ইউরোপে আশ্রয় পাবে না আফগান শরণার্থীরা
jugantor
ইউরোপে আশ্রয় পাবে না আফগান শরণার্থীরা

  নিরব আহমেদ রুমন, গ্রিস থেকে  

০২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:২৯:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন জাস্টিস, পররাষ্ট্র ও ইনটেরিয়র মিনিস্টারদের আফগানিস্তানের ইস্যুতে ব্রাসেলসে এক জরুরি বৈঠক মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়। তারা ঐকমত্যে পৌঁছেছেন যে, ২০১৫ সালের মতো অবৈধ শরণার্থীদের ইউরোপে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে এক মিলিয়ন শরণার্থী ইউরোপে প্রবেশ করে। তবে তারা তালেবানদের উত্থানে সন্ত্রাসী কার্যক্রমরোধ, নারীদের অধিকার নিশ্চিত ও জোট বাহিনীর সহযোগীদের জন্য সাহায্যের হাত বাড়াবে৷

পার্শ্ববর্তী দেশসমূহকে এসব রিফুজিদের আশ্রয় প্রদানের জন্য আহ্বান জানানো হয়৷ ২০২১ থেকে ২০২৭ পর্যন্ত রিফুজিদের আশ্রয় প্রদান বাবদ খরচ বহন করবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ৭৯.৫ বিলিয়ন ইউরো বাজেট ঘোষণা করা হয়।

প্রমাণসাপেক্ষে যুক্তিসঙ্গত আশ্রয়প্রার্থীদের আশ্রয় দেয়া হবে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে। এ ব্যাপারে তারা পাকিস্তান, ইরান, কাতার, কুয়েত, আমিরাত, উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তানসহ নানা দেশের সঙ্গে আলোচনা করবে।

সকল সীমান্তে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা জোরদারের জন্য ফ্রনটেক্স, সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী ও সেনাদের সতর্ক দৃষ্টি রাখার ব্যাপারে আলোকপাত করেন। এ ব্যাপারে ১৩ মিলিয়ন ইউরো বাজেট ঘোষিত হয়।

সব দেশে আফগান দূতাবাস খোলা রাখবে কিনা সেটা নির্ভর করবে তালেবান সরকারের কার্যক্রম ও পররাষ্ট্র নীতির ওপর। সব আফগানিদের তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আশ্রয় আবেদন যাচাই-বাছাই করে দ্রুত স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বা ডিপোর্টেশনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

ইউরোপে আশ্রয় পাবে না আফগান শরণার্থীরা

 নিরব আহমেদ রুমন, গ্রিস থেকে 
০২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:২৯ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন জাস্টিস,  পররাষ্ট্র ও ইনটেরিয়র মিনিস্টারদের আফগানিস্তানের ইস্যুতে ব্রাসেলসে এক জরুরি বৈঠক মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়। তারা ঐকমত্যে পৌঁছেছেন যে, ২০১৫ সালের মতো অবৈধ শরণার্থীদের ইউরোপে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে এক মিলিয়ন শরণার্থী ইউরোপে প্রবেশ করে। তবে তারা তালেবানদের উত্থানে সন্ত্রাসী কার্যক্রমরোধ, নারীদের অধিকার নিশ্চিত ও  জোট বাহিনীর সহযোগীদের জন্য সাহায্যের হাত বাড়াবে৷ 

পার্শ্ববর্তী দেশসমূহকে এসব রিফুজিদের আশ্রয় প্রদানের জন্য আহ্বান জানানো হয়৷ ২০২১ থেকে ২০২৭ পর্যন্ত রিফুজিদের আশ্রয় প্রদান বাবদ খরচ বহন করবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।  ৭৯.৫ বিলিয়ন ইউরো বাজেট ঘোষণা করা হয়। 

প্রমাণসাপেক্ষে যুক্তিসঙ্গত আশ্রয়প্রার্থীদের আশ্রয় দেয়া হবে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে। এ ব্যাপারে তারা পাকিস্তান,  ইরান, কাতার,  কুয়েত, আমিরাত,  উজবেকিস্তান,  তাজিকিস্তানসহ নানা দেশের সঙ্গে আলোচনা করবে। 

সকল সীমান্তে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা জোরদারের জন্য ফ্রনটেক্স, সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী ও সেনাদের সতর্ক দৃষ্টি রাখার ব্যাপারে আলোকপাত করেন। এ ব্যাপারে ১৩ মিলিয়ন ইউরো বাজেট ঘোষিত হয়। 

সব দেশে আফগান দূতাবাস খোলা রাখবে কিনা সেটা নির্ভর করবে তালেবান সরকারের কার্যক্রম ও পররাষ্ট্র নীতির ওপর। সব আফগানিদের তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আশ্রয় আবেদন যাচাই-বাছাই করে দ্রুত স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বা ডিপোর্টেশনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
 

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর