স্লোভেনিয়ায় সফল এক বাংলাদেশি প্রকৌশলীর গল্প
jugantor
স্লোভেনিয়ায় সফল এক বাংলাদেশি প্রকৌশলীর গল্প

  রাকিব হাসান রাফি, স্লোভেনিয়া থেকে  

৩১ আগস্ট ২০২১, ০১:৩৬:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেটের বাসিন্দা তৌসিফ রহমান উচ্চশিক্ষার জন্য ২০০৯ সালে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। কার্ডিফ ইউনিভার্সিটি থেকে তিনি ২০১২ সালে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওপর স্নাতক সম্পন্ন করেন। ২০১৩ সালে যুক্তরাজ্যের নিউ ক্যাসেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি জিওটেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর ওপর স্নাতকোত্তর শেষ করে অস্ট্রেলিয়ায় তিনি প্রকৌশলী হিসেবে কাজ করেছেন। দীর্ঘ প্রায় দুই বছরের বেশি সময় ধরে তিনি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতেও প্রভাষক হিসবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এমনকি ঢাকাবাসীর দীর্ঘ দিনের লালিত স্বপ্ন মেট্রো রেল প্রজেক্টে ফাউন্ডেশনে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবেও তিনি কাজ করেছেন।

২০১৯ সালে ইরাসমাস মুন্ডুস শিক্ষাবৃত্তির অধীনে পর্তুগালে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব মিনহো এবং স্লোভেনিয়ায় অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব লুবলিয়ানা থেকে সমন্বিতভাবে দ্বিতীয়বারের মতো মাস্টার্সে অধ্যয়ন করার সুযোগ লাভ করেন। তিনি স্লোভেনিয়ার রাজধানী লুবলিয়ানাতে অবস্থিত ইলিয়া আইসি নামক শীর্ষস্থানীয় কনসালট্যান্ট গ্রুপের অধীনে জিওবিআইএম ডিজাইনার হিসেবে যোগদান করেন।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য স্লোভেনিয়ায় কী ধরনের সুযোগ-সুবিধা রয়েছে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, “ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় স্লোভেনিয়াতে জীবনযাত্রার ব্যয় তুলনামূলকভাবে কম। এমনকি ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় স্লোভেনিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও টিউশন ফি অনেক কম। কিউএস ও টাইমস হায়ার এডুকেশন থেকে শুরু করে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার জরিপে পূর্ব ইউরোপের অন্যান্য দেশের চেয়ে স্লোভেনিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বেশ এগিয়ে। ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যারিয়ারও এ দেশে সেভাবে নেই। ষাটোর্ধ্ব সিনিয়র সিটিজেন এবং তৃণমূল পর্যায়ের কিছু মানুষ ছাড়া স্লোভেনিয়াতে বেশিরভাগ অধিবাসী ইংরেজিতে অত্যন্ত পারদর্শী।"

এসব কারণে আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য স্লোভেনিয়া একটি সম্ভাবনাময় গন্তব্যস্থল হয়ে উঠবে বলে তিনি এসব ব্যক্ত করেছেন। তবে এজন্য তিনি বেশ কিছু বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

তিনি বলেন, ১৯৬১ সালে স্বাক্ষরিত হেগ অ্যাপোস্টাইল চুক্তিতে বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব না থাকায় বাংলাদেশ থেকে ইস্যু করা কিছু ডকুমেন্ট অনেক সময় স্লোভেনিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে লিগলাইজড করতে হয়। স্লোভেনিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বাংলাদেশ থেকে ইস্যু হওয়া কোনো ডকুমেন্ট লিগলাইজ করতে হলে প্রথমে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনাতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে সেটিকে অ্যাটাস্টেড করতে হয় যা অত্যন্ত দুরূহ একটি বিষয়। এ কারণে অনেক শিক্ষার্থী অনেক সময় চাইলেও এখানকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আবেদন করার সাহস পান না। যিনি এর আগে কখনো ইউরোপে আসেননি তার পক্ষে বাংলাদেশে অবস্থান করে ভিয়েনার বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে কোনো ডকুমেন্ট অ্যাটাস্টেড করে লিগালাইজেশনের জন্য স্লোভেনিয়ার মিনিস্ট্রি অব ফরেন অ্যাফেয়ার্সে পাঠানোর বিষয়টি অনেকক্ষেত্রে অসম্ভবপর হয়ে দাঁড়ায়।

এছাড়াও বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য স্লোভেনিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সেভাবে স্কলারশিপ বরাদ্দ নেই। এসব সমস্যার কথা আমরা ইতোমধ্যে ভিয়েনার বাংলাদেশ দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি ও দূতালয় প্রধান তারাজুল ইসলাম ভাই এবং দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন রাহাত বিন জামান ভাইকে জানিয়েছি। বিভিন্ন সময়ে তারা বিভিন্নভাবে আমাদের সহযোগিতা করেছেন এবং তাদের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। স্লোভেনিয়া সে অর্থে বৃহৎ কোনো অর্থনীতির রাষ্ট্র নয়। তাই পার্শ্ববর্তী দেশ হাঙ্গেরি কিংবা অস্ট্রিয়ার মতো স্লোভেনিয়ার সাথে বাংলাদেশের দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক এখনো সে অর্থে বিকশিত নয়। এছাড়াও স্লোভেনিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার ডানপন্থি মনোভাবের, এ কারণে দেশটির ইমিগ্রেশন ব্যবস্থায় তিনি বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছেন। সামনের দিনগুলোতে তাই স্লোভেনিয়াতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের আগমনের হার আগের দিনগুলোর চেয়ে কমে আসতে পারে বলে অনেকে ধারণা করছেন।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়গুলোতে একটি বিষয় আমরা লক্ষ্য করেছি- স্লোভেনিয়া, হাঙ্গেরি, ক্রোয়েশিয়া, রোমানিয়া কিংবা ক্ষেত্রবিশেষে সার্বিয়ার মতো দেশকে আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহার করছে। তাই অনেকে এসব দেশে আসার পর কিছুদিন যেতে না যেতে পর্তুগাল, স্পেন, ইতালি কিংবা ফ্রান্সে চলে যাচ্ছেন। এ ধরনের কোনো বিষয় এসব দেশে আমাদের ভাবমূর্তিকে ভীষণভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে এবং ধীরে ধীরে ইউরোপে আমাদের ভিসা প্রাপ্তির হার অনেকটা কমে আসছে। এছাড়াও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অনিবন্ধিত বাংলাদেশির সংখ্যাও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেড়ে গিয়েছে; যা সত্যি দুৰ্ভাগ্যজনক। তাই সব মিলিয়ে এখন থেকে আমাদের সবার উচিত দক্ষ জনবল সৃষ্টির পাশাপাশি ব্যবহারিকভাবে ইংরেজি চর্চার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা। এছাড়াও সবার মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেও বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য আমাদের সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

স্লোভেনিয়ায় সফল এক বাংলাদেশি প্রকৌশলীর গল্প

 রাকিব হাসান রাফি, স্লোভেনিয়া থেকে 
৩১ আগস্ট ২০২১, ০১:৩৬ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেটের বাসিন্দা তৌসিফ রহমান উচ্চশিক্ষার জন্য ২০০৯ সালে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। কার্ডিফ ইউনিভার্সিটি থেকে তিনি ২০১২ সালে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওপর স্নাতক সম্পন্ন করেন। ২০১৩ সালে যুক্তরাজ্যের নিউ ক্যাসেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি জিওটেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর ওপর স্নাতকোত্তর শেষ করে অস্ট্রেলিয়ায় তিনি প্রকৌশলী হিসেবে কাজ করেছেন। দীর্ঘ প্রায় দুই বছরের বেশি সময় ধরে তিনি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতেও প্রভাষক হিসবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এমনকি ঢাকাবাসীর দীর্ঘ দিনের লালিত স্বপ্ন মেট্রো রেল প্রজেক্টে ফাউন্ডেশনে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবেও তিনি কাজ করেছেন।

২০১৯ সালে ইরাসমাস মুন্ডুস শিক্ষাবৃত্তির অধীনে পর্তুগালে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব মিনহো এবং স্লোভেনিয়ায় অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব লুবলিয়ানা থেকে সমন্বিতভাবে দ্বিতীয়বারের মতো মাস্টার্সে অধ্যয়ন করার সুযোগ লাভ করেন। তিনি স্লোভেনিয়ার রাজধানী লুবলিয়ানাতে অবস্থিত ইলিয়া আইসি নামক শীর্ষস্থানীয় কনসালট্যান্ট গ্রুপের অধীনে জিওবিআইএম ডিজাইনার হিসেবে যোগদান করেন।  

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য স্লোভেনিয়ায় কী ধরনের সুযোগ-সুবিধা রয়েছে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, “ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় স্লোভেনিয়াতে জীবনযাত্রার ব্যয় তুলনামূলকভাবে কম। এমনকি ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় স্লোভেনিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও টিউশন ফি অনেক কম। কিউএস ও টাইমস হায়ার এডুকেশন থেকে শুরু করে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার জরিপে পূর্ব ইউরোপের অন্যান্য দেশের চেয়ে স্লোভেনিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বেশ এগিয়ে। ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যারিয়ারও এ দেশে সেভাবে নেই। ষাটোর্ধ্ব সিনিয়র সিটিজেন এবং তৃণমূল পর্যায়ের কিছু মানুষ ছাড়া স্লোভেনিয়াতে বেশিরভাগ অধিবাসী ইংরেজিতে অত্যন্ত পারদর্শী।"

এসব কারণে আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য স্লোভেনিয়া একটি সম্ভাবনাময় গন্তব্যস্থল হয়ে উঠবে বলে তিনি এসব ব্যক্ত করেছেন। তবে এজন্য তিনি বেশ কিছু বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন। 

তিনি বলেন, ১৯৬১ সালে স্বাক্ষরিত হেগ অ্যাপোস্টাইল চুক্তিতে বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব না থাকায় বাংলাদেশ থেকে ইস্যু করা কিছু ডকুমেন্ট অনেক সময় স্লোভেনিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে লিগলাইজড করতে হয়। স্লোভেনিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বাংলাদেশ থেকে ইস্যু হওয়া কোনো ডকুমেন্ট লিগলাইজ করতে হলে প্রথমে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনাতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে সেটিকে অ্যাটাস্টেড করতে হয় যা অত্যন্ত দুরূহ একটি বিষয়। এ কারণে অনেক শিক্ষার্থী অনেক সময় চাইলেও এখানকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আবেদন করার সাহস পান না। যিনি এর আগে কখনো ইউরোপে আসেননি তার পক্ষে বাংলাদেশে অবস্থান করে ভিয়েনার বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে কোনো ডকুমেন্ট অ্যাটাস্টেড করে লিগালাইজেশনের জন্য স্লোভেনিয়ার মিনিস্ট্রি অব ফরেন অ্যাফেয়ার্সে পাঠানোর বিষয়টি অনেকক্ষেত্রে অসম্ভবপর হয়ে দাঁড়ায়। 

এছাড়াও বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য স্লোভেনিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সেভাবে স্কলারশিপ বরাদ্দ নেই। এসব সমস্যার কথা আমরা ইতোমধ্যে ভিয়েনার বাংলাদেশ দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি ও দূতালয় প্রধান তারাজুল ইসলাম ভাই এবং দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন রাহাত বিন জামান ভাইকে জানিয়েছি। বিভিন্ন সময়ে তারা বিভিন্নভাবে আমাদের সহযোগিতা করেছেন এবং তাদের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। স্লোভেনিয়া সে অর্থে বৃহৎ কোনো অর্থনীতির রাষ্ট্র নয়। তাই পার্শ্ববর্তী দেশ হাঙ্গেরি কিংবা অস্ট্রিয়ার মতো স্লোভেনিয়ার সাথে বাংলাদেশের দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক এখনো সে অর্থে বিকশিত নয়। এছাড়াও স্লোভেনিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার ডানপন্থি মনোভাবের, এ কারণে দেশটির ইমিগ্রেশন ব্যবস্থায় তিনি বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছেন। সামনের দিনগুলোতে তাই স্লোভেনিয়াতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের আগমনের হার আগের দিনগুলোর চেয়ে কমে আসতে পারে বলে অনেকে ধারণা করছেন।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়গুলোতে একটি বিষয় আমরা লক্ষ্য করেছি- স্লোভেনিয়া, হাঙ্গেরি, ক্রোয়েশিয়া, রোমানিয়া কিংবা ক্ষেত্রবিশেষে সার্বিয়ার মতো দেশকে আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহার করছে। তাই অনেকে এসব দেশে আসার পর কিছুদিন যেতে না যেতে পর্তুগাল, স্পেন, ইতালি কিংবা ফ্রান্সে চলে যাচ্ছেন। এ ধরনের কোনো বিষয় এসব দেশে আমাদের ভাবমূর্তিকে ভীষণভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে এবং ধীরে ধীরে ইউরোপে আমাদের ভিসা প্রাপ্তির হার অনেকটা কমে আসছে। এছাড়াও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অনিবন্ধিত বাংলাদেশির সংখ্যাও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেড়ে গিয়েছে; যা সত্যি দুৰ্ভাগ্যজনক। তাই সব মিলিয়ে এখন থেকে আমাদের সবার উচিত দক্ষ জনবল সৃষ্টির পাশাপাশি ব্যবহারিকভাবে ইংরেজি চর্চার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা। এছাড়াও সবার মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেও বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য আমাদের সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
 

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন