিকিউ পার্টিতে পাঁচবার মারামারি সংঘটিত হয়েছে। তর্কাতর্কি ও হাতাহাতির একপর্যায়ে পুলিশ আসলেও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। ওয়ার্ল্ড ফেয়ার মেরিনা রেস্টুরেন্টে ৪ আগস্ট রাতে এ ঘটনা ঘটে। বিকাল থেকে শুরু হওয়া এই বারবিকিউ পার্টি চলে মধ্যরাত পর্যন্ত।
যে ১০ জনের মধ্যে মারামারি হয়েছে তারা হলেন- জসি চৌধুরী ও লিটু চৌধুরী, মো. তুহিন ও তানভীর বাবু, নমি আলম-মুক্তা রহমান, দুলাল মিয়া ও জাহাঙ্গীর এবং সায়েম ও শহীদ।

মারামারি প্রসঙ্গে লিটু চৌধুরী বলেন, আমি আমার স্ত্রীসহ রেস্টুরেন্টের ভিতরে খাওয়া-দাওয়া করছিলাম। এমন সময় জসি চৌধুরী এসে মাদারফাকার বলে সবাইকে গালাগালি করে বের হয়ে যেতে বলে। আমি তখন তাকে বললাম ভাই পরিবার নিয়ে এসেছি।

লিটু চৌধুরী আরও বলেন, জসি ভাই আপনার এ ধরনের গালিগালাজ করা ঠিক হয়নি। সে আরও অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে তখন। একপর্যায়ে আমি বাহিরে আসলে সে আমাকে চড় মারে। অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে এ ঘটনাগুলো ঘটেছে বলে আমার বিশ্বাস ।
মো. তুহিন বলেন, রফিক ভাই বিফ স্টেক তৈরি করেছিলেন, সবাই লাইনে থাকলেও তানভীর বাবু লাইন ভঙ্গ করে খাবার নিতে চাই আমি বাধা দিলে সে 'তুই চিনিস আমি কে'সহ আরও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করে। একপর্যায়ে সে আমাকে ধাক্কা দেয় আমার কিশোর সন্তানের সামনে। আমি আমার ছেলের সামনে মারামারি না করে পুলিশে কল দেই; পুলিশ আধা ঘণ্টার মধ্যে ঘটনাস্থলে আসে। অভিযুক্ত কাউকে পুলিশ পায়নি তখন।

জানা যায়, অন্য তিনটি ঘটনার দুটি খাবারকেন্দ্রিক হলেও একটি ছিল সিনিয়র-জুনিয়র সমস্যা। সিনিয়র জাহাঙ্গীর মিয়াকে জুনিয়র দুলাল নাম ধরে ডাকলে তাদের মধ্যে তর্কাতর্কি ও হাতাহাতি হয়।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি সাকিল মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক মো. আলম নমির নেতৃত্বে এই বারবিকিউ পার্টির আয়োজন করা হয়েছিল। বারবিকিউ পার্টিতে অন্তত আড়াইশ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

নিউইয়র্কে খাবার নিয়ে বারবিকিউতে মারামারি 

 তোফাজ্জল লিটন, নিউইয়র্ক থেকে 
০৬ আগস্ট ২০২১, ১২:০৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

জ্যাকসন হাইটসে এক বারবিকিউ পার্টিতে পাঁচবার মারামারি সংঘটিত হয়েছে। তর্কাতর্কি ও হাতাহাতির একপর্যায়ে পুলিশ আসলেও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। ওয়ার্ল্ড ফেয়ার মেরিনা রেস্টুরেন্টে ৪ আগস্ট রাতে এ ঘটনা ঘটে। বিকাল থেকে শুরু হওয়া এই বারবিকিউ পার্টি চলে মধ্যরাত পর্যন্ত। 
যে ১০ জনের মধ্যে মারামারি হয়েছে তারা হলেন- জসি চৌধুরী ও লিটু চৌধুরী, মো. তুহিন ও তানভীর বাবু, নমি আলম-মুক্তা রহমান, দুলাল মিয়া ও জাহাঙ্গীর এবং সায়েম ও শহীদ।  

মারামারি প্রসঙ্গে লিটু চৌধুরী বলেন, আমি আমার স্ত্রীসহ রেস্টুরেন্টের ভিতরে খাওয়া-দাওয়া করছিলাম। এমন সময় জসি চৌধুরী এসে মাদারফাকার বলে সবাইকে গালাগালি করে বের হয়ে যেতে বলে। আমি তখন তাকে বললাম ভাই পরিবার নিয়ে এসেছি। 

লিটু চৌধুরী আরও বলেন, জসি ভাই আপনার এ ধরনের গালিগালাজ করা ঠিক হয়নি। সে আরও অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে তখন। একপর্যায়ে আমি বাহিরে আসলে সে আমাকে চড় মারে। অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে এ ঘটনাগুলো ঘটেছে বলে আমার বিশ্বাস । 
মো. তুহিন বলেন, রফিক ভাই বিফ স্টেক তৈরি করেছিলেন, সবাই লাইনে থাকলেও তানভীর বাবু লাইন ভঙ্গ করে খাবার নিতে চাই আমি বাধা দিলে সে 'তুই চিনিস আমি কে'সহ আরও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করে। একপর্যায়ে সে আমাকে ধাক্কা দেয় আমার কিশোর সন্তানের সামনে। আমি আমার ছেলের সামনে মারামারি না করে পুলিশে কল দেই; পুলিশ আধা ঘণ্টার মধ্যে ঘটনাস্থলে আসে। অভিযুক্ত কাউকে পুলিশ পায়নি তখন।
 
জানা যায়, অন্য তিনটি ঘটনার দুটি খাবারকেন্দ্রিক হলেও একটি ছিল সিনিয়র-জুনিয়র সমস্যা। সিনিয়র জাহাঙ্গীর মিয়াকে জুনিয়র দুলাল নাম ধরে ডাকলে তাদের মধ্যে তর্কাতর্কি ও হাতাহাতি হয়। 

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি সাকিল মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক মো. আলম নমির নেতৃত্বে এই বারবিকিউ পার্টির আয়োজন করা হয়েছিল। বারবিকিউ পার্টিতে অন্তত আড়াইশ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
 

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন